তোমরা ভাইরাল হলে মনে পড়ে, তারপর আবার ভুলে যাও — অথচ গাজার শিশুরা কখনো থামে না কাঁদা থেকে...
তুমি যখন একটা ভাইরাল ভিডিওতে চোখ আটকে রাখো, তখন গাজার কোনো একটি বাচ্চা নিজের চোখ হারিয়ে ফেলে… তুমি যখন স্ট্যাটাসে রংচঙে ফ্রেম দাও, তখন সেখানে কোনো মা কবর খোঁজে নিজের শিশুর জন্য।
তুমি একদিন কাঁদলে, তারা রোজ কাঁদে— তুমি একদিন শেয়ার দিলে, তারা রোজ রক্ত দেয়।
তোমরা ভাইরাল হওয়ার পর গাজা মনে রাখো, তারপর আবার ভুলে যাও। তোমরা হ্যাশট্যাগ দাও “#SaveGaza” — তারপর Netflix এ ঢুকে পড়ো! তোমরা প্রতিবাদ করো Story-তে, কিন্তু বাজারে যাও গিয়ে তুলে নাও সেই পণ্যই যেটা দিয়ে বোমা বানায় তাদের মাথার উপর ফেলতে!
আর গাজার শিশুরা? তারা ঠিকই জানে, এই পৃথিবীতে তাদের কান্না ততদিনই শোনা যায় যতদিন সেটা ট্রেন্ডিং-এ থাকে।
কিন্তু তাদের কবর কখনো ট্রেন্ডিং হয় না... তাদের রক্তে লেখা হয় এমন একটি ইতিহাস, যার শিরোনামে লেখা থাকবে: “তারা কাঁদছিল, আর আমরা স্ক্রল করছিলাম।”
তারা ভুলে গেছে? না, ভুলে যাওয়া হচ্ছে না—আমরা ভুলে গেছি।
এখনো সময় আছে, ফিরে এসো। তোমার স্ট্যাটাসের স্টাইল না, তোমার অন্তরই বদলাও। তাদের রক্তের ঋণ একটুখানি হলেও শোধ করতে চেষ্টা করো।
গাজার শিশুদের কষ্ট, চোখে দেখা না গেলেও হৃদয়ে অনুভব করো। আমাদের চোখ, কান, কলম এবং কার্ট ছাড়া আর কিছু নেই, তবু এই সামান্যই তাদের জন্য দাঁড়িয়ে যাওয়ার বড় অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে।
Publisher: Al-Fatiha Foundation
Platform: Muslim World
মুহাম্মাদ মুহিব্বুল্লাহ আমিন গাজী

Comments