Skip to main content

কানের ভিতর টিকটিকি! — এক ভয়াবহ বাস্তবতা


 

কানের ভিতর টিকটিকি! — এক ভয়াবহ বাস্তবতা

মানুষের কানে টিকটিকি ঢুকতে পারে! শুনতে যতই অবিশ্বাস্য মনে হোক না কেন, এটা বাস্তবে ঘটেছে। আর এমন ঘটনা শুধু গল্পেই নয়—ঘটছে আমাদের চারপাশেই, প্রায়শই।

সম্প্রতি এক ব্যক্তির কানের মধ্যে একটি জীবন্ত টিকটিকি প্রবেশ করে। সেই ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে কানে অস্বস্তি অনুভব করছিলেন। শুরুতে তিনি বুঝতে পারেননি কী হয়েছে, কিন্তু ব্যথা বাড়তে থাকলে হাসপাতালে যান। চিকিৎসকরা যখন তার কান পরীক্ষা করেন, তখন তারা হতবাক হয়ে যান—কারণ কানের ভিতর একেবারে ভেতরে জড়িয়ে আছে একটা আস্ত টিকটিকি!

অবস্থা এতটাই ভয়ানক ছিল যে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেই টিকটিকিকে বের করতে হয়। এই ঘটনা ভিডিও আকারে রেকর্ড করা হয়েছে এবং তা নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শিউরে উঠেছে হাজারো মানুষ।

কীভাবে এমনটা সম্ভব?

রাতের ঘুম, অজ্ঞান থাকা, বা অবহেলার কারণে কানে এমন ধরনের পোকা-মাকড় কিংবা সরীসৃপ ঢুকে যেতে পারে। বিশেষত যারা গ্রামে, কুঁড়েঘরে বা খোলা জানালার ঘরে ঘুমান, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি।

ইসলামের দৃষ্টিতে সতর্কতা

ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—ঘুমানোর আগে দরজা-জানালা বন্ধ করতে, পানি ও খাবার ঢেকে রাখতে, বিছানা ঝেড়ে নিতে। হাদীসে রয়েছে, রাত হল শয়তানের ও পোকামাকড়ের বিচরণের সময়। সুতরাং ইসলামের শিক্ষা অনুসরণ করলেই এমন অনেক বিপদ থেকে নিরাপদ থাকা যায়।

এই ঘটনা আমাদের কী শেখায়?

  • অন্ধকারে শোবার আগে আলো জ্বেলে আশপাশ দেখে নেওয়া জরুরি
  • ঘুমানোর আগে কান, নাক, গলা পরিষ্কার রাখা
  • ঘরের জানালা-দরজা ভালোভাবে বন্ধ করে ঘুমানো
  • শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ নজর রাখা

🔗 আমাদের ইউটিউব: Muslim Book

🔗 আমাদের ফেসবুক: Muslim World Official


আরও বাস্তব, ভয়াবহ এবং চিন্তাজাগানিয়া ঘটনার বিস্তারিত পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ঘুরে আসুন।
👉 muslimworld1m.blogspot.com



Comments

Popular posts from this blog

হেযবুত তওহীদ’ ॥ মতবাদ, ভ্রান্তি ও অপকৌশল : একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা

সকল সংখ্যা বিভাগ লেখকবৃন্দ আপনার জিজ্ঞাসা পরিচিতি যোগাযো বর্ষ: ২১,   সংখ্যা: শাবান ১৪৪৬   |   ফেব্রুয়ারি ২‘হেযবুত তওহীদ’ ॥ মতবাদ, ভ্রান্তি ও অপকৌশল : একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা মাওলানা ফয়জুল্লাহ মুনির প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতির সাথে অতি দ্রুত পরিবর্তনশীল একটি সংগঠনের নাম ‘হেযবুত তওহীদ’ । বহুরূপী এই সংগঠনটির কার্যক্রম দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতেও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। যার দরুন অনেক সরলমনা মুসলমান না বুঝেই তাদের দলে যোগ দিয়ে বসছেন। অনেকেই তাদের চটকদার কথায় বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এসব দেখে ও শুনে কোনো কোনো সচেতন ভাই উলামায়ে কেরামের দ্বারস্থ হয়েছেন। জানতে চাইছেন ,  এরা কারা ?  কী তাদের উৎস ?  কেমন তাদের আকীদা-বিশ্বাস ?  আর ইসলামের নামে তারা যেসব কথা বলছে ,  এগুলোর বাস্তবতাই বা কতটুকু ? আমরা একেবারে গোড়া থেকে শুরু করছি। হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠা ও উৎস হেযবুত তওহীদ দলটির প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইলের মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। যিনি ছিলেন কলেজপড়ুয়া একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। আরবী ভাষা সম্পর্কে তার তেমন কোনো জ্ঞান ছিল না। আর কুরআ...

মাছের চামড়ার রহস্য !

মাছের চামড়া আর চিকিৎসাবিজ্ঞান: এক বিস্ময়কর আবিষ্কার! Publisher: Al-Fatiha Foundation Platform: Muslim World আমরা বাঙালি মুসলিমরা মাছ পেলে সেটাকে কেটে, রান্না করে খেয়ে ফেলি—মাছ আমাদের রান্নাঘরের অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় একটি খাবার। কিন্তু কখনো কি আমরা গভীরভাবে চিন্তা করেছি, এই মাছ নামক প্রাণীটিকে আল্লাহ তাআলা কেমন করে সৃষ্টি করেছেন? এর চামড়া, হাড়, পেশি, রক্তনালী—সবকিছু কী নিখুঁতভাবে কাজ করে! আমরা কেবল স্বাদে মগ্ন, অথচ এর ভেতরের গঠন ও কার্যকারিতায় এক অনন্য রহস্য লুকিয়ে আছে। আর এই রহস্য আবিষ্কারে নেমেছে পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীরা। তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন মাছের এমন এক উপকারিতা, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।                       কী সেই আবিষ্কার? সম্প্রতি একদল গবেষক আবিষ্কার করেছেন যে, তেলাপিয়া (Tilapia) মাছের চামড়া মানুষের দেহে পুড়ে যাওয়া ক্ষতস্থানে ব্যবহার করলে তা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। তারা সেই চামড়াকে এক ধরনের 'জীবন্ত ব্যান্ডেজ' হিসেবে ব্যবহার করছেন। এই মাছের চামড়া মানবচামড়ার মতোই কোলাজেন সমৃদ্ধ, নমনীয়, এবং...

হারিয়ে যাওয়া মুসলিম সভ্যতা | পর্ব ১

  হারিয়ে যাওয়া মুসলিম সভ্যতা পর্ব ১: আন্দালুস—যেখানে চাঁদ নামত মুসলিম মসজিদের গম্বুজে ✍️ লেখক: গাজী আমিনুল ইসলাম আল কাসেমী একটি সভ্যতা ছিল, যার সূর্য ডুবত না। যার ঘরে ঘরে ছিল জ্ঞানচর্চার আলয়। যার শহরে ছিল সুশৃঙ্খল রাস্তা, শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাজার হাজার পাণ্ডিত্যের উৎস। যেখানে মসজিদ ছিল লাইব্রেরি, হাসপাতাল ছিল ওয়াক্‌ফের অংশ, ও রাস্তায় রাত্রি জাগত বাতির আলো। সেই শহর, সেই ভূমি— আন্দালুস । 🌙 ইউরোপের বুকে এক মুসলিম জগত আজকের স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল এক সময় ছিল মুসলিমদের শাসিত এক গৌরবময় ভূমি। ৭১১ খ্রিস্টাব্দে তরিক ইবনে জিয়াদের অগ্নিশপথ দিয়ে যাত্রা শুরু, আর শুরু হলো এক বিস্ময়কর ইতিহাস—যা টিকেছিল প্রায় আট শতাব্দী। কর্ডোভা, গ্রানাডা, তোলে‌দো, সেভিল, আলমেরিয়া— এই শহরগুলো শুধু নাম নয়, একেকটা ছিল সভ্যতার একেকটি স্তম্ভ। ইউরোপ যখন ডুবে ছিল গোঁড়ামি, কুসংস্কার আর গির্জার আধিপত্যে, তখন আন্দালুস ছিল— গণশিক্ষার কেন্দ্র মহাকাশবিদ্যা, চিকিৎসা, গণিত ও দর্শনের স্বর্ণযুগ ইসলামী আধ্যাত্মিকতা ও শিল্পের চূড়ান্ত রূপ 🕌 কর্ডোভার সেই মহান রাত্রি ইতিহাসবিদরা লিখেছেন, কর্ডো...