Skip to main content

Posts

Showing posts with the label কাবা শরীফের পুরনো ইতিহাস

একটা জীবন শেষ

🚲 আরেকজন সাইকেলিস্ট হারিয়ে গেলো… আমাদের ভাই ছিল সে। একটা ছেলে… বয়স মাত্র ১৫ থেকে ১৭। সে দিনটিতে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল খুব স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু হঠাৎ— এক বখে যাওয়া, ধনী পরিবারের ছেলে, যার বয়স হয়তো নবম শ্রেণির ছাত্র মাত্র, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে তার উপর দিয়ে তুলে দিলো। এক মুহূর্ত। একটা জীবন শেষ। একটা মা-র বুক খালি। একটা বাবার ভরসা চিরতরে শেষ। একটা ভাই আর ঘরে ফিরবে না। আমি নিজেও একজন সাইকেলিস্ট… এই ঘটনা বুকটা কাঁপিয়ে দেয় আমরা যারা সাইকেল চালাই, আমরা জানি এই রাস্তাগুলো কেমন। আমরা নিয়ম মেনে চলি, হেলমেট পরি, সতর্ক থাকি। কিন্তু পেছন থেকে আসা এক গাড়ির অন্ধ গতিতে সব শেষ হয়ে যায়। আজ সে মারা গেছে। কাল হয়তো আমি… কাল হয়তো আপনি… আমাদের হৃদয় থেকে একটি অনুরোধ 🙏 যারা গাড়ি চালান—আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ: একটু ধৈর্য ধরুন। একটু মানবতা দেখান। আপনার রাগ, গতি, মুঠোফোনের স্ক্রল—সবকিছুর চেয়ে একটি জীবনের দাম অনেক বেশি। এই ছেলে মারা গেছে, কিন্তু এ দায় আমাদের সমাজের। আমরা চুপ থাকলে, এই মৃত্যু আবারও ঘটবে। আমরা তাকে ভাই বলতাম আমরা যারা সাইকেল চালাই, তারা একে অন্যকে ভাই ভাবি। আ...

সাপের চিহ্ন কেন দেখা যায় ?

  🐍 পায়ের নিচে সাপের মতো দাগ? এটা কি সত্যিই সাপের কামড়? নাকি আরও ভয়ংকর কিছু? Cutaneous Larva Migrans — একটি অদৃশ্য শত্রুর ছোবল! সন্ধ্যার আলো টানা টান। ছোট বোনটা হঠাৎ এসে বলে — “ভাইয়া, দেখো তো, পায়ের চামড়ায় কেমন যেন সাপের মতো দাগ পড়ে গেছে... চুলকায় খুব! ঘুমাতে পারি না…” দেখেই বুঝলাম — এটা কোনো সাপের ছোবল নয়, বরং এর নাম Cutaneous Larva Migrans — পরজীবী লার্ভার ত্বকের নিচে ঘুরে বেড়ানোর ফল। এ রোগকে অনেকে গ্রামবাংলায় বলেন “পেট রগা” বা “মাটি রগা”। কিন্তু এর পেছনে আছে এক বৈজ্ঞানিক ও ভয়ংকর বাস্তবতা—একটি ক্ষুদ্র লার্ভা, যা ত্বকের নিচে ঢুকে আপনাকে ধীরে ধীরে কষ্টে ফেলে দেয়। 📛 এই রোগ হয় কিভাবে? Cutaneous Larva Migrans হয় মূলত Ancylostoma নামের হুকওয়ার্মের লার্ভার মাধ্যমে। এই লার্ভা সাধারণত কুকুর ও বিড়ালের মলের মাধ্যমে আসে। যখন সেই মল দূষিত করে বালু, মাটি কিংবা উপকূলীয় অঞ্চল, তখন সেখানে খালি পায়ে হাঁটলেই বিপদ! লার্ভাগুলো ত্বকের সংস্পর্শে এসে ত্বকের ভেতরে ঢুকে যায় , তারপর ধীরে ধীরে সাপের মতো আঁকাবাঁকা পথ তৈরি করে এগোতে থাকে। ⚠️ কীভাবে বুঝবেন আপনি আক্রান্ত? ...

ঘুমের মধ্যে হঠাৎ শরীর ঝাঁকুনি কেন হয়?

💤 ঘুমের মধ্যে হঠাৎ শরীর ঝাঁকুনি কেন হয়? – রহস্য, ব্যাখ্যা ও ইসলামী বিশ্লেষণ 📖 Al-Fatiha Muslim World থেকে বিশেষ প্রতিবেদন --- 🌙 আমরা প্রায় সবাই একটা অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি—ঘুমাতে যাবার সময় হঠাৎ মনে হয় শরীর নিচে পড়ে যাচ্ছে, আর সঙ্গে সঙ্গে পুরো শরীর এক ধাক্কায় কেঁপে উঠে যায়। এটা কি জিন-ভূতের প্রভাব? নাকি কোনো রোগের উপসর্গ? অথবা এটা স্রেফ শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া? চলুন এই বিষয়টি গভীরভাবে বুঝে নিই— বিজ্ঞানের আলো, ইসলামের ব্যাখ্যা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে। --- 🔬 বৈজ্ঞানিক ভাষায় একে কী বলে? এই ঘটনাকে বলা হয়: ➡️ Hypnic Jerk বা Sleep Start 🧠 ঘুমের প্রাথমিক স্তরে (Stage 1 NREM Sleep) আমাদের মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে রিল্যাক্স হতে থাকে। কিন্তু কিছু কিছু সময় মস্তিষ্ক বিভ্রান্ত হয়ে যায়— ভাবে আপনি পড়ে যাচ্ছেন! তখন শরীর সতর্কতা পাঠিয়ে দেয় এবং দ্রুত একটি রিফ্লেক্স জাগে— যা ঝাঁকুনির মতো মনে হয়। --- 📌 সাধারণ কারণসমূহ: 1. ☕ অতিরিক্ত ক্যাফেইন 2. 😰 মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা 3. 😴 অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ঘুমের ঘাটতি 4. 💡 রাত জাগা বা ঘুমের সময় এলোমেলো হওয়া 5. 📱 ঘুমের আগে মোবাইল/স্ক্রিন ব্যবহার...

হজ ও কুরবানীর মাসআলা

 হজ ও কুরবানীর মাসআলা: বিস্তারিত গাইড (২০২৫) > বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম হজ এবং কুরবানী—দুইটি মহান ইবাদত যা ত্যাগ, আনুগত্য এবং আত্মশুদ্ধির প্রতীক। এই পোস্টে হজ ও কুরবানীর বিস্তারিত মাসআলা আলোচনা করা হলো, যেন মুসলিম ভাই-বোনেরা সঠিকভাবে তা আদায় করতে পারেন। --- 🕋 হজের মাসআলা ১. হজ ফর হওয়ার শর্ত ইসলাম গ্রহণকারী প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ ও আর্থিকভাবে সক্ষম মহরাম সঙ্গী (মহিলাদের জন্য) হজ করার পথ নিরাপদ হওয়া ২. হজের তিন প্রকার ইফরাদ: শুধু হজ কিরান: উমরা ও হজ একত্রে তামাত্তু: উমরা করে ইহরাম খুলে হজ করা ৩. হজের ফরজ ইহরাম আরাফায় অবস্থান তাওয়াফে জিয়ারত ৪. ওয়াজিবসমূহ সাফা-মারওয়া সাঈ মুযদালিফায় রাত যাপন জামারাতে কংকর নিক্ষেপ পশু কুরবানী (তামাত্তু বা কিরানের জন্য) তাওয়াফে বিদা ৫. নিষিদ্ধ কাজ (ইহরাম অবস্থায়) চুল/নখ কাটা সুগন্ধি ব্যবহার শিকার করা বিবাহ সংক্রান্ত কিছু 🐄 কুরবানীর মাসআলা ১. কুরবানী ফরজ না, কিন্তু ওয়াজিব (হানাফি মতে) নেসাব পরিমাণ মালিক হলে ঈদুল আযহার দিন তিন দিনের মধ্যে করা ২. কুরবানীর পশু নির্বাচনের শর্ত ছাগল, ভেড়া – ১ বছর গরু, মহিষ – ২ বছর উট – ৫ বছর ত্রুটিমুক্ত ও সুস্থ...

মাছের চামড়ার রহস্য !

মাছের চামড়া আর চিকিৎসাবিজ্ঞান: এক বিস্ময়কর আবিষ্কার! Publisher: Al-Fatiha Foundation Platform: Muslim World আমরা বাঙালি মুসলিমরা মাছ পেলে সেটাকে কেটে, রান্না করে খেয়ে ফেলি—মাছ আমাদের রান্নাঘরের অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় একটি খাবার। কিন্তু কখনো কি আমরা গভীরভাবে চিন্তা করেছি, এই মাছ নামক প্রাণীটিকে আল্লাহ তাআলা কেমন করে সৃষ্টি করেছেন? এর চামড়া, হাড়, পেশি, রক্তনালী—সবকিছু কী নিখুঁতভাবে কাজ করে! আমরা কেবল স্বাদে মগ্ন, অথচ এর ভেতরের গঠন ও কার্যকারিতায় এক অনন্য রহস্য লুকিয়ে আছে। আর এই রহস্য আবিষ্কারে নেমেছে পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীরা। তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন মাছের এমন এক উপকারিতা, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।                       কী সেই আবিষ্কার? সম্প্রতি একদল গবেষক আবিষ্কার করেছেন যে, তেলাপিয়া (Tilapia) মাছের চামড়া মানুষের দেহে পুড়ে যাওয়া ক্ষতস্থানে ব্যবহার করলে তা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। তারা সেই চামড়াকে এক ধরনের 'জীবন্ত ব্যান্ডেজ' হিসেবে ব্যবহার করছেন। এই মাছের চামড়া মানবচামড়ার মতোই কোলাজেন সমৃদ্ধ, নমনীয়, এবং...

ফিলিস্তিনের রক্তমাখা অশ্রু

তোমরা ভাইরাল হলে মনে পড়ে, তারপর আবার ভুলে যাও — অথচ গাজার শিশুরা কখনো থামে না কাঁদা থেকে... তুমি যখন একটা ভাইরাল ভিডিওতে চোখ আটকে রাখো, তখন গাজার কোনো একটি বাচ্চা নিজের চোখ হারিয়ে ফেলে… তুমি যখন স্ট্যাটাসে রংচঙে ফ্রেম দাও, তখন সেখানে কোনো মা কবর খোঁজে নিজের শিশুর জন্য। তুমি একদিন কাঁদলে, তারা রোজ কাঁদে— তুমি একদিন শেয়ার দিলে, তারা রোজ রক্ত দেয়। তোমরা ভাইরাল হওয়ার পর গাজা মনে রাখো, তারপর আবার ভুলে যাও। তোমরা হ্যাশট্যাগ দাও “#SaveGaza” — তারপর Netflix এ ঢুকে পড়ো! তোমরা প্রতিবাদ করো Story-তে, কিন্তু বাজারে যাও গিয়ে তুলে নাও সেই পণ্যই যেটা দিয়ে বোমা বানায় তাদের মাথার উপর ফেলতে! আর গাজার শিশুরা? তারা ঠিকই জানে, এই পৃথিবীতে তাদের কান্না ততদিনই শোনা যায় যতদিন সেটা ট্রেন্ডিং-এ থাকে। কিন্তু তাদের কবর কখনো ট্রেন্ডিং হয় না... তাদের রক্তে লেখা হয় এমন একটি ইতিহাস, যার শিরোনামে লেখা থাকবে: “তারা কাঁদছিল, আর আমরা স্ক্রল করছিলাম।” তারা ভুলে গেছে? না, ভুলে যাওয়া হচ্ছে না—আমরা ভুলে গেছি। এখনো সময় আছে, ফিরে এসো। তোমার স্ট্যাটাসের স্টাইল না, তোমার অন্তরই বদলাও। তাদের রক্তের ঋণ একটুখান...

👁️ স্নো ব্লাইন্ডনেস

 শতাব্দীর পুরনো এক বিস্ময়কর উদ্ভাবন: ইনুইট ও ইউপিক জাতিগোষ্ঠীর তুষার চশমা শত শত বছর আগে, আর্কটিক অঞ্চলে বসবাসকারী জ্ঞানী ও দূরদর্শী ইনুইট (Inuit) ও ইউপিক (Yupik) জনগোষ্ঠী এক অসাধারণ উদ্ভাবন দ্বারা নিজেদের রক্ষা করেছিলেন। তাঁরা হাতির দাঁত, হরিণের শিং, কাঠ ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি করেছিলেন এক বিশেষ ধরনের চশমা—যাকে আমরা তুষার চশমা (Snow Goggles) বলি। এই চশমাগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য ছিল খুব সরু ফাঁক বা স্লিট, যেগুলো অত্যন্ত সতর্কভাবে খোদাই করে তৈরি করা হতো। এর উদ্দেশ্য ছিল একটাই: ❄️ তীব্র তুষার আলো ও প্রতিফলিত অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) থেকে চোখকে রক্ষা করা এবং 👁️ স্নো ব্লাইন্ডনেস বা তুষার-অন্ধত্বের মতো মারাত্মক পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া। কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই উদ্ভাবন? আর্কটিকের তুষারে সূর্যের আলো বরফে প্রতিফলিত হয়ে চোখে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। 🔆 এই কারণে দেখা দিতে পারে চোখে জ্বালা, ব্যথা এমনকি অস্থায়ী অন্ধত্ব। 🔍 ইনুইট ও ইউপিক জনগোষ্ঠী তাদের প্রাকৃতিক বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এই সমস্যার এক বাস্তবসম্মত সমাধান দাঁড় করান। চশমার সরু স্লিটগুলো সূর্যের ক্ষতিকর আলোকে ফিল্টার করে ...

শিশুটির কান্না

🕊️ একটি হাড়সর্বস্ব শরীর… একটি চুপচাপ কান্না… সে একটি শিশু। নাম নেই, পরিচয় নেই—শুধু আছে ক্ষীণ নিঃশ্বাস, হাড়ের গায়ে চাপা পড়া কান্না। দেখলে মনে হবে, এ যেন কঙ্কালের মতো কোনো জীবন্ত অবয়ব। গায়ে চামড়া থাকলেও তার নিচে নেই কোনো শক্ত মাংসপেশি— শুধুই হাড়। হাত, পা, মুখ—সবকিছু যেন মৃত্যুর ছায়ায় ঢাকা। এই শিশুর শরীরের ভাষা একটাই বলে: "আমি ক্ষুধার্ত… আমি অসুস্থ… আর আমি একা।" --- এই অবস্থার পেছনে কী আছে? দীর্ঘদিনের অনাহার কোনো রোগ যার চিকিৎসা হয়নি সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ উদাসীনতা আমাদের সকলের নিরবতা… --- এই শিশু কি শুধু একজন? না, এমন হাজারো শিশু আছে—যাদের কথা আমরা শুনি না, দেখিও না, ভাবিও না। তাদের চোখের পানি শুকিয়ে গেছে, তারা এখন আর সাহায্য চায় না— তারা এখন শুধু চুপচাপ অপেক্ষা করে মৃত্যুর। --- আমাদের কী করণীয়? শিশুদের জন্য সুস্থতা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা অভিভাবকহীন বা দরিদ্র পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো নিজের পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের প্রতি সচেতন হওয়া আল্লাহর দরবারে দোআ করা—এই শিশুদের রক্ষা করার জন্য --- 🕋 এই শিশুর হাড়সর্বস্ব শরীর যেন আমাদের হৃদয়কে কাপিয়ে তোলে, আর জাগিয়ে তোলে আমাদের ঘুমিয়ে ...

ইসরাইলি পণ্য কেন বয়কট ?

  📛 কেন বয়কট? ইসরাইলি পণ্যের পেছনের রক্তভেজা গল্প "তোমরা যদি কোনো জুলুম দেখতে পাও, তাহলে তা হাত দিয়ে প্রতিরোধ করো, না পারলে মুখ দিয়ে বলো, আর না পারলে অন্তরে ঘৃণা করো—এটাই ইমানের দুর্বলতম স্তর।" — সহীহ মুসলিম প্যালেস্টাইনে প্রতিদিন যে শিশুগুলোর নিথর দেহ পড়ে থাকে, যে ঘরগুলো ধ্বংস হয়, যে মাতার কান্না আকাশ বিদীর্ণ করে—তার পেছনে দায়ী শুধু গোলাবারুদ নয়, তোমার-আমার ব্যবহৃত অর্থও। আমরা প্রতিদিন যে পণ্য ব্যবহার করি, সেই টাকায় সরাসরি শক্তি পাচ্ছে ইসরাইলি রাষ্ট্র—এক গণহত্যাকারী রাষ্ট্র। --- 📦 কোন পণ্য বর্জন করবো? নীচে উল্লেখ করা হলো কিছু বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ড, যাদের পেছনে রয়েছে ইসরাইলি অর্থায়ন, মালিকানার সম্পর্ক, অথবা ইসরাইলের সেনাবাহিনীতে সরাসরি সহায়তা: ✅ প্রতিবাদযোগ্য ব্র্যান্ডসমূহ: McDonald's – ইসরাইলি সেনাদের ফ্রি খাবার সরবরাহ করে। Starbucks – CEO প্রকাশ্যে ইসরাইল সমর্থন করেছেন। Nestlé – ইসরাইলে বিশাল বিনিয়োগ ও ব্যবসা। PepsiCo – ইসরাইলি কোম্পানি SodaStream অধিগ্রহণ করেছে। Coca-Cola – ইসরাইলের অর্থনীতিতে দীর্ঘদিনের অবদান। KFC, Pizza Hut – ইসরাইলে ব্যাপক কার্যক্রম ও সামরিক ...

কুরআনুল কারীম এর মর্যাদা

কুরআনুল কারীম: আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার “এটি এমন এক কিতাব, যা আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি—যাতে মানুষ চিন্তা করে।” — সূরা ছাদ, আয়াত ২৯ কুরআন শুধুমাত্র একটি কিতাব নয়, এটি হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য প্রেরিত প্রেম, হেদায়াত এবং মুক্তির বার্তা। পৃথিবীর সব আলো নিভে গেলেও কুরআনুল কারীম এমন এক নূর, যা মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে তোলে। --- 🕊️ ছোট ছোট কুরআনুল কারীম: সৌন্দর্যের পাশাপাশি বহনের সুবিধা বর্তমানে বাজারে পাওয়া যায় ছোট আকৃতির কুরআনুল কারীম—যা পকেটে রাখা যায়, ব্যাগে সহজে বহনযোগ্য এবং দেখতে অসাধারণ সুন্দর। স্বর্ণে মোড়ানো নকশা, আরবি ক্যালিগ্রাফির অপরূপ ছাঁদ এবং কাভারে আল্লাহর নামের জ্যোতি সত্যিই অন্তর ছুঁয়ে যায়। এই কুরআন ছোট হলেও, তার মর্যাদা অসীম। কারণ এটি সেই ঐশী বাণী, যা আল্লাহ তায়ালা নিজে অবতীর্ণ করেছেন। --- 🌙 আমাদের করণীয়: 1. প্রতিদিন কিছু আয়াত পাঠ করুন। সময় কম থাকলেও প্রতিদিন অন্তত ৫ আয়াত কুরআনুল কারীম থেকে পড়ুন। 2. সহজে বহনযোগ্য কুরআন কিনুন ও ব্যবহার করুন। যেকোনো স্থানেই হোক, সফরে, অফিসে, রাস্তায়—একটু সময় পেলেই পড়া শুরু করুন। 3. কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ...

প্রাচীন পাথরের শহর

কাপ্পাডোকিয়ার হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন পাথরের শহর English (বাংলা অনুবাদ ও রূপায়ণ) তুরস্কের কাপ্পাডোকিয়ার বুকে, আগ্নেয়গিরির ছাই আর শিলায় গঠিত যে পাথরের পাহাড়গুলো দাঁড়িয়ে আছে—তাদের গঠন শুধুই প্রকৃতির খেলা নয়। হাজার হাজার বছরের ইতিহাসে মানুষের হাতেও এসব পাথর ভেঙেছে, কেটেছে, গড়ে তুলেছে এক বিস্ময়কর জগৎ। এই যে বিশাল বিশাল শঙ্কু আকৃতির টাওয়ারগুলিকে বলা হয় "পরির চিমনি"—এসব কিন্তু ফাঁপা। জানালা, দরজা, সিঁড়ি আর সুড়ঙ্গ—সব মিলিয়ে এক পাথরের ভিতর গড়ে তোলা হয়েছে গোটা একটি বসবাসযোগ্য শহর। এই বিশেষ দুইটি শঙ্কু শুধু ভৌগলিক বিস্ময় নয়, বরং ইতিহাসের জীবন্ত দলিল। এর ভিতরের ঘরগুলো একসময় ছিল মানুষের বাড়ি, খাদ্য সংরক্ষণের কক্ষ, সন্ন্যাসীদের উপাসনালয়—এবং এমনকি শত্রুর হাত থেকে লুকানোর গোপন আশ্রয়স্থলও। কাপ্পাডোকিয়ার এই ভূগর্ভস্থ জীবন সম্ভবত হিট্টিট জাতি থেকেই শুরু হয়, আর পরে রোমান নিপীড়নের হাত থেকে বাঁচতে খ্রিস্টানরা এগুলো ব্যবহার করে। এর ভিতরের বহুস্তর বিশিষ্ট কক্ষ, বাতাস চলাচলের পথ, গোপন দরজা—সবই প্রমাণ করে এক নিখুঁত পরিকল্পনা ও উন্নত নির্মাণশৈলী। এগুলো কি শুধু মানুষ...
কাবা শরীফের ভিতরের ইতিহাস ও জাহিলি যুগের মূর্তি: এক ভয়ংকর বাস্তবতা কাবা — তাওহিদের ঘর --- পবিত্র কাবা শরীফ—যা আজ মুসলিম জাতির হৃদয়ের কেন্দ্র, ইসলামের প্রধান কিবলা, এবং তাওহিদের প্রতীক—এই কাবাই একসময় ছিল মূর্তিপূজার কেন্দ্রস্থল! হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এবং ইসমাঈল (আঃ) কাবাকে নির্মাণ করেছিলেন শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদতের জন্য। "…তুমি আমার ঘরকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী, রুকু-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র করো।" (সূরা আল-বাকারা: ১২৫) কিন্তু সময়ের প্রবাহে, ইবলিস ও মানুষের শয়তানি চিন্তার ফাঁদে পড়ে কাবা শরীফ হয়ে উঠেছিল এক মূর্তির মেলা। --- কাবা শরীফে কতগুলো মূর্তি ছিল? রাসূল (সা.) মক্কা বিজয়ের সময় কাবা শরীফে প্রবেশ করে ৩৬০টি মূর্তি ধ্বংস করেন। কাবার ভেতর ও বাইরে ছিল এই সমস্ত মূর্তি। কাবার ছাদের উপরও ছিল বহু প্রতিমা। সবচেয়ে বড় মূর্তিটি ছিল "হুবল"—যাকে কাবার ভেতরে সবচেয়ে সম্মানজনক স্থানে রাখা হয়েছিল। হাদীসে বর্ণিত: > "রাসূলুল্লাহ (সা.) কাবা শরীফে প্রবেশ করে একটি লাঠি দিয়ে সব মূর্তি ধাক্কা দিতে দিতে বললেন: جاء الحق وزهق الباطل، إن الباطل كان زهوقا অর্থাৎ: ‘সত্য এসেছে, মিথ্যা বিলুপ্ত ...