কেন এই পরিবর্তন?
ফাইনালি, বিশ্ব রাজনীতির মোড় ঘুরে গেছে! ইরান শুধু যুদ্ধে জেতেনি, বরং নিজেকে এক নতুন সুপার পাওয়ার রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আজকের এই মুহূর্তে ইরান এবং ইসরায়েল এই অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী। সৌদি আরব, কাতার বা আমিরাতের মতো রাষ্ট্রগুলো এখন বাধ্য হবে এই নতুন শক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের শাসনভার এখন আর আমেরিকার ওপর নির্ভর করছে না।
কেন এই পরিবর্তন?
১. ইরান প্রমাণ করে দিয়েছে, আমেরিকার মতো তথাকথিত পরাশক্তির রক্ষা করার ক্ষমতা আর নেই।
২. হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ এখন ইরানের হাতে, যা বিশ্বের জাহাজ চলাচলের শুল্ক আদায়ের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
৩. চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ এবং রাশিয়া-ভারতের ‘উত্তর-দক্ষিণ করিডোর’—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু এখন ইরান।
আমেরিকার পেট্রোডলার ব্যবস্থা আজ ধ্বংসের মুখে! ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে এশিয়া নতুন পথে হাঁটতে শুরু করেছে। যেখানে আমেরিকা পুরো একটা সভ্যতা ধ্বংসের হুমকি দিয়েছিল, সেখানে ইরানিরা তাদের দেশপ্রেম, অদম্য সাহস, মেধা আর শক্তিশালী ‘ডিফেন্সিভ মেকানিজম’ দিয়ে টিকে থেকে পুরো পৃথিবীকে শিখিয়ে দিয়েছে—ইচ্ছা আর সাহস থাকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধেও মাথা নত না করে টিকে থাকা সম্ভব।
ইউরোপের দেশগুলোও আজ সুর বদলাতে বাধ্য হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার থেকে শুরু করে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে আজ স্বয়ং আমেরিকা রাজি!
পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে ডিফেন্সিভ মেকানিজম আর নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা লাগে—ইরান আজ তা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়ে গেছে। না হলে পরাজয় নিশ্চিত!
ফটো এ আই
#Geopolitics #Iran #WorldPower #EndofDollar #MiddleEast #Victory #DefensivePower #NewWorldOrder

মন্তব্যসমূহ