কবরের পাশে বসে আছে যে মেয়েটি। এটি অন্য কোনো মেয়ে নয়",এটি আমার একমাত্র বোন খাদিজা আক্তার (হুমায়রা) গত ৪ তারিখ আমার বোনের স্বামী রোড এক্সিডেন্টে ইন্তেকাল করেছেন। আমার বোনের হাজবেন্ড ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর একটি থানার সেক্রেটারি; তিনি নিজ থানার একজন রুকন ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে মূলত নিজে প্রাণ হারালেন। আর এরাই হলো ইসলামী আন্দোলনের কর্মী। আমার বোন এ মৃ-ত্যু কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেনা🥲🥲 স্বামীর মৃ-ত্যুর খবর শুনে হুঁশ হারিয়ে প্রায় ৮ ঘন্টা বেহুঁশ ছিলেন। দাপন সম্পন্ন করলাম। দাপনের পরের দিন কাউকে না জানিয়ে গোপনে আমার বোন সন্ধ্যার সময় স্বামীর কবরে গিয়ে স্বামীর কবরের সব মাটি নিজে সরিয়ে কবর থেকে স্বামীকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখেন। পথিমধ্যে কয়েকজন পরিচিত ও এলাকাবাসী কান্নার আওয়াজ শুনে দৌড়ে যান। গিয়ে দেখতে পায় আমার বোন তার স্বামীকে কবর থেকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্না করছেন। সাথে সাথে আমাদের কল দেয় সবাই দৌড়ে গেলাম। বোনকে শান্তনা দিয়ে জোর করে তুললাম। আবার মসজিদের ইমাম সাহেবকে এনে দাপনের ব্যবস্থা করলাম। দাপন করে বোনকে বাসায় আনার পর থেকে কড়া নিরাপত্তায় রাখলাম। অলটাইম বোনকে চোখে চোখে রাখি। প্রতি...