Skip to main content

Posts

Showing posts with the label গল্প

শবে মেরাজের গোপন রহস্য ভেদ

  মি‘রাজ এক অনন্ত রব্বানী ভেদ। এই ভেদের তলদেশের সীমা-পরিসীমা নেই। মি‘রাজের নিবিড় মিলনের নির্জনতায় এমন নিগূঢ় তথ্য ও রহস্য নিহিত রয়েছে, যা প্রকাশ করা চলে না। সকল রহস্যের অন্তরালে তা চিরদিন সংগোপনে রয়েছে ও থাকবে। এই রহস্যময় দ্বার উদ্ঘাটন করা জিন ও ইনসানের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রাসঙ্গিক ভাবনা মি‘রাজ ঘটনার প্রেক্ষিতে কতগুলি প্রশ্ন জাগে। সংক্ষেপে এসব প্রশ্নের কিছু নিম্নে অবতারণা করা হলো :— ১. মি‘রাজের পুরো আলোচনায় স্পষ্টতঃ প্রমাণিত হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাগ্রত অবস্থায় সম্পূর্ণরূপে বাইতুল্লাহ (কাবা শরীফ) হতে বাইতুল মোকাদ্দাস এবং সেখান হতে সপ্তাকাশ ও তদূর্ধ্ব জগতে ভ্রমণ করেছেন। আধুনিক বিজ্ঞান প্রমাণ করে যে, কোন রকেট বা মহাকাশযান প্রতি সেকেন্ডে ০৭ (সাত) মাইল অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় পঁচিশ হাজার দুইশত মাইলের অধিক গতি সম্পন্ন না হলে মধ্যাকর্ষণ শক্তি অতিক্রম করতে পারে না। এই পরিমাণ গতি সম্পন্ন হলেও সেই রকেট বা মহাকাশ যানটি মহাশূন্যে পৌঁছাতে দশ দিন সময় অতিবাহিত হয়। এই হিসেব ধরলেও বোরাকের গতি কমপক্ষে ঘণ্টায় দুই লক্ষ বায়ান্ন হাজার মাইলের উপর ছিল। অত্যন্ত অলৌকিক কল্পনাতীত গতিসম্পন্ন ...

আদালত থেকে খলিফা হারুন অর রশিদের নিকট চিঠি এলো

  আদালত থেকে খলিফা হারুন অর রশিদের নিকট চিঠি এলো: নগরীর বিচারক এক মাস যাবত অসুস্থ। এজন্য বিচারকাজ স্থগিত আছে। খলিফা যেন দ্রুত বিচারক নিয়োগের ব্যবস্থা করেন। হারুন অর রশিদ চিঠির জবাব পাঠালেন: অতি শীঘ্র নতুন বিচারক কাজে যোগদান করবেন। কয়েকদিন পরের কথা। নতুন বিচারকের অধীনে বিচার কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রহরীরা একজন বৃদ্ধ মহিলাকে আসামী হিসেবে দরবারে হাজির করলেন। তার অপরাধ তিনি শহরের এক রেস্তারাঁ থেকে রুটি আর মধু চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। বিচারক: আপনি চুরি করেছেন? বৃদ্ধা: (মাথা নিচু করে) জি। – আপনি কি জানেন না চুরি করা কত বড় পাপ? – জানি। – জেনেও কেন চুরি করলেন? – কারণ আমি গত এক সপ্তাহ যাবৎ অনাহারে ছিলাম । আমার সাথে এতিম দুই নাতিও না খেয়ে ছিল। আমি ওদের ক্ষুধার্ত চেহারা এবং কান্না সহ্য করতে পারিনি, তাই চুরি করেছি। আমার কাছে এ ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। বিচারক এবার পুরো এজলাসে চোখ বুলালেন। এরপর বললেন, "কাল যেন নগর প্রধান, খাদ্যগুদাম প্রধান, বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ আদালতে উপস্থিত থাকেন। তখন এই মামলার রায় দেওয়া হবে।" পরদিন সকালে স...

শৈশবের মহাবিস্ময়: গাউসুল আজম (রহঃ) ও জীবন-মৃত্যুর সেই কেরামত

  ✨ শৈশবের মহাবিস্ময়: গাউসুল আজম (রহঃ) ও জীবন-মৃত্যুর সেই কেরামত 🌟 পবিত্র জিলান নগরী। ছোট ছোট শিশুরা যখন খেলাধুলায় মত্ত, তখন ছোট্ট আব্দুল কাদেরের খেলা ছিল সবার চেয়ে আলাদা। তাঁর এই খেলাই ছিল কুদরতের এক জীবন্ত দলিল। ১. মাটির পুতুল ও প্রাণের সঞ্চার ছোট্ট আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) প্রতিদিন মাটির কিছু পুতুল তৈরি করতেন। তবে তাঁর এই মাটির পুতুলগুলো সাধারণ মাটির খেলনা হয়ে থাকত না। তিনি যখন সেই পুতুলগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বলতেন, “কুম বিইজনিল্লাহ!” (অর্থাৎ, আল্লাহর অনুমতিতে উঠে দাঁড়াও!), তখন মহান আল্লাহর কুদরতে মাটির সেই নিথর পুতুলগুলো প্রাণ ফিরে পেত। তারা শিশুদের মতো নড়াচড়া করত, কথা বলত এবং সারা দিন তাঁর সাথে খেলা করত। আবার সন্ধ্যা হলে তিনি আদেশ দিতেন আগের রূপে ফিরে যেতে, অমনি তারা নিস্তেজ মাটির পুতুল হয়ে যেত। ২. মৃত শিশুর অলৌকিক পুনর্জীবন একই গ্রামের এক দম্পতি তাঁদের একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকাতুর হয়ে পড়েছিলেন। সন্তান মারা যাওয়ার পর তাঁরা ভাবলেন, “আব্দুল কাদের যদি মাটির পুতুলকে জীবন দিতে পারে, তবে আমাদের সন্তানকেও সে আল্লাহর হুকুমে বাঁচাতে পারবে।” তাঁরা অত্যন্ত বিশ্বাস নিয়ে রাত...

শায়খ আহমাদু বাম্বা (রহ.)—নির্বাসনের পথ ও আধ্যাত্মিক বিজয়

  বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম শায়খ আহমাদু বাম্বা (রহ.)—নির্বাসনের পথ ও আধ্যাত্মিক বিজয় শায়খ আহমাদু বাম্বা (রহ.), যিনি সেরিন তুবা নামে বেশি পরিচিত, তিনি পশ্চিম আফ্রিকার ইতিহাসে ইসলামী চেতনা, সুফি আধ্যাত্মিকতা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধের উজ্জ্বল প্রতীক। সেনেগালের এই মহাপুরুষ উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে এমন সময়ে আবির্ভূত হন, যখন ফরাসি ঔপনিবেশিক শক্তি মুসলিম সমাজকে ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেরিন তুবা কলম, কবিতা, শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক সাধনার মাধ্যমে ইসলামকে জীবন্ত করে তোলেন। তাঁর জীবন আমাদের শিখিয়ে দেয়, ঈমান ও জ্ঞান দিয়ে কিভাবে দুনিয়ার যেকোনো শত্রুর মোকাবিলা করা যায়। নির্বাসনের শুরু ১৮৯৫ সালের ২০শে সেপ্টেম্বর, ফরাসি সেনারা শায়খ আহমাদু বাম্বাকে ডাকারে নিয়ে আসে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল তাঁকে নির্বাসনে পাঠানো। তিনি প্রথমে সেনেগাল থেকে গ্যাবনের দিকে রওনা হন। ফরাসিরা ভেবেছিল, তাঁকে দূরবর্তী জঙ্গলে পাঠালে তিনি হারিয়ে যাবেন, কিংবা তাঁর মৃত্যু হবে। কারণ, আগে যারা সেনেগাল থেকে গ্যাবনে নির্বাসিত হয়েছিল, তারা আর কখনো ফিরে আসেনি। গ্যাবনের জঙ্গল ছিল ভয়ংকর জন্তু-জানোয়ারে ভরা এ...

হিন্দু ধর্মের দর্শন ও কার্যক্রম

  বিধর্মীদের সাকসেস মিশন – পর্ব ২: হিন্দু ধর্মের দর্শন ও কার্যক্রম হিন্দু ধর্মের পরিচয় হিন্দুধর্ম পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ ধর্ম। এটি একক কোনো প্রতিষ্ঠাতা ছাড়া বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা এবং বহুমাত্রিক ধর্মীয় বিশ্বাসের সমন্বয়। হিন্দুধর্মে বিশ্বাস করা হয় জন্ম-মৃত্যু ও পুনর্জন্মের চক্রে, কর্মফলের আইন এবং শেষমেষ মুক্তি (মোক্ষ) লাভের লক্ষ্য। মূল বিশ্বাস ও দর্শন পলিথেইজম (বহুদেবতাবাদ): হাজারো দেব-দেবী ও আত্মার অস্তিত্বের বিশ্বাস। পুনর্জন্ম ও কর্মফল: জীবনের কর্ম অনুসারে পরবর্তী জীবনের পরিস্থিতি নির্ধারিত হয়। মোক্ষের লক্ষ্য: জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি লাভ করা। বর্ণব্যবস্থা: সমাজকে চারটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করে, যা জাতিভেদের ভিত্তি। ধর্মগ্রন্থ: বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, ভগবদ গীতা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মগ্রন্থ। অনলাইন ও আইটি কার্যক্রম মিডিয়া ও বিনোদন: বলিউড সিনেমা, ধর্মীয় ধারাবাহিক ও মিউজিক ভিডিও। যোগ ও ধ্যান অনলাইন কোর্স: ইউটিউব ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনে প্রচুর যোগ-ধ্যান বিষয়ক ভিডিও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদ প্রচার: বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে ভারতের জ...

শয়তানের পুরনো এক বাজারের ইতিহাস

  ধোকাবাজার: শয়তানের পুরনো এক বাজারের ইতিহাস পৃথিবীতে বহু রহস্যময় স্থান আছে। কিছু জায়গা মানব ইতিহাসে এতটাই ছায়াচ্ছন্ন, এতটাই বিভ্রান্তিময় যে, সেখানে প্রবেশ মানেই এক অদৃশ্য কুফরি দুনিয়ার পর্দা ছুঁয়ে ফেলা। এমনই এক রহস্যময় নাম — ধোকাবাজার । এটি কোনো প্রচলিত বাজার নয়, বরং একটি শয়তানী ষড়যন্ত্রের প্রতীক। এটি এমন একটি কল্পনা বা চিত্রকল্প, যা বাস্তবের মতোই গভীরভাবে মুসলিমদের জীবনকে প্রভাবিত করে। এখানে যা বিক্রি হয় তা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু অন্তরকে ধ্বংস করে দেয়। 🔥 ধোকাবাজার বলতে আমরা কী বুঝি? ‘ধোকাবাজার’ শব্দটা এসেছে “ধোঁকা” ও “বাজার” এই দুটি শব্দ মিলিয়ে। এটি এমন একটি অদৃশ্য বাজার, যেখানে শয়তান তার পণ্যের দোকান খুলে বসে— হাসাদ (হিংসা) বিক্রি হয়, গীবত (পরনিন্দা) অফারে থাকে, রিয়া (লোক দেখানো আমল) একপ্রকার লোভনীয় সেল , ফেতনা (বিশৃঙ্খলা) ছাড়ে ছাড়ে। শয়তান এই বাজারে মানুষের ঈমান হরণ করার জন্য আকর্ষণীয় সব প্রলোভন সাজিয়ে রাখে। মানুষকে একবার প্রলুব্ধ করতে পারলেই সে তার লাভে চলে যায়। 📜 ইসলামের দৃষ্টিতে এই 'বাজার' রাসূল (সা.) বারবার সতর্ক করে গেছেন এম...

কানের ভিতর টিকটিকি! — এক ভয়াবহ বাস্তবতা

  কানের ভিতর টিকটিকি! — এক ভয়াবহ বাস্তবতা মানুষের কানে টিকটিকি ঢুকতে পারে! শুনতে যতই অবিশ্বাস্য মনে হোক না কেন, এটা বাস্তবে ঘটেছে। আর এমন ঘটনা শুধু গল্পেই নয়—ঘটছে আমাদের চারপাশেই, প্রায়শই। সম্প্রতি এক ব্যক্তির কানের মধ্যে একটি জীবন্ত টিকটিকি প্রবেশ করে। সেই ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে কানে অস্বস্তি অনুভব করছিলেন। শুরুতে তিনি বুঝতে পারেননি কী হয়েছে, কিন্তু ব্যথা বাড়তে থাকলে হাসপাতালে যান। চিকিৎসকরা যখন তার কান পরীক্ষা করেন, তখন তারা হতবাক হয়ে যান—কারণ কানের ভিতর একেবারে ভেতরে জড়িয়ে আছে একটা আস্ত টিকটিকি! অবস্থা এতটাই ভয়ানক ছিল যে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেই টিকটিকিকে বের করতে হয়। এই ঘটনা ভিডিও আকারে রেকর্ড করা হয়েছে এবং তা নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শিউরে উঠেছে হাজারো মানুষ। কীভাবে এমনটা সম্ভব? রাতের ঘুম, অজ্ঞান থাকা, বা অবহেলার কারণে কানে এমন ধরনের পোকা-মাকড় কিংবা সরীসৃপ ঢুকে যেতে পারে। বিশেষত যারা গ্রামে, কুঁড়েঘরে বা খোলা জানালার ঘরে ঘুমান, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি। ইসলামের দৃষ্টিতে সতর্কতা ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—ঘুমানোর আগে দরজা-জানালা বন্ধ করতে, পানি ও খাবার ঢ...

কবরের পাশে বসে আছে যে মেয়েটি।

 কবরের পাশে বসে আছে যে মেয়েটি। এটি অন্য কোনো মেয়ে নয়",এটি আমার একমাত্র বোন খাদিজা আক্তার (হুমায়রা) গত ৪ তারিখ আমার বোনের স্বামী রোড এক্সিডেন্টে ইন্তেকাল করেছেন। আমার বোনের হাজবেন্ড ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর একটি থানার সেক্রেটারি; তিনি নিজ থানার একজন রুকন ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে মূলত নিজে প্রাণ হারালেন। আর এরাই হলো ইসলামী আন্দোলনের কর্মী।  আমার বোন এ মৃ-ত্যু কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেনা🥲🥲 স্বামীর মৃ-ত্যুর খবর শুনে হুঁশ হারিয়ে প্রায় ৮ ঘন্টা বেহুঁশ ছিলেন। দাপন সম্পন্ন করলাম। দাপনের পরের দিন কাউকে না জানিয়ে গোপনে আমার বোন সন্ধ্যার সময় স্বামীর কবরে গিয়ে স্বামীর কবরের সব মাটি নিজে সরিয়ে কবর থেকে স্বামীকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখেন। পথিমধ্যে কয়েকজন পরিচিত ও এলাকাবাসী কান্নার আওয়াজ শুনে দৌড়ে যান। গিয়ে দেখতে পায় আমার বোন তার স্বামীকে কবর থেকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্না করছেন। সাথে সাথে আমাদের কল দেয় সবাই দৌড়ে গেলাম। বোনকে শান্তনা দিয়ে জোর করে তুললাম। আবার মসজিদের ইমাম সাহেবকে এনে দাপনের ব্যবস্থা করলাম। দাপন করে বোনকে বাসায় আনার পর থেকে কড়া নিরাপত্তায় রাখলাম। অলটাইম বোনকে চোখে চোখে রাখি। প্রতি...

ড্রাকুলা কি সত্যই ছিল নাকি কাল্পনিক চরিত্র ?

 ড্রাকুলা নামটি হয়তো আপনারা শুনে থাকবেন। এই নামটি পরিচিতি লাভ করেছে একটি ফিকশনাল ক্যারেক্টার তথা কাল্পনিক চরিত্র হিসেবে। ১৮৯৭ সালে আইরিশ লেখক ব্রাম স্ট্রোকার ‘ড্রাকুলা’ নামে একটি উপন্যাস প্রকাশ করেন। উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম ছিল কাউন্ট ড্রাকুলা। যে ছিল ভ্যাম্পায়ার অর্থাৎ রক্তচোষা। সেই থেকে এই ড্রাকুলা ক্যারেক্টার নিয়ে অনেক উপন্যাস, কমিক এবং ভৌতিক চলচ্চিত্র, ওয়েব সিরিজ ইত্যাদি নির্মিত হয়েছে। এভাবেই ড্রাকুলা চরিত্রটি পরিচিতি লাভ করেছে একটি ফিকশনাল ক্যারেক্টার, রূপকথার চরিত্র হিসেবে। তবে এর মাধ্যমে আড়াল হয়ে গেছে সত্যিকারের ড্রাকুলা চরিত্র। হ্যাঁ, ড্রাকুলা নামে সত্যিকারেই একজন ছিল। খ্রিস্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দীতে সে ছিল বর্তমান রোমানিয়ার শাসক। রোমানীয়রা তাকে নিজেদের ন্যাশনাল হিরো তথা জাতীয় বীর হিসেবে অভিহিত করে। তবে পক্ষান্তরে সে ছিল একজন ঘৃণ্য অপরাধী এবং অত্যাচারী শাসক। নির্দয়ভাবে সে হত্যা করেছিল প্রায় লক্ষাধিক মানুষকে। তার মূল নাম ভ্লাড তৃতীয়। লোকদেরকে সে নির্দয়ভাবে শূলীতে চড়িয়ে হত্যা করত। তাই ভ্লাড দি ইম্পেলার নামে সে কুখ্যাত হয়ে উঠে। ১৪৫৫-১৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সবমিলি...

অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের ঈমানি দায়িত্ব

  অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানি দায়িত্ব – আল-ফাতিহা ফাউন্ডেশন দুনিয়ার এই রঙিন মেলায় আমরা সবাই ছুটছি নিজের জীবন, পরিবার আর স্বপ্নের পেছনে। কিন্তু কখনো কি একবার থেমে চারপাশে তাকিয়ে দেখি—কত মানুষ আছে, যারা শুধু বেঁচে থাকার জন্যই লড়ছে? একজন মা হয়তো তার শিশুর মুখে একমুঠো ভাত দিতে পারছে না। একজন বাবা হয়তো রিকশা চালিয়ে সারাদিন শেষে শুধু ভাবছে, আজকের ওষুধ কিনবেন, নাকি শিশুর দুধ? একজন বৃদ্ধা ঠান্ডা রাতেও জীর্ণ চাদর জড়িয়ে শুয়ে থাকেন রাস্তায়। একজন এতিম ঈদের দিনেও তাকিয়ে থাকে, কেউ যদি একটি পুরনো জামা দিত! এইসব চেহারার দিকে তাকালে চোখে পানি আসে। কিন্তু শুধু চোখে পানি আসলে তো হবে না। আমাদের দরকার — কিছু করার মানুষ, কিছু দাঁড়িয়ে পড়া হৃদয়, কিছু এগিয়ে যাওয়া আত্মা। আল-ফাতিহা ফাউন্ডেশন এই উদ্দেশ্যেই জন্ম নিয়েছে। আমরা জানি, আমাদের হাতে এখন বিশাল তহবিল নেই। আমাদের কাছে এখনো লাখ টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স নেই। কিন্তু আমাদের হৃদয়ে আছে একটি অটল বিশ্বাস—আল্লাহ চাইলে ছোট প্রচেষ্টাও অনেক বড় কিছুতে রূপ নিতে পারে। এই বিশ্বাস নিয়েই আমাদের যাত্রা। আমরা চাই: একজন অসহায় মানুষ যেন অন্তত ...

কী করলে মানুষের সময়, টাকা, বা কষ্ট কমবে?

আমাদের সমাজে অনেকেই ভাবে, যার দোকান আছে, সে ব্যবসায়ী। আর যার ব্যবসা একটু বড়, সে উদ্যোক্তা। কিন্তু বাস্তবে, ব্যবসায়ী আর উদ্যোক্তা শব্দ দুটি এক হলেও মানে কিন্তু এক নয়। 🧮 ব্যবসা কী? ব্যবসা মানে হলো: একটা নির্দিষ্ট পণ্য বা সেবা নিয়ে কাজ করা কম দামে কিনে, বেশি দামে বিক্রি করা লাভ দেখা, খরচ সামলানো নিয়মিত আয় রক্ষা করা একজন ব্যবসায়ী হয়তো বছরের পর বছর এক জিনিসই করে যাচ্ছেন, লাভ করছেন, সংসার চালাচ্ছেন — এটাই তাঁর উদ্দেশ্য। এটা মোটেই খারাপ কিছু নয় — বরং সম্মানজনক। 🚀 উদ্যোক্তা কে? উদ্যোক্তা হচ্ছেন সেই ব্যক্তি — 👉 যিনি শুধু নিজের লাভ দেখেন না, 👉 তিনি মানুষের সমস্যা সমাধান করতে চান। 👉 তিনি ভবিষ্যতের প্রয়োজন বুঝে নতুন কিছু তৈরি করেন। 🛠️ তিনি চিন্তা করেন: “মানুষের জীবনে আমি কী পরিবর্তন আনতে পারি?” “কী করলে মানুষের সময়, টাকা, বা কষ্ট কমবে?” “একই জিনিস, আরও ভালোভাবে কীভাবে দেওয়া যায়?” উদ্যোক্তা হতে হলে শুধু দোকান থাকলেই হয় না — দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হয়। ⚖️ তাহলে প্রশ্ন আসে — লাভ কোথায় বেশি? সোজা উত্তর: 👉 আপনি যদি শুধু "বিক্রি" করেন, তাহলে লাভ সীমিত — যত বিক্রি, ত...

গুপ্ত সংঘটন হচ্ছে দাজ্জালের জাসসাসা বা গোয়েন্দা বাহিনী! বিস্তারিত 🫵🪬📌

  গুপ্ত সংঘটন হচ্ছে দাজ্জালের জাসসাসা বা গোয়েন্দা বাহিনী! বিস্তারিত  🫵🪬📌 সকল প্রশংসা একমাত্র রব আল্লাহর নামে শুরু।  (শুধুমাত্র যারা ফেতনা, শেষ জমানা ও দাজ্জাল সম্পর্কে গবেষণা ও বিস্তারিত আলোচনা করতে আগ্রহী তাদের জন্য) আসলে গুপ্ত সংঘটন গুলো কি জানতে চান? বিভিন্ন গুপ্ত সংঘঠন যেমন ফ্রিমেসন,ইলুমিনাতি,যাইনিস্ট, ফেশন ও বিভিন্ন মিডিয়ার উচু গোপন নেটওয়ার্ক জগৎ, কিছু এনজিও, শাসন ব্যবস্থা ও প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের মনোনিত লোকজন,রাজনৈতিক বিভিন্ন মনোনিত নেতাদের গোপন নেটওয়ার্ক, বড় ব্যবসায়ীদের গোপন নেটওয়ার্ক  সহ এমন আরো অনেক অজানা গোপন সংঘঠন যারা এক চোখের প্রভুর গোপন কার্যক্রম ও গোপন নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও প্লান বাস্তবায়ন করে।   ১. এরা যে এক চোখের প্রভুর(রব দাবী করা দাজ্জালের) জন্য কাজ করে বুঝবেন কিভাবে?  প্রথম বিষয় এদেরকে আপনি সকল ধর্মের বিপক্ষে   ধর্মনিরপেক্ষ সেকুলার বিশ্বাস স্থাপন নিয়ে কার্যক্রমে পাবেন। যাবতীয় অধর্মীয় কাজ প্রতিষ্ঠা বা ধর্মীয় বিষয় সব যায়গায় চলে না এমন মতবাদ ও কার্যক্রম প্রতিষ্ঠায় পাবেন। কারন দাজ্জাল সকল ধর্মের মানুষকে ধর্মহীন বানিয়ে তারপরে...

ইয়াজুজ-মাজুজ সম্পর্কিত বর্তমান অবস্থার গবেষণা ও আলোচনা।

 ইয়াজুজ-মাজুজ সম্পর্কিত বর্তমান অবস্থার  গবেষণা ও আলোচনা।  (গবেষণা মুলক আলোচনা যারা এসব বিষয় চিন্তা  গবেষনা করতে চান শুধু তাদের জন্য।). ১. হাদিস: ইয়াজুজ-মাজুজ সম্পর্কিত বর্তমান অবস্থার  গবেষণা ও আলোচনা।  একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়তে পড়তে তাঁর গৃহে প্রবেশ করলেন এবং বলতে লাগলেন, শীঘ্রই একটি দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি হবে। এতে আরবের ধ্বংস অবশ্যম্ভাবী। ইয়াজুজ ও মাজুজের দেয়ালে এতটুকু পরিমাণ ছিদ্র হয়ে গিয়েছে, এ কথা বলে দু’টি আঙ্গুল গোলাকার করে দেখালেন। যাইনাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল ﷺ, আমরা কি (ইয়াজুজ মাজুজের আক্রমণ দাঁড়া) ধ্বংস হয়ে যাবো, অথচ আমাদের মাঝে অনেক সৎ ব্যক্তি আছেন?” জবাবে তিনি বলেন: “হ্যাঁ, যখন মন্দ লোকের সংখ্যা বেড়ে যাবে।”[সহীহ ইবনু হিব্বান হা/৩২৭, সনদ সহীহ; সহীহ বুখারী: ৩৩৪৬] যখন অশ্লীলতা বেড়ে যাবে।[সহীহ বুখারী হা/৩৫৯৮, সনদ সহীহ] যখন পাপাচার বেড়ে যাবে।[সহীহ বুখারী হা/৭০৫৯, সনদ সহীহ]  উক্ত হাদিসের নিদর্শন বুঝায় ইয়াজুজ-মাজুজ আল্লাহর রাসুলুল্লাহ সাঃ এর পরেই বেড়ি...

মানবধর্ম(গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র,NWO) ও ইসলাম দুটো আলাদা আলাদা ধর্ম + জাতীয়তাবাদ অবাধ্যতা ও যুদ্ধ।

 মানবধর্ম(গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র,NWO) ও ইসলাম দুটো আলাদা আলাদা ধর্ম + জাতীয়তাবাদ অবাধ্যতা ও যুদ্ধ। লেখক : গাজী আমিনুল ইসলাম আল কাসেমী ------------------------------------------------ যাবতীয় প্রশংসা একমাত্র রব আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য, যিনি পাঠিয়েছেন মানবতার শিক্ষক হিসেবে নবী রাসুলদের, নাজিল করেছেন বিধান সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনার জন্য। তিনিই আমাদের একমাত্র ইলাহ(বিধান দাতা) এক আল্লাহ। *********** (গবেষনা মূলক-  গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা ও ইসলাম, ইহুদি খ্রিস্টান এগুলো সবই ধর্ম  ) -১ গনতন্ত্র,   সমাজতন্ত্র, নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা এগুলো আধুনিক বিশ্বের মানব রচিত রাস্ট্র, সমাজ ও জীবন ব্যবস্থা বা শাসন ব্যবস্থা যা সম্পুর্ন রূপে বস্তুবাদ নির্ভর সেকুলার নাস্তিকতা বিশ্বাস এর উপর প্রতিষ্ঠিত এক একটি মানবধর্ম অন্যদিকে আল্লাহর ধর্মগুলো ইমান(বিশ্বাস) এর উপর প্রতিষ্ঠিত যেই বিশ্বাস ও বিধান গুলোকে মানবধর্মের লোকজন সেকেলের ও অন্ধ বিশ্বাস বলে থাকে। গনতন্ত্র সহ সব মানবধর্ম এক একটি অঘোষিত ধর্ম,  যা অন্যান্য ধর্মকে চ্যালেঞ্জ করে, অন্যান্য ধর্মের যেকোনো আইন বিধি বিধ...