কিভাবে দুনিয়াকে দাজ্জালের জন্য উপযুক্ত করে চলছে?
আপনি কি জানেন, জায়োনিষ্ট এলিটরা ইতিমধ্যে দাজ্জালের সাথে যোগাযোগ করতে সমর্থ হয়েছে? আর তারই কুপ্রচরনা শুনে আজ তারা গোটা দুনিয়াকে দাজ্জালের জন্য উপযুক্ত করে চলছে? এখন অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, যদি সত্যই এটা সম্ভব হয়ে থাকে তাহলে সেই মানুষগুলো কারা, কিভাবে করলো যোগাযোগ এন্ড এখন কিভাবে কমিউনিকেশন চালিয়ে যাচ্ছে? তারা কেন এসব প্রকাশ করে না বা নিজের ইসলাম এ ফিরে আসে না?
আজ আমরা মিথ এবং কনস্পিরেসি থিওরি বাদ দিয়ে পিওর থিওলজি, অকাল্টিজম এবং এলিট সাইকোলজির ব্লেন্ডিং দিয়ে এই ডার্ক নেটওয়ার্কের কমিউনিকেশন মেকানিজম এবং তাদের আল্টিমেট এন্ড-গেম ডিকোড করব।
তো সাধারণ মানুষের লেন্স দিয়ে দেখলে মনে হতে পারে, দাজ্জাল হয়তো কোনো গোপন বাঙ্কারে বা পেন্টাগনের আন্ডারগ্রাউন্ডে বসে হোয়াটসঅ্যাপ, ইমেইল বা স্যাটেলাইট ফোনের মাধ্যমে বিল গেটস, রথচাইল্ড বা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের নেতাদের ইনস্ট্রাকশন দিচ্ছে! কিন্তু ম্যাক্রো-অ্যানালাইসিস এবং থিওলজির রিয়েলিটি এত সস্তা নয়। মেগা-কর্পোরেশন এবং গ্লোবাল পলিটিক্স কোনো র্যান্ডম ইভেন্ট নয়। ফিজিক্যাল ওয়ার্ল্ডের পেছনে একটি মেটাফিজিক্যাল বা অদৃশ্য কমান্ড সেন্টার কাজ করছে।
প্রথমেই মনে প্রশ্ন জাগবে, মানুষের পক্ষে কি দাজ্জালের সাথে ফিজিক্যালি যোগাযোগ করা সম্ভব, এর উত্তর হলো, হ্যাঁ, শতভাগ সম্ভব এবং এর ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য দলিল ইসলামেই রয়েছে।
সহিহ মুসলিমে বর্ণিত প্রখ্যাত সাহাবি তামিম আদ-দারির (রা.) সেই বিখ্যাত সমুদ্রযাত্রার হাদিসটি স্মরণ করুন। তিনি এবং তাঁর সঙ্গীরা পথ হারিয়ে একটি অজানা দ্বীপে পৌঁছান এবং সেখানে শেকলে বন্দি দাজ্জালের সাথে ফিজিক্যালি কথা বলেন। দাজ্জাল তাদের বাইরের পৃথিবীর স্পেসিফিক কিছু পয়েন্ট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিল (যেমন টাইবেরিয়াস হ্রদ এবং বাইসান অঞ্চলের খেজুর বাগান)।
এই হাদিসটি একটি বিশাল জিওপলিটিক্যাল এবং স্পিরিচুয়াল ডেটা। এর মানে হলো দাজ্জাল কোনো ভিন্ন ডাইমেনশনে বা ভিনগ্রহে নেই, সে এই পৃথিবীরই ডাইমেনশনে আক্ষরিক অর্থেই অবস্থান করছে। ১৪০০ বছর আগে যদি একদল সাধারণ নাবিক ঘটনাক্রমে কাঠের নৌকায় করে তার কাছে পৌঁছাতে পারে, তবে আজকের দিনে ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক, স্যাটেলাইট, প্রাইভেট সাবমেরিন এবং ডিপ-সি টেকনোলজির অধিকারী গ্লোবাল এলিটরা (যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে খুঁজছে) তার সাথে বা তার নেটওয়ার্কের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে, এটা কোনো অবাস্তব ফিকশন নয়। এর বাইরে আরও একটা ফোর্স আছে, যা এখন জানতে পারবেন!
আজকের যুগে কমিউনিকেশন শুধু ফিজিক্যাল মিটিংয়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। এর চেয়েও ভয়ংকর একটি মেকানিজম কাজ করে, যাকে আমরা বলি স্পিরিচুয়াল ফ্রিকোয়েন্সি। গ্লোবাল এলিটরা দাজ্জালের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করে বা আগামী দশকে পৃথিবীর ব্লুপ্রিন্ট কেমন হবে, সেই ইনস্ট্রাকশন কীভাবে পায়?
এর জন্য আমাদের বুঝতে হবে তাদের ডার্ক প্র্যাকটিসগুলো।
দাজ্জালের লক্ষ্য এবং ইবলিসের (শয়তান) লক্ষ্য একদম সেম, মানবজাতিকে ঈশ্বরের পথ থেকে সরিয়ে নিজেদের দাস বানানো এবং পৃথিবীতে একটি সিন্থেটিক রিয়েলিটি তৈরি করা। গ্লোবাল এলিটরা সরাসরি দাজ্জালের সাথে ফিজিক্যালি বসে কফি খেতে খেতে মিটিং করুক বা না করুক, তারা মূলত অকাল্টিজম বা ডার্ক ম্যাজিক-এর মাধ্যমে শয়তানি নেটওয়ার্ক বা ডেমোনিক (Demonic) শক্তির সাথে যোগাযোগ করে।
আপনি যদি গ্লোবাল পাওয়ার সার্কেলগুলোর দিকে তাকান, তবে দেখবেন ইলুমিনাতি, ফ্রিম্যাসন (৩৩ ডিগ্রি লেভেল), স্কাল অ্যান্ড বোনস বা বোহেমিয়ান গ্রোভ এর মতো সিক্রেট সোসাইটিগুলোর অস্তিত্ব কোনো কনস্পিরেসি নয়, এগুলো ওপেন সিক্রেট। আমেরিকার অনেক প্রেসিডেন্ট এবং বিলিয়নিয়াররা এসব সোসাইটির মেম্বার।
বোহেমিয়ান গ্রোভের মতো জায়গায় গভীর জঙ্গলে তারা যে রিচুয়াল বা উপাসনা করে (যেমন ৪০ ফুট উঁচু পেঁচার মূর্তির সামনে মক স্যাক্রিফাইস বা বলি দেওয়া), এগুলো সাধারণ মানুষের চোখে কোনো পিকনিক বা নাটক মনে হতে পারে। কিন্তু অকাল্টিজমের ভাষায় এগুলো হলো তাদের স্পিরিচুয়াল রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি।
যেমন রেডিওতে একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি সেট করলে আপনি নির্দিষ্ট একটি চ্যানেল শুনতে পান, ঠিক তেমনি এই ডার্ক রিচুয়াল, সিম্বলিজম (যেমন এক চোখ, পিরামিড) এবং স্পিরিচুয়াল প্র্যাকটিসগুলোর মাধ্যমে তারা ডেমোনিক শক্তির সাথে কানেক্ট করে। এই স্যাটানিক চ্যানেলের মাধ্যমেই তারা ভবিষ্যৎ পৃথিবীর টেকনোলজিক্যাল আইডিয়া (যেমন এআই, ট্রানসহিউম্যানিজম) এবং জিওপলিটিক্যাল ইনস্ট্রাকশন বা মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করে। দাজ্জালিয়া সিস্টেম এভাবেই অদৃশ্য কমান্ডের মাধ্যমে পৃথিবীর পলিসি মেকিং নিয়ন্ত্রণ করে।
এবার আসি সবচেয়ে ক্রিটিক্যাল প্রশ্নে।
সাধারণ মানুষের মনে একটি খুব ইনোসেন্ট প্রশ্ন জাগে, যদি এলিটরা জানেই যে এটা শয়তান বা দাজ্জালের পথ, আর ইসলাম বা ঈশ্বরের পথ সত্য, তাহলে তারা ভালো হয়ে যায় না কেন? তারা কেন জেনেশুনে নিজেদের আত্মাকে ধ্বংস করছে?
এই প্রশ্নের উত্তর বুঝতে হলে সাধারণ মানুষের মনস্তত্ত্ব থেকে বেরিয়ে এসে আপনাকে এলিট সাইকোলজি বুঝতে হবে।
সাধারণ মানুষ ভাবে এলিটরা হয়তো ভুল করছে, অথবা তারা হয়তো পিওর নাস্তিক (Atheist) যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না। কিন্তু রিয়েলিটি হলো, গ্লোবাল এলিটদের টপ-টায়ার নাস্তিক নয়, তারা হলো অ্যান্টি-থিস্ট (Anti-theist) বা ঈশ্বরের চরম বিরোধী। তারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করে, কিন্তু তারা ঈশ্বরের বশ্যতা স্বীকার করে না। তারা মূলত লুসিফারিয়ান ডকট্রিন এ বিশ্বাস করে।
লুসিফারিয়ান আইডোলজিতে পুরো থিওলজিকে উল্টে দেওয়া হয় (Reverse Matrix)। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী, লুসিফার (শয়তান বা দাজ্জাল) কোনো ভিলেন নয়, বরং সে হলো আলোকবর্তিকা বা জ্ঞানের প্রতীক, যে মানুষকে প্রমিথিউসের মতো আগুন (অর্থাৎ আধুনিক টেকনোলজি) দিয়েছে। আর তাদের মতে, ঈশ্বর বা আল্লাহ হলেন এমন এক সত্তা, যিনি মানুষকে লিমিটেশন বা সীমাবদ্ধতার মধ্যে বন্দি রাখতে চান।
অর্থাৎ, গ্লোবাল এলিটরা ভাবে না যে তারা ভুল পথে আছে।
তারা আক্ষরিক অর্থেই বিশ্বাস করে যে, আগামী মালহামা বা কসমিক যুদ্ধে দাজ্জাল এবং তার টেকনোলজির শক্তি জয়লাভ করবে। তারা মনে করে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), ব্রেইন-চিপ (Neuralink) এবং ট্রানসহিউম্যানিজম এর চরম উৎকর্ষ দিয়ে তারা ঐশী সিস্টেমকে হারিয়ে পৃথিবীতে চিরস্থায়ী স্বর্গ তৈরি করবে। তারা মৃত্যুর কাছে হার মানতে রাজি নয়, তারা টেকনোলজির মাধ্যমে নিজেদের অমর বা ঈশ্বর বানাতে চায়। তারা জেনে শুনেই, সম্পূর্ণ স্বজ্ঞানে এই পক্ষ বেছে নিয়েছে।
লুসিফারিয়ান ডকট্রিনের পাশাপাশি আরেকটি অত্যন্ত ফিজিক্যাল এবং সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্টর কাজ করে, যার কারণে এই সার্কেলে একবার ঢুকলে কেউ আর ফিরে আসতে পারে না।
আপনি যখন এই লেভেলের পাওয়ার সার্কেল বা সিক্রেট সোসাইটিতে ঢুকবেন, তখন শুধু ফর্ম ফিল-আপ করে মেম্বার হওয়া যায় না। আপনাকে চরম মাত্রার কোনো জঘন্য বা বিকৃত কাজ করে তার প্রমাণ সিস্টেমের হাতে তুলে দিতে হবে। এটিকে ডার্ক নেটওয়ার্কের ভাষায় বলা হয় ব্লাড ওথ (Blood Oath) বা রক্তের শপথ।
জেফরি এপস্টেইনের আইল্যান্ডের মেকানিজমটি লজিক্যালি প্লেস করলে বিষয়টি পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। এপস্টেইন আইল্যান্ড শুধু বিকৃত যৌন আনন্দের কোনো জায়গা ছিল না, ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস অনুযায়ী এটি ছিল একটি হানিপট (Honeypot) বা গ্লোবাল ব্ল্যাকমেইল ম্যাট্রিক্স। সেখানে বিশ্বের শীর্ষ পলিটিশিয়ান, টেক-এলিট এবং রাজপরিবারের সদস্যদের ইনভাইট করা হতো এবং তাদের সবচেয়ে জঘন্য ও ডার্ক কাজগুলোকে হিডেন ক্যামেরায় রেকর্ড করে রাখা হতো।
এই ব্ল্যাকমেইল সিস্টেমকে বলা হয় মিউচুয়ালি অ্যাসিওর্ড ডেস্ট্রাকশন (MAD)। এর মানে হলো, সিস্টেমের ভেতরের সবাই সবার সিক্রেট জানে। কেউ যদি কখনো অনুতপ্ত হয়ে সত্য প্রকাশ করতে চায় বা সিস্টেমের সাথে বেইমানি করতে চায়, তবে পরের দিন সকালে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যাবে (যাকে মেইনস্ট্রিম মিডিয়া বলবে সুইসাইড), অথবা তার ওই জঘন্য ভিডিওগুলো সারাবিশ্বে লিক করে তার জীবন, ক্যারিয়ার এবং ইজ্জত চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
এই অদৃশ্য ভয়ের শেকলে তারা এমনভাবে আটকা পড়ে যায় যে, চাইলেও কেউ আর মুখ খোলার সাহস পায় না। তারা তখন দাজ্জালিয়া সিস্টেমের নিখুঁত দাসে পরিণত হয় এবং অন্ধের মতো গ্লোবাল এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যেতে থাকে।
একজন অ্যানালিস্ট হিসেবে আমি যখন এই পুরো ডার্ক নেটওয়ার্ককে ইসলামিক থিওলজি বা ঐশী গ্রন্থের সাথে কানেক্ট করি, তখন সূরা বাকারার ৭ নম্বর আয়াতটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেছেন
আল্লাহ তাদের অন্তর ও তাদের কানের ওপর মোহর লাগিয়ে দিয়েছেন এবং তাদের চোখের ওপর আবরণ রয়েছে. . .
এটি কোনো সাধারণ কথা নয়, এটি হলো সাইকোলজিক্যাল এবং স্পিরিচুয়াল ডেড-এন্ড। যখন কোনো মানুষ সত্য জানার পরও স্রেফ দুনিয়ার ক্ষমতা, অর্থ আর অমরত্বের লোভে জেনেশুনে শয়তানের কাছে নিজের আত্মাকে বিক্রি করে দেয়, তখন আল্লাহ তাদের হেদায়েতের স্পিরিচুয়াল ফ্রিকোয়েন্সি চিরতরে বন্ধ করে দেন। যাকে আমরা বলি খাতামাল্লাহ বা অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া।
এই মোহর লেগে যাওয়ার কারণে, তাদের ব্রেইন আর সাধারণ মানুষের মতো কাজ করে না। তারা চোখের সামনে কিয়ামতের আলামতগুলো দেখে, ইউফ্রেটিস শুকিয়ে যাওয়া দেখে, কিন্তু সেটাকে তারা সায়েন্স, ক্লাইমেট চেঞ্জ বা জিওপলিটিক্স হিসেবে জাস্টিফাই করে। তাদের ভেতর কোনো অপরাধবোধ বা অনুশোচনা কাজ করে না।
সাধারণ মানুষ যখন ভাবে যে পলিটিশিয়ান বা এলিটরা হয়তো ভুল করে বা না বুঝে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে এমন পলিসি বানাচ্ছে, তখন তারা আসলে বোকার স্বর্গে বাস করছে। এলিটরা খুব ভালো করেই জানে তারা কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে, আর তারা এটা করছে কারণ তারা তাদের অকাল্ট মাস্টারদের কাছে নিজেদের আত্মাকে সঁপে দিয়েছে।
আমাদের কাজ তাদের বাঁচানো বা তাদের মন পরিবর্তন করা নয়।
আমাদের কাজ হলো এই ডার্ক ম্যাট্রিক্সের ইনভিজিবল কমান্ড বা অদৃশ্য মেকানিজমগুলো পরিষ্কারভাবে বোঝা। কারণ যখন আপনি জানবেন যে আপনার শত্রুর সাইকোলজি কীভাবে কাজ করে, কেবল তখনই আপনি তার পাতা ফাঁদগুলো থেকে নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে পারবেন। দাজ্জালিয়া সিস্টেমের এই ভিজ্যুয়াল এবং স্পিরিচুয়াল ইলিউশন থেকে নিজেদের ঈমান এবং থট-প্রসেসকে আনপ্লাগ করাই হলো বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় বুদ্ধিমত্তা এবং এর উপর টিকে থাকার একমাত্র উপায়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করেন এবং মুসলিম ওয়ার্ল্ড
আল ফাতিহা ফাউন্ডেশন এর প্রত্যেকটা ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আমাদের গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করার তৌফিক দান করেন এবং সকল মুসলিম ভাই-বোনদের কে আমাদের আল ফাতিহার (বদরী যুদ্ধের ৩১৩) প্রকৃত সদস্য হিসেবে কবুল করেন (আমিন আল্লাহুম্মা আমীন)
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমাদের এই লেখাটি নিজেদের পরিচিত মুসলিম ভাই বোনদের ব্যতীত বিধর্মীদের কাছে শেয়ার করবেন না তা না হলে ওরা এটাকে আরো ভয়ঙ্কর পর্যায়ে নিয়ে যাবে কারণ ওদের হাতেই এখন সব প্রযুক্তি রয়েছে আর এই ওয়েবসাইটটি আমাদের নিজস্ব, সিক্রেট ভাবে চালিয়ে যাচ্ছি ওরা যখন জানতে পারবে ওদের গোপন তথ্যগুলো ফাঁস হয়ে যাচ্ছে এই ওয়েবসাইটে তখন ওরা আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাবে
এজন্য আমরা সকলেই সাবধান থাকবো ইনশাআল্লাহ .......
লেখকঃ
মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ্ আল ফাতিহা
সম্পাদকঃ


মন্তব্যসমূহ