Skip to main content

Posts

Showing posts with the label গবেষণা

শবে মেরাজের গোপন রহস্য ভেদ

  মি‘রাজ এক অনন্ত রব্বানী ভেদ। এই ভেদের তলদেশের সীমা-পরিসীমা নেই। মি‘রাজের নিবিড় মিলনের নির্জনতায় এমন নিগূঢ় তথ্য ও রহস্য নিহিত রয়েছে, যা প্রকাশ করা চলে না। সকল রহস্যের অন্তরালে তা চিরদিন সংগোপনে রয়েছে ও থাকবে। এই রহস্যময় দ্বার উদ্ঘাটন করা জিন ও ইনসানের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রাসঙ্গিক ভাবনা মি‘রাজ ঘটনার প্রেক্ষিতে কতগুলি প্রশ্ন জাগে। সংক্ষেপে এসব প্রশ্নের কিছু নিম্নে অবতারণা করা হলো :— ১. মি‘রাজের পুরো আলোচনায় স্পষ্টতঃ প্রমাণিত হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাগ্রত অবস্থায় সম্পূর্ণরূপে বাইতুল্লাহ (কাবা শরীফ) হতে বাইতুল মোকাদ্দাস এবং সেখান হতে সপ্তাকাশ ও তদূর্ধ্ব জগতে ভ্রমণ করেছেন। আধুনিক বিজ্ঞান প্রমাণ করে যে, কোন রকেট বা মহাকাশযান প্রতি সেকেন্ডে ০৭ (সাত) মাইল অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় পঁচিশ হাজার দুইশত মাইলের অধিক গতি সম্পন্ন না হলে মধ্যাকর্ষণ শক্তি অতিক্রম করতে পারে না। এই পরিমাণ গতি সম্পন্ন হলেও সেই রকেট বা মহাকাশ যানটি মহাশূন্যে পৌঁছাতে দশ দিন সময় অতিবাহিত হয়। এই হিসেব ধরলেও বোরাকের গতি কমপক্ষে ঘণ্টায় দুই লক্ষ বায়ান্ন হাজার মাইলের উপর ছিল। অত্যন্ত অলৌকিক কল্পনাতীত গতিসম্পন্ন ...

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইঙ্গিত সূচনা

  তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য একাধিক দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। সুইডেন জরুরী ভিত্তিতে খাদ্যের মজুদ বাড়াচ্ছে। ইউক্রে‌ন নিয়ে ইতিমধ্যেই রাশিয়া, বেলারুশ, চীন, উত্তর কোরিয়া জোটের বিরুদ্ধে আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া নিয়ে গঠিত পশ্চিমা জোটের একধরণের প্রক্সি বিশ্বযুদ্ধ চলছে।  বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র, সামরিক সহায়তা, সামরিক প্রশিক্ষক ইউক্রেনে যাচ্ছে।  নিজেদের জাতীয় বাজেট ব্যাপক কাটছাঁট করে তারা পানির মতো ইউক্রেনে টাকা ঢালছে। এসব দেশে জীবনযাত্রার খরচ অসহনীয়ভাবে বেড়ে গেছে। গরীব দেশগুলোকে দেয়া উন্নয়ন সহায়তা কমতে কমতে নাই হয়ে যাবার অবস্থা। জার্মানি বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ চালু করার সিরিয়াস চিন্তাভাবনা করছে। চীনের ঘোষিত ২০২৭ সাল‌ পরবর্তী তাইওয়ান যুদ্ধ শুরু হলে এইসব যুদ্ধের বহুগুন ভয়াবহ বিস্তার ঘটবে। একটা উদাহরণ দেই। চীনের অর্থনীতি রাশিয়ার প্রায় ২০ গুণ বড়।  ফলে ইউক্রেন যুদ্ধে পুরো পৃথিবীতে জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বেড়েছে চীন তাইওয়ানে সামরিক অভিযান শুরু করলে আমেরিকা জাপান দক্ষিণ কোরিয়া ফিলিপাইন এবং পশ্চিমা জোট তার বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতে‌...

কোন পদ্ধতিতে বাংলা ভাগ হলো?

  কোন পদ্ধতিতে বাংলা ভাগ হলো ? মুফতি গাজী আমিনুল ইসলাম কাসেমী তৎকালীন ব্রিটিশ লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের ২ জুন নিজের বাড়িতে তৎকালীন শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সাথে একটা মিটিং আয়োজন করলেন।উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাভাগ ও পাঞ্জাবভাগ নিয়ে আলোচনা করা। মিটিংয়ে কংগ্রেস থেকে পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল, আচার্য কৃপালনি।মুসলিম লীগ থেকে ডাকলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান, আব্দুর রব নিশতারকে।শিখ জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সরদার বল দেব সিং উপস্থিত ছিলেন। সাতজনদের সাথে আলোচনা করলেন বাংলাভাগ করা যায় কি না,আর করলেও কোন পদ্ধতিতে করা হবে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। এই সাতজন একটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির কথা মাউন্ট ব্যাটেনকে বললেন যে,বাংলার এসেম্বলিতে যত মেম্বার আছেন,হিন্দু অধ্যুষিত মেম্বারদের নিয়ে ও মুসলমান অধ্যুষিত মেম্বারদের নিয়ে আলাদা আলাদা করে মিটিং করা হোক। সেই মিটিং এ যদি হিন্দু/মুসলিম অধ্যুষিত কোনো এক গ্রুপের এমএলএ যদি বাংলাভাগের পক্ষে রায় দেয়,তাহলে বাংলা ভাগ হবে। এমএলএ রা যে রায় দিলোঃ তৎকালীন সময়ে বাংলায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলা ছিলো ১৬ টি। নোয়াখালী,চট্টগ্রাম,ত্রিপুরা,বাকেরগঞ্জ,...

আমরা ভাবি, কটন বাড কান পরিষ্কার করে। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে ঠিক এর উল্টোটা !

  আমরা ভাবি, কটন বাড কান পরিষ্কার করে। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে ঠিক এর উল্টোটা!   এটি কানের ময়লাকে ঠেলে কানের পর্দার আরও কাছে নিয়ে যায়, যা সাধারণ প্রক্রিয়ায় আর বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলাফল? ১. ময়লা জমতে জমতে কানের ভেতরে শক্ত জট (Impacted Wax) তৈরি হয়, যা আপনার শোনার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং কানে তীব্র ব্যথা হতে পারে। ২. কানের ভেতরের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। কটন বাডের সামান্য আঘাতেও সেখানে ঘা হতে পারে। এই ক্ষত থেকে রক্তপাত, চুলকানি এবং মারাত্মক ইনফেকশন (Otitis Externa) হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ৩. অসাবধানতাবশত সামান্য জোরে খোঁচা লাগলেই কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে। মারাত্মক ক্ষেত্রে, এটি কানের ভেতরের সূক্ষ্ম হাড়গুলোকে পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা আপনাকে সাময়িক বা এমনকি স্থায়ীভাবে বধির করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট! বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের কানের ময়লা বা খোল (Earwax) আসলে কানের সুরক্ষা কবচ। এটি বাইরে থেকে ময়লা ও ব্যাকটেরিয়াকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়। কান প্রাকৃতিক নিয়মেই নিজে থেকে পরিষ্কার হয়ে যায়, তাই আলাদা করে পরিষ্কার করার কোনো প্রয়োজন নেই। এরপরও কানে বেশি অস্বস্তি হলে বা কম শুনলে, নিজে চিকিৎসা না করে ...

ডিভাইসটা দেখতে সুন্দর!

  ডিভাইসটা দেখতে সুন্দর। দেখেই মনে হচ্ছে শিশুদের কোনো খেলনা মোবাইল অথবা রেডিওর মতো কিছু একটা? লেখকঃ মুফতি গাজী আমিনুল ইসলাম কাসেমী আদতে এটা এমন একটা ডিভাইস যেটাতে অডিও আকারে বাইবেল শোনা যায়৷ আর, মানুষের হাতে হাতে এটা বিলি করছে খ্রিস্টান মিশনারীর দল। তাদেরই একটা দল টিএসসির মতো জায়গায় এসে এটা বিলি করে গিয়েছে সেখানকার ছাত্র, কর্মজীবী সহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের কাছে। একেবারে বিনামূল্যে। ঘটনাটা আরও ৬-৮ মাস আগের। ওয়েল। এটাকেই বলে ডেডিকেশান। পশ্চিমের আয়েশি জীবনযাপন ছেড়ে এইসকল মিশনারীরা বছরের পর বছর ধরে পড়ে থাকে বাংলাদেশে। তা-ও আবার গুলশান, বনানী, বারিধারায় থাকে না তারা৷ তাদের অধিকাংশ কাজ হলো পার্বত্য অঞ্চলে, উত্তরবঙ্গের দুর্গম অঞ্চলগুলোতে যেখানে দারিদ্র‍্যের মাত্রা অত্যধিক। যেসকল মানুষেরা দারিদ্র-পীড়িত, এইসব মিশনারীরা টার্গেট করে তাদেরকেই বেশি। তারা খাবার দেয়, অনেককে ভ্যান, রিকশা, অটো কিনে দেয়, কাউকে দোকান করে দেয়। তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য সেখানে তারা আলাদা স্কুল খুলে। ওরাই চালায়—মিশনারী স্কুল। এইসবকিছুর আল্টিমেট উদ্দেশ্য হলো—মানুষকে খ্রিস্টান বানানো। আপনি ভাবতে পারেন, ‘আরেহ, এত সহজ নাক...

হিন্দু ধর্মের দর্শন ও কার্যক্রম

  বিধর্মীদের সাকসেস মিশন – পর্ব ২: হিন্দু ধর্মের দর্শন ও কার্যক্রম হিন্দু ধর্মের পরিচয় হিন্দুধর্ম পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ ধর্ম। এটি একক কোনো প্রতিষ্ঠাতা ছাড়া বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা এবং বহুমাত্রিক ধর্মীয় বিশ্বাসের সমন্বয়। হিন্দুধর্মে বিশ্বাস করা হয় জন্ম-মৃত্যু ও পুনর্জন্মের চক্রে, কর্মফলের আইন এবং শেষমেষ মুক্তি (মোক্ষ) লাভের লক্ষ্য। মূল বিশ্বাস ও দর্শন পলিথেইজম (বহুদেবতাবাদ): হাজারো দেব-দেবী ও আত্মার অস্তিত্বের বিশ্বাস। পুনর্জন্ম ও কর্মফল: জীবনের কর্ম অনুসারে পরবর্তী জীবনের পরিস্থিতি নির্ধারিত হয়। মোক্ষের লক্ষ্য: জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি লাভ করা। বর্ণব্যবস্থা: সমাজকে চারটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করে, যা জাতিভেদের ভিত্তি। ধর্মগ্রন্থ: বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, ভগবদ গীতা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মগ্রন্থ। অনলাইন ও আইটি কার্যক্রম মিডিয়া ও বিনোদন: বলিউড সিনেমা, ধর্মীয় ধারাবাহিক ও মিউজিক ভিডিও। যোগ ও ধ্যান অনলাইন কোর্স: ইউটিউব ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনে প্রচুর যোগ-ধ্যান বিষয়ক ভিডিও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদ প্রচার: বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে ভারতের জ...

নাস্তিকদের মূল বিশ্বাস ও জীবনদর্শন ∆

  বিধর্মীদের সাকসেস মিশন – পর্ব ১: নাস্তিকতা ও তাদের দর্শন সংজ্ঞা ও ইতিহাস নাস্তিকতা (Atheism) শব্দটির অর্থ হচ্ছে “ঈশ্বরের অনাস্থা” বা “ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার”। নাস্তিকেরা বিশ্বাস করে যে, এই বিশ্ব ও জীবন কোনও ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি নয়, বরং এটি প্রাকৃতিক নিয়ম ও বিজ্ঞানসম্মত সূত্রে নিজে নিজেই সৃষ্টি হয়েছে। নাস্তিকতার ধারণা নতুন নয়, প্রাচীন সময় থেকেই বিভিন্ন সভ্যতায় এর বিভিন্ন রূপ দেখা গেছে। তবে আধুনিক নাস্তিকতা মূলত বিজ্ঞান ও যুক্তির উত্থানের সাথে জোরালো হয়েছে, যেখানে ধর্মীয় বিশ্বাসকে অন্ধবিশ্বাস বা অজ্ঞতার ফল মনে করা হয়। নাস্তিকদের মূল বিশ্বাস ও জীবনদর্শন ১. ঈশ্বরের অনাস্থা: নাস্তিকরা ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সম্পূর্ণ অস্বীকার করে। তারা মনে করে এই ধরনের ধারণা মানুষের কল্পনা বা সামাজিক নিয়মাবলীর অংশ মাত্র। ২. বিজ্ঞান ও যুক্তি: তারা জীবনের, মহাবিশ্বের এবং মানুষের অস্তিত্বের ব্যাখ্যা বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে করে। বিজ্ঞানের পরীক্ষা ও যুক্তিকে প্রধান জ্ঞান উৎস মনে করে। ৩. নৈতিকতার উৎস: নাস্তিকদের মতে, নৈতিকতা বা মূল্যবোধের উৎস কোনও ধর্মীয় বিধান নয়...

শয়তানের পুরনো এক বাজারের ইতিহাস

  ধোকাবাজার: শয়তানের পুরনো এক বাজারের ইতিহাস পৃথিবীতে বহু রহস্যময় স্থান আছে। কিছু জায়গা মানব ইতিহাসে এতটাই ছায়াচ্ছন্ন, এতটাই বিভ্রান্তিময় যে, সেখানে প্রবেশ মানেই এক অদৃশ্য কুফরি দুনিয়ার পর্দা ছুঁয়ে ফেলা। এমনই এক রহস্যময় নাম — ধোকাবাজার । এটি কোনো প্রচলিত বাজার নয়, বরং একটি শয়তানী ষড়যন্ত্রের প্রতীক। এটি এমন একটি কল্পনা বা চিত্রকল্প, যা বাস্তবের মতোই গভীরভাবে মুসলিমদের জীবনকে প্রভাবিত করে। এখানে যা বিক্রি হয় তা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু অন্তরকে ধ্বংস করে দেয়। 🔥 ধোকাবাজার বলতে আমরা কী বুঝি? ‘ধোকাবাজার’ শব্দটা এসেছে “ধোঁকা” ও “বাজার” এই দুটি শব্দ মিলিয়ে। এটি এমন একটি অদৃশ্য বাজার, যেখানে শয়তান তার পণ্যের দোকান খুলে বসে— হাসাদ (হিংসা) বিক্রি হয়, গীবত (পরনিন্দা) অফারে থাকে, রিয়া (লোক দেখানো আমল) একপ্রকার লোভনীয় সেল , ফেতনা (বিশৃঙ্খলা) ছাড়ে ছাড়ে। শয়তান এই বাজারে মানুষের ঈমান হরণ করার জন্য আকর্ষণীয় সব প্রলোভন সাজিয়ে রাখে। মানুষকে একবার প্রলুব্ধ করতে পারলেই সে তার লাভে চলে যায়। 📜 ইসলামের দৃষ্টিতে এই 'বাজার' রাসূল (সা.) বারবার সতর্ক করে গেছেন এম...

কানের ভিতর টিকটিকি! — এক ভয়াবহ বাস্তবতা

  কানের ভিতর টিকটিকি! — এক ভয়াবহ বাস্তবতা মানুষের কানে টিকটিকি ঢুকতে পারে! শুনতে যতই অবিশ্বাস্য মনে হোক না কেন, এটা বাস্তবে ঘটেছে। আর এমন ঘটনা শুধু গল্পেই নয়—ঘটছে আমাদের চারপাশেই, প্রায়শই। সম্প্রতি এক ব্যক্তির কানের মধ্যে একটি জীবন্ত টিকটিকি প্রবেশ করে। সেই ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে কানে অস্বস্তি অনুভব করছিলেন। শুরুতে তিনি বুঝতে পারেননি কী হয়েছে, কিন্তু ব্যথা বাড়তে থাকলে হাসপাতালে যান। চিকিৎসকরা যখন তার কান পরীক্ষা করেন, তখন তারা হতবাক হয়ে যান—কারণ কানের ভিতর একেবারে ভেতরে জড়িয়ে আছে একটা আস্ত টিকটিকি! অবস্থা এতটাই ভয়ানক ছিল যে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেই টিকটিকিকে বের করতে হয়। এই ঘটনা ভিডিও আকারে রেকর্ড করা হয়েছে এবং তা নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শিউরে উঠেছে হাজারো মানুষ। কীভাবে এমনটা সম্ভব? রাতের ঘুম, অজ্ঞান থাকা, বা অবহেলার কারণে কানে এমন ধরনের পোকা-মাকড় কিংবা সরীসৃপ ঢুকে যেতে পারে। বিশেষত যারা গ্রামে, কুঁড়েঘরে বা খোলা জানালার ঘরে ঘুমান, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি। ইসলামের দৃষ্টিতে সতর্কতা ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—ঘুমানোর আগে দরজা-জানালা বন্ধ করতে, পানি ও খাবার ঢ...

ভ্লাদ ড্রাকুলা দ্য থার্ড : দ্য ইম্পেলার,দ্য ডেভিল এন্ড দ্য লেজেন্ড

 ভ্লাদ ড্রাকুলা দ্য থার্ড : দ্য ইম্পেলার,দ্য ডেভিল এন্ড দ্য লেজেন্ড  পর্ব-১  প্রসঙ্গকথা:  ১৪০২ সালে এশিয়ার সর্বশেষ দিগ্বিজয়ী আমির তাইমুরের হাতে বিধ্বস্ত হলো উসমানি সাম্রাজ্য। ইওরোপ জুড়ে তখন বইছে খুশির হাওয়া।খন্ড-বিখন্ড উসমানি সালতানাতের দূর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হতে লাগলো পূর্ব ইওরোপের রাষ্ট্রগুলো। তেমনি পিছিয়ে ছিলো না দক্ষিণ-পূর্ব ইওরোপের একটি রাষ্ট্র,ওয়ালাচিয়া।ওয়ালাচিয়ার তৎকালীন গভর্নর প্রিন্স মার্সিয়া দ্য এল্ডার নিজেকে শক্তিশালী করলেন বটে,উপরন্তু গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রতিপক্ষ মুসা বে'কে সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করলেন। মার্সিয়া দ্য এল্ডারের মৃত্যুর ঠিক ২৮ বছর পর ওয়ালাচিয়ার সিংহাসনে আগমন হলো এমন এক যুবরাজের,যে ওয়ালাচিয়া তো বটেই,বরং তাবৎ পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছে।কোথাও প্রতিরোধ যুদ্ধের নায়ক হিশেবে, আর কোথাও দ্য ডেভিল হিশেবে।তুর্কিদের কাছে তিনি পরিচিত  দ্য ইম্পেলার ডাকনামে। কে ছিলো সেই প্রিন্স! চলুন,আপনাদের নিয়ে যাই ১৫'শ শতাব্দীর ওয়ালাচিয়ার রাজদরবারে।  ১- ওয়ালাচিয়ান ভূখন্ডে- পূর্ব ও পূর্ব-দক্ষিণ ইওরোপের সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ নদী দানিয়ুব। বর্তমানে দানি...

ভারতবর্ষে বেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই যার অন্যতম লক্ষ্য ছিল ?।

 -আর্যসমাজ—নাম শুনলেই মনে পড়ে এমন এক ধুরন্ধর অপপ্রচারকারী হিন্দুধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে, যাদের অপপ্রচারের জবাবে বিতর্ক করতে চাইলে টালবাহানা করে নানা শর্তারোপ করে এবং তর্কে এঁটে উঠতে না পারলে গালিগালাজ করে উধাও হয়ে যায়। এটা আর্যসমাজীদের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধুমাত্র বর্তমান যুগের আর্যসমাজীরা যে এমন ধুরন্ধর তা কিন্তু নয়; আর্যসমাজের প্রতিষ্ঠা স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীও বড় মাপের ধুরন্ধর ছিল। আজ তার লেজ গুটিয়ে পালানোর কাহিনী সম্পর্কে একটু আলোকপাত করব। -ব্রিটিশ-ভারত। গোলামীর শিকলে ভারতবর্ষ আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। ভারতবর্ষের এমন দুর্দিনে আবির্ভাব ঘটে এক নয়া হিন্দুত্ববাদী শক্তির। আর্যসমাজ—স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী যার প্রতিষ্ঠাতা। ভারতবর্ষে বেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই যার অন্যতম লক্ষ্য। এই লক্ষ্যের প্রধান প্রতিবন্ধক মুসলিম জনগোষ্ঠী। সুতরাং, স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী তার পূর্ণ শক্তি নিয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুসলিমের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর কোনো সুযোগই সে হাতছাড়া করত না। লেখালেখি, বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে সে ইসলামবিদ্বেষ ছড়িয়ে যেতে থাকে।  -১৮৭৮ ঈসাব্দের ২৯ জুলাই। স...

অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের ঈমানি দায়িত্ব

  অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানি দায়িত্ব – আল-ফাতিহা ফাউন্ডেশন দুনিয়ার এই রঙিন মেলায় আমরা সবাই ছুটছি নিজের জীবন, পরিবার আর স্বপ্নের পেছনে। কিন্তু কখনো কি একবার থেমে চারপাশে তাকিয়ে দেখি—কত মানুষ আছে, যারা শুধু বেঁচে থাকার জন্যই লড়ছে? একজন মা হয়তো তার শিশুর মুখে একমুঠো ভাত দিতে পারছে না। একজন বাবা হয়তো রিকশা চালিয়ে সারাদিন শেষে শুধু ভাবছে, আজকের ওষুধ কিনবেন, নাকি শিশুর দুধ? একজন বৃদ্ধা ঠান্ডা রাতেও জীর্ণ চাদর জড়িয়ে শুয়ে থাকেন রাস্তায়। একজন এতিম ঈদের দিনেও তাকিয়ে থাকে, কেউ যদি একটি পুরনো জামা দিত! এইসব চেহারার দিকে তাকালে চোখে পানি আসে। কিন্তু শুধু চোখে পানি আসলে তো হবে না। আমাদের দরকার — কিছু করার মানুষ, কিছু দাঁড়িয়ে পড়া হৃদয়, কিছু এগিয়ে যাওয়া আত্মা। আল-ফাতিহা ফাউন্ডেশন এই উদ্দেশ্যেই জন্ম নিয়েছে। আমরা জানি, আমাদের হাতে এখন বিশাল তহবিল নেই। আমাদের কাছে এখনো লাখ টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স নেই। কিন্তু আমাদের হৃদয়ে আছে একটি অটল বিশ্বাস—আল্লাহ চাইলে ছোট প্রচেষ্টাও অনেক বড় কিছুতে রূপ নিতে পারে। এই বিশ্বাস নিয়েই আমাদের যাত্রা। আমরা চাই: একজন অসহায় মানুষ যেন অন্তত ...

কী করলে মানুষের সময়, টাকা, বা কষ্ট কমবে?

আমাদের সমাজে অনেকেই ভাবে, যার দোকান আছে, সে ব্যবসায়ী। আর যার ব্যবসা একটু বড়, সে উদ্যোক্তা। কিন্তু বাস্তবে, ব্যবসায়ী আর উদ্যোক্তা শব্দ দুটি এক হলেও মানে কিন্তু এক নয়। 🧮 ব্যবসা কী? ব্যবসা মানে হলো: একটা নির্দিষ্ট পণ্য বা সেবা নিয়ে কাজ করা কম দামে কিনে, বেশি দামে বিক্রি করা লাভ দেখা, খরচ সামলানো নিয়মিত আয় রক্ষা করা একজন ব্যবসায়ী হয়তো বছরের পর বছর এক জিনিসই করে যাচ্ছেন, লাভ করছেন, সংসার চালাচ্ছেন — এটাই তাঁর উদ্দেশ্য। এটা মোটেই খারাপ কিছু নয় — বরং সম্মানজনক। 🚀 উদ্যোক্তা কে? উদ্যোক্তা হচ্ছেন সেই ব্যক্তি — 👉 যিনি শুধু নিজের লাভ দেখেন না, 👉 তিনি মানুষের সমস্যা সমাধান করতে চান। 👉 তিনি ভবিষ্যতের প্রয়োজন বুঝে নতুন কিছু তৈরি করেন। 🛠️ তিনি চিন্তা করেন: “মানুষের জীবনে আমি কী পরিবর্তন আনতে পারি?” “কী করলে মানুষের সময়, টাকা, বা কষ্ট কমবে?” “একই জিনিস, আরও ভালোভাবে কীভাবে দেওয়া যায়?” উদ্যোক্তা হতে হলে শুধু দোকান থাকলেই হয় না — দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হয়। ⚖️ তাহলে প্রশ্ন আসে — লাভ কোথায় বেশি? সোজা উত্তর: 👉 আপনি যদি শুধু "বিক্রি" করেন, তাহলে লাভ সীমিত — যত বিক্রি, ত...