সকল প্রশংসা একমাত্র রব আল্লাহর নামে শুরু।
(শুধুমাত্র যারা ফেতনা, শেষ জমানা ও দাজ্জাল সম্পর্কে গবেষণা ও বিস্তারিত আলোচনা করতে আগ্রহী তাদের জন্য)
আসলে গুপ্ত সংঘটন গুলো কি জানতে চান?
বিভিন্ন গুপ্ত সংঘঠন যেমন ফ্রিমেসন,ইলুমিনাতি,যাইনিস্ট, ফেশন ও বিভিন্ন মিডিয়ার উচু গোপন নেটওয়ার্ক জগৎ, কিছু এনজিও, শাসন ব্যবস্থা ও প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের মনোনিত লোকজন,রাজনৈতিক বিভিন্ন মনোনিত নেতাদের গোপন নেটওয়ার্ক, বড় ব্যবসায়ীদের গোপন নেটওয়ার্ক সহ এমন আরো অনেক অজানা গোপন সংঘঠন যারা এক চোখের প্রভুর গোপন কার্যক্রম ও গোপন নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও প্লান বাস্তবায়ন করে।
১. এরা যে এক চোখের প্রভুর(রব দাবী করা দাজ্জালের) জন্য কাজ করে বুঝবেন কিভাবে?
প্রথম বিষয় এদেরকে আপনি সকল ধর্মের বিপক্ষে ধর্মনিরপেক্ষ সেকুলার বিশ্বাস স্থাপন নিয়ে কার্যক্রমে পাবেন। যাবতীয় অধর্মীয় কাজ প্রতিষ্ঠা বা ধর্মীয় বিষয় সব যায়গায় চলে না এমন মতবাদ ও কার্যক্রম প্রতিষ্ঠায় পাবেন।
কারন দাজ্জাল সকল ধর্মের মানুষকে ধর্মহীন বানিয়ে তারপরে তার হুকুমের(তার মানবরচিত সংবিধান) অনুসারী বানাবে, এভাবে দাজ্জাল প্রভু হয়ে মানুষকে তার দাস বানাবে, আর এভাবেই মানুষ দাজ্জালের শাসন ব্যবস্থার অনুসারী হয়ে তার দাসত্ব করতে করতে জাহান্নামে চলে যাবে।
খুব ভালোভাবে এদেরকে লক্ষ না করলে ও গভীর চিন্তা না করলে বুঝতেই পারবেন না এরা ইমান শেষ করে দিয়েছে আপনি দাজ্জালের গোলাম হয়ে গেছেন, আপনি তাকে(প্রতারক দাজ্জালকে) প্রভু হিসেবে নিয়ে তার হুকুম পালন বা ইবাদত করছেন।
২. দ্বিতীয়ত এদেরকে দেখবেন এরা ফেরাউনের সাইন (নিদর্শন ব্যবহার করে) সিম্বল হিসেবে পিরামিডে ব্যবহার করে এর কারণ ফেরাউন নিজেকে প্রভু(রব) বানিয়ে শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করতো একই ভাবে একচোখের প্রভুর কাজ ফেরাউনের অনুরূপ তবে প্রতারণায় সে ফেরাউনের চাইতে অনেক ভয়াবহ।
দাজ্জাল(এক চোখের প্রভু) নিজেকে প্রভু বানিয়ে যাবতীয় ধর্মীয় বিশ্বাসকে বাতিল করে দিয়ে মানুষকে তার শাসন ব্যবস্থার গোলাম বানাবে, যেভাবে ফেরাউন বনীইস্রাইলকে তার শাসন ব্যবস্থার সময় গোলাম বানিয়েছিলো।
তাই বিভিন্ন স্থানে দাজ্জালের জাসুসদের(গোপন সংঘঠনের গোয়েন্দাদের) দেখবেন ফেরাউন এর পিরামিড বা পিরামিড জ্যমিতিক সাইন ভেতরে G(god) লিখে এর নিদর্শন(সাইন)ব্যবহার করে।
একই ভাবে ফেরাউনের শাসন সাইন পিরামিডের উপর একচোখ দিয়ে ব্যবহার করে, যা স্পষ্ট করে যে তারা একজন মানব একচোখের প্রভুর শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ও তার সেকুলার বিশ্বাস বাস্তবায়নে প্রতিনিধি হয়ে গোপনে কাজ করছে।
এছাড়াও সাইন সিম্বল হিসেবে এদের আরো কিছু নিদর্শন(সাইন) ব্যবহার করতে দেখা যায় যেমন : জামা/কোর্টের ভেতর গুপ্ত হাত, সয়তানের শিং, গোকতার্ক(প্রাচীন তুর্কী কিচ্ছু হিংস্র জনগোষ্ঠী যেমন মংগল,হান,খাযার) সাম্রাজ্যের ঈগল ও তীর, V victory সাইন (ভি সাইন দুই পর্বতের মধ্যবর্তী সংযোগস্থল এর লোকজনের সাইন বা সয়তানের শিং সাইন বলা হয়), হাত গোলাকার করে 666 বানানো সাইন, ইহুদিদের যাইনিস্ট স্টার সাইন, প্রাচীন মিশরের আরো কিছু সাইন(নিদর্শন) প্রদর্শন লক্ষনিয়।
৩. তৃতীয়ত এদের সবার মধ্যে একটা বিষয় লক্ষনিয় যে এরা সেকুলারিজম(ধর্মহীন/নাস্তিকতায়) বিশ্বাসী এবং সেকুলার বিশ্বাস সমাজে প্রতিষ্ঠায় কাজ করে এবং ধর্মীয় বিষয় গুলোকে কটুক্তি, তিরস্কার করা, ধর্মীয় বিষয় গুলোকে আক্রমন করা ও অন্ধবিশ্বাস বলে প্রচার ও প্রমানের চেষ্টা করা, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা গুলোকে বাদ দিয়ে ধর্মীয় বিধি বিধান গুলো রাস্ট্র ও শাসন ব্যবস্থা থেকে উৎখাত করার বিষয় গুলো নিয়ে কাজ করে। এদের অনেক কর্মীদের মধ্যেও স্পষ্ট নাস্তিকতা ও ধর্মবিরোধিতা দেখা যায় তবে এরা প্রকাশ করবে না যে এরা গোপনে কোন সংঘঠন ও সংস্থার হয়ে কাজ করে। এদের অনেকেই এলিট শ্রেণীর, নেতা, শিক্ষক, নায়ক,গায়ক,সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারী, ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ।
৪. এই বিষয়ে আল্লাহ ও তার পুর্ববর্তী রাসুলগন ও আমাদের রাসুল মোহাম্মদ সা: কি আমাদের কিছু শিক্ষা দিয়েছেন?
দাজ্জালের নিদর্শনটা(সাইনটা) আমাদেরকে চিনিয়ে দেওয়ার জন্যই রাসুলুল্লাহ সাঃ আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন এই বলে যে ["দাজ্জাল নিজেকে প্রভু(রব/ইলাহ) বলবে সে হবে একচক্ষু বিশিষ্ট কানা আর আমাদের রব আল্লাহ কানা বা একচক্ষু বিশিষ্ট নন"]।
আর কুরানের আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ফেরাউনের শাসন ব্যবস্থা দিয়ে শিক্ষা দিয়েছেন যে ফেরাউন নিজেকে প্রভু দাবী করেছিলো ও সে এক শক্তিশালী শাসন সাম্রাজ্যের মালিক ছিলো তার সাথে ছিলো সব প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ও জ্ঞানী লোকেরা ।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন (প্রভু দাবী কারী) দাজ্জালের শাসন ব্যবস্থার শিক্ষা আমাদেরকে হাতে কলমে বুঝানোর জন্যই কুরানে মুসা আ: ও ফেরাউনের শাসন এর বিস্তারিত নিদর্শন গুলো দিয়ে মানবজাতিকে কুরআনে সতর্ক করেছেন এবং নবী মুসা: আ: সেই মানব প্রভু ফেরাউন এর সাম্রাজ্যে কি করেছিলেন, কিভাবে করেছিলেন, সেগুলো কুরআনে উল্লেখ করে আমাদেরকে বিস্তারিত শিক্ষা দিয়েছেন যেনো দাজ্জালের শাসন ব্যবস্থার সময় আমরা বুঝতে পারি।
আর একই ভাবে সকল নবী রাসুলগন তাদের নিজ নিজ উম্মতকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফেতনা দাজ্জালের শাসন সম্পর্কে সতর্ক করেছেন যা রাসুলুল্লাহ সাঃ আমাদের কে জানিয়েছেন।
সেগুলোর কিছু বিষয় আপনি বাইবেলে এন্টিক্রাইস্ট(দাজ্জাল) সম্পর্কে বলা বিভিন্ন নিদর্শন ও সতর্কতা যা ইসা: আ: তাদেরকে বলেছিলেন এখন খ্রিস্টানরা বলে সেখানে দেখতে পাবেন এবং একই ভাবে ইহুদিদের কিতাবেও বলা আছে পরবর্তী সময় আগত একজন মিথ্যা মাসিহ সম্পর্কে যে তাদেরকে কুফরির মাধ্যমে বিশ্ব শাসন এনে দিবে আর একজন সত্য মাসিহ সম্পর্কে যে বিশ্ব শাসন করবে আল্লাহর কিতাব দিয়ে সেগুলো দেখতে পাবেন। লক্ষনিয় যে কুফরির মাধ্যমে মিশর শাসন করা ফেরাউন এর দাসত্ব করা সেই অহংকারী ইহুদিরা আবার একচক্ষু বিশিষ্ট দাজ্জালের অনুসারী হয়ে তাওরাতের বিধান বাদ দিয়ে সেকুলার নাস্তিক গনতন্ত্রের অনুসারী হয়ে দাজ্জাল এর বিধান এর দাসত্ব করছে আর মনে করছে বিশ্ব শাসন করছে।(এজন্যই ইহুদীরা অভিসপ্ত).
তারপরও হাদিসে আছে সয়তান অল্প কিছু ইমানদার ব্যতীত সবাইকে পথভ্রষ্ট করে জাহান্নামি বানিয়ে দিবে এরই মধ্যে দাজ্জাল(মানব প্রভু সয়তানের অনুসারী) সবাইকে সেকুলার বানিয়ে সকল ধর্মের মানুষের ইমান ধংশ করে গোপন সংঘটন ও প্রভাবশালী নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সারা দুনিয়ার মানুষকে তার হুকুমের বিধানে দীক্ষিত করে তার দাস বানিয়ে ফেলেছে। বিশ্ব এখন দাজ্জালের অনুসারী দুনিয়া যেই সকল অনুসারীদের জান্নাতে পরিনত হয়েছে একই সাথে সকল ধর্মের সকল বিধিবিধান ব্যবস্থা ধংশ হয়ে গেছে।
মনে রাখবেন সে দাজ্জাল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে নিকৃষ্ট মারাত্মক ভয়াবহ প্রতারক প্রভু সবচেয়ে বড় ফেতনা। সে একজন মাসিহ, মাসিহ সে যার হুকুম বিশ্বে প্রভাব বিস্তার করে। আবার মনে রাখবেন দাজ্জাল কেয়ামত পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ফেতনা এবং সবচেয়ে বড় প্রতারক মিশর সাম্রাজ্যের ফেরাউনের চাইতেও দাজ্জাল অধিক ভয়াহব।
৫. দাজ্জালের গোপন সংঘঠন গুলো কেনো দরকার, গোপনে কেনো?
দাজ্জালের সব কাজেই ভয়াবহ প্রতারণা,ফেতনা,পাপাচার তাই তার অনুসারী জাসসাস বা গোয়েন্দা বাহিনীর কোনো কাজ যেনো আপনি বুঝতে না পারেন এরা গোপনে কাজ গুলো বাস্তবায়ন করে।
তাই এরা নিজেদের মধ্যে নিজেরা নিজেদের নেটওয়ার্ককে বুঝার জন্য এমন সব সাইন ব্যবহার করে যেনো সাধারণ মানুষ বুঝতে না পারে তবে তারা বুঝতে পারে যে, কোন কোন বাহিনী, ব্যক্তি, সংঘঠন তাদের জাসসাসা বা গোপন সংঘটন এর হয়ে কাজ করছে। এর জন্যই গোপন সংঘটন সাইন সিম্বল ব্যবহার করছে।
দাজ্জালের পুরো বিষয় প্রচুর রহস্য জনক ও গোপন ও প্রতারণায় ভরপুর তাই কার্যক্রম গুলো বুঝা সাধারণভাবে সব মানুষের জন্যই অনেক কঠিন। এমনকি তাদের সাধারণ কর্মীরাও বুঝতে পারে না যে তারা দাজ্জালের হুকুম বাস্তবায়নে কাজ করছে যতক্ষন না তারা কাজ করতে করতে বড় এলিট পর্যায়ে চলে যায়।
৫. গোপন সংঘটন গুলোর কাজ কি?
দাজ্জাল একজন প্রভু তাই সে প্রকাশ্যে আসে না, সে নিজেই গোপন হয়ে থাকে মানে সে মহান আল্লাহর অনুকরন করে । তার কাজে সে আল্লাহর অনুকরনে ফেরেস্তা প্রেরণ তো করতে পারবে না তাই সয়তান জ্বিনদের ফেরেস্তা বলে প্রেরণ করে তার মনোনিত নবীদের কাছে।
এই দাজ্জালের নবীরা সবাই দাজ্জালের সেকুলার(ধর্মহীন,নাস্তিকতা) বিশ্বাস প্রতিষ্ঠায় কাজ করে এবং এরা নিকৃষ্ট অকাল্ট চর্চা, কালো যাদুর ও জ্বিন সয়তান এর মাধ্যমে তাদের (প্রভু)দাজ্জাল এর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে, সেখান থেকে দাজ্জালের দেওয়া হুকুম সমাজের বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠিত করে।
এদের কাজের মধ্যে হচ্ছে পাপাচার ছড়িয়ে দেওয়া, সমাজে বিভিন্ন বিষয় মতো বিরোধ সৃষ্টি করা, ধর্মীও অনুভুতিতে আঘাত করা, মানুষকে সকল ধর্মের বিরুদ্ধে কাজে লিপ্ত করা, ধর্মীয় বিশ্বাস সমাজের সকল যায়গা থেকে উতখাত করে ধর্মীগুলোকে ধংশ করে নাস্তিকতাবাদ প্রতিষ্ঠা করা।
মানুষ কে শিরক ও কুফরি লিপ্ত করা, নারীদের স্বাধীনতার নামে ঘর থেকে বের করে এনে আনন্দ ও উপভোগের বস্তু বানানো,নারী স্বাধীনতা ও ক্ষমতায়ন, নারীদেরকে পারিবারিক সম্পর্ক থেকে বের করে আলাদা করে তার অনুসারীদের জন্য ভোগের উৎসবে নিয়ে আসা, এভাবেই ধর্মের বিরুদ্ধে ও দুনিয়ার জীবনের আনন্দ উপোভগের জন্য ইত্যাদি সব মিশন গুলো বাস্তবায়ন যেনো অনুসারীরা সন্তস্ত হয়ে তার অনুসরণ করে।
আরো অনেক কিছু যেমন সুধের অর্থনীতি, মানুষকে বোকা বানিয়ে আস্তে আস্তে সম্পদ নিয়ে যাওয়া, মানুষকে দাস বানিয়ে তাদের দিয়ে তার কাজ করানো, সকল সাধারণ মানুষ ও শত্রুবাহীনিকে নিরস্ত্রীকরণ করা, যেনো তাদের সাথে যুদ্ধ হলে তার অনুসারীরা সহজেই হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে নিয়ন্ত্রণ ও বিজয় লাভ করে, এমন আরো অনেক কাজ বাস্তবায়ন করে। বিভিন্ন শান্তি মিশন এর নামে তাদের গোপন উদ্দেশ্য পুরন করা।
এইসব সংগঠন গুলো এসব কাজ গোপনে বাস্তবায়ন করে, প্রতিষ্ঠা করে ও পরিচালনায় কাজ করে যেনো মানুষ এদের প্রতারণা গুলো বুঝতে না পারে।
মনে রাখবেন দাজ্জাল কেয়ামত পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রতারক এবং তার ফেতনা পাপাচার কেয়ামত পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ফেতনা।
মহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কেউ তাদের প্রতারণার সামনে ইমান নিয়ে টিকতে পারবে না। যে কেউ ইমানের বিষয় গুলোর উপর কঠোরভাবে প্রতিষ্ঠিত থেকে জীবনের সব কাজ না করবে, দুনিয়ার জীবনকে ধর্মের বিধিনিষেধ এর উপর অধিক প্রাধান্য দিবে, সেই ইমান হারিয়ে ফেলবে আর দাজ্জালের অনুসারী হয়ে কাফের হয়ে যাবে।
আমাদের অধিক দুনিয়ালোভী দুর্বল ইমান বাচাতে তাই রাসুলুল্লাহ সাঃ অনুন্নত গ্রামে,নির্জন কম লোকজন এর স্থানে আশ্রয় নিতে বলেছেন। না হলে সকালে ইমান থাকলে বিকেলে ইমান হারিয়ে সে কাফের হয়ে যাবে। আগুন হাতে নিয়ে থাকা ইমান বা ধর্মীয় বিধানের উপর টিকে থাকার চাইতে বেশী কঠিন হবে।
আর দ্বীনের জ্ঞান অর্জন ও দুনিয়ার জীবনকে কম প্রাধান্য দেওয়ার কথা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনে শিক্ষা দিয়েছেন। কারন দাজ্জালের জান্নাত হচ্ছে দুনিয়ার সুখ, অর্থ সম্পদ, উন্নত বিশ্বের ভিসা, নারী উপোভোগ,বিনোদনের সব উপাদান ,মদ, জুয়া জেনা, দামী প্রডাক্ট, হারামের মধ্যেই সব আরাম খোজা ইত্যাদি যার পরিনতি পথভ্রষ্টতা ও আল্লাহর সাস্তি জাহান্নাম।
দাজ্জালের সকল কার্যক্রম উন্নত বিশ্বে, সব শহরে শহরে অনের বেশী, শহরের উন্নত সুজোগ সুবিধা বিভিন্ন বিনোদন, ক্লাব, ফ্রি মিক্সিং, ইত্যাদি পাপের স্থান এগুলো দাজ্জালের জান্নাত এর অংশ।
৬. বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠিত আছে অনেক দাজ্জালের গোপন সংঘটন এর মধ্যে একটা ফ্রিমেসন। ফ্রি মেশন এর কার্যক্রম এর কিছু নিচের লিংকে পাবেন তবে আশর্যের বিষয় ব্রিটিশ শাসন আমল থেকে বাংলাদেশে এদের কার্যক্রম!!!
আপনি এখন যদি ঢাকার পল্টন মোড়ে যান, একটু নজর দিয়ে চারপাশে তাকান — আপনার চোখে পড়বে না এমন এক ভবন, যেটা আসলে চোখ রাখছে আপনাকে। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। একটা পুরনো ভবন, যার গায়ে আঁকা রয়েছে রহস্যময় এক চিহ্ন — ১৯১০ সালে তৈরি ফ্রিম্যাসন্স হল, রাজধানী ঢাকার পুরানা পল্টন মোড়ে মুক্তাঙ্গনের একপাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এটি পুরোনো দোতলা সাদামাটা একটি ভবন। ভবনটির গায়ে থাকা ফলকে লেখা রয়েছে, কিন্তু দেয়ালের সেই প্রতীকের দিকে কারো নজর পড়ে না। কিন্তু আপনি যদি একটু থামেন, মাথা উঁচু করে তাকান — তাহলে দেখবেন সেই চোখটা। তার পাশে একটা কম্পাস আর স্কয়ার, যেটা Freemason-দের সিগনেচার প্রতীক। যেখানে লেখা আছে ১৯১০, আর নাম দেওয়া "Masonic Temple Lodge No.1, Dhaka"।🎯🪬
Google Maps-এ যদি লিখেন ‘Freemason Lodge Dhaka’ — চোখের সামনে খুলে যাবে তার অবস্থান।।যা এখন পুরানা পল্টনে ভূমি অফিস হিসেবে ব্যবহিত হয় বর্তমানে এখানে তাদের কার্যক্রম নেই।
হয়তো বুঝতে পারছেন ব্রিটিশ শাসন সময় এই উপমহাদেশে দাজ্জাল এর শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে আজকের দিনেও আমরা তার শাসন ব্যবস্থা ও তার হুকুম বাস্তবায়ন ও অনুসরণ করে চলছি।
লেখক : গাজী আমিনুল ইসলাম কাসেমী
সহকারি লেখক : মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহ আমিন
(আলোচনা চলবে).

Comments