Skip to main content

Posts

Showing posts with the label ইসলামী মেলা islami Mela

“গোপন চুক্তি” সিরিজ পর্ব ১: ”

  🎭 ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শেষ — কিন্তু শুরু হলো ধোঁকাবাজির খেলা বিশ্বজুড়ে মিডিয়ায় ঘোষণা—ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ "অফিসিয়ালি" শেষ! তবে সেই ঘোষণার মাঝেও গাজার আকাশে আজও ধোঁয়া, মাটিতে রক্ত, বাতাসে কান্না! এই যুদ্ধ কি সত্যিই যুদ্ধ ছিল? নাকি এটা ছিল একটি মঞ্চায়িত নাটক , যার পেছনে ছিল হিসেব-নিকেশ আর গোপন বোঝাপড়া? আজ মুসলিম বিশ্ব তাকিয়ে দেখছে—কে কাকে ধোঁকা দিল, আর কে কার হাত ধরে আগুনে নাচল! 🕵️ ইরান ও ইসরায়েল: শত্রু, না সহোদর? ইরান—যাকে আমরা মনে করি ইসরায়েলের চরম বিরোধী। আর ইসরায়েল—যে পৃথিবীর বুকে মুসলমানদের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ঘাতক। তবে প্রশ্ন হলো, তাদের যুদ্ধ এত হঠাৎ করে শেষ হলো কীভাবে? একদিকে ইরান কিছু "প্রতিশোধের" ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মিডিয়াকে রাঙিয়ে তোলে, আরেকদিকে ইসরায়েল "সাফল্যের" দাবিতে যুদ্ধ থামিয়ে দেয়। কিন্তু গাজায়? একটিও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভেতরে বড় ক্ষতি করেনি, আর ইসরায়েলও ইরানের ভিতর ঢুকে হামলা চালায়নি। তাহলে এই যুদ্ধ ছিল কে কার মুখ রক্ষা করে , কে মুসলিম দুনিয়ার আবেগ নিয়ে খেলা করে, আর কে পেছনে বসে হাসে এই সাজানো মারপিট দেখে! ...

শাহী বাঙ্গালাহ: পর্ব ৩

"যে বাংলার ধ্বনি শোনা যেত আরব, পারস্য ও চীনের দরবারেও…" ইলিয়াস শাহের হাত ধরে গড়ে উঠেছিল শাহী বাঙ্গালার ভিত্তি। কিন্তু সেই ভিত্তিকে পরিণত করেছিলেন তাঁর বংশধরেরা—বিশেষ করে তাঁর প্রপৌত্র জালালুদ্দীন ফতেহ শাহ , যার শাসনে বাংলার সালতানাত পৌঁছায় গৌরবের এক অনন্য শিখরে। সে সময় বাংলা শুধু স্বাধীন ছিল না—ছিল আত্মবিশ্বাসী, প্রতাপশালী ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। ▣ বাংলার মুদ্রায় লেখা হতো কুরআনের আয়াত স্বাধীনতার স্বাক্ষর হিসেবে বাংলার সুলতানরা চালু করেছিলেন নিজস্ব মুদ্রা। সে মুদ্রায় কেবল সুলতানের নাম নয়, খচিত থাকত "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ" । এই ছিল বাংলার আত্মপরিচয়। এই ছিল শাহী বাঙ্গালাহ—যার অর্থনীতি, শিক্ষা, ও সংস্কৃতিতে ছিল দীপ্ত ইসলামি চেতনার স্পষ্ট ছাপ। ▣ বাংলার বন্দর ছিল আন্তর্জাতিক সংযোগস্থল চট্টগ্রাম, সাতগাঁও ও হুগলি বন্দরে ভিড় করত আরব, ফারসি ও চীনা জাহাজ। শিল্প, সূতিবস্ত্র, গন্ধদ্রব্য, ও মশলার জন্য বাংলার নাম ছড়িয়ে পড়ে দূর প্রাচ্যে। এমনকি চীনের মিং সাম্রাজ্য বাংলার সুলতানের কাছে উপহার পাঠাত—এটিই প্রমাণ, যে বাংলা তখন বিশ্বমঞ্চে ...

শাহী বাঙ্গালাহ: পর্ব ২

"যে সময়ে দিল্লির সিংহাসনে দুর্বলতা, সেই সময়ে বাংলা নিজের হাতেই তুলে নিয়েছিল শাসনের মশাল।" ইতিহাসের পাতায় ১৩৪২ সাল—একটি বছর, যেটি বাংলার জন্য মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এই বছরেই দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে, একজন বাঙালি মুসলমানের নেতৃত্বে শুরু হয় বাংলার স্বাধীন মুসলিম শাসনের যাত্রা। তিনি ছিলেন— ইলিয়াস শাহ । একজন সাধারণ সৈন্য থেকে নিজ যোগ্যতায় উঠে আসা এই নেতা, বাংলা একত্রিত করে গড়ে তুলেছিলেন স্বাধীন ইলিয়াস শাহী সালতানাত । উত্তরে গৌড়, দক্ষিণে চট্টগ্রাম, পশ্চিমে রাজমহল থেকে পূর্বে সিলেট—সমগ্র বঙ্গজুড়ে শুরু হয় এক নতুন অধ্যায়। ইলিয়াস শাহ শুধু একজন শাসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলার ঐক্যের প্রতীক। তিনি ইসলামি শিক্ষা, সাহিত্য, স্থাপত্য এবং প্রশাসনে এমন এক ধারা তৈরি করেন, যার ভিত্তির উপর পরবর্তীতে দাঁড়িয়ে যায় পুরো শাহী বাঙ্গালাহ । কী ছিল এই শাসনের বৈশিষ্ট্য? স্বাধীন মুদ্রা: বাংলার নিজস্ব সুলতানি মুদ্রা চালু হয়, যেখানে খচিত ছিল ইসলামি কালেমা। ইসলামী বিচারব্যবস্থা: শরিয়া ভিত্তিক আইন চালু হয় আদালতে। জ্ঞানচর্চা: মাদ্রাসা, লাইব্রেরি, ও আলেমদের প্রতিষ্ঠা শুরু হ...