Skip to main content

Posts

Showing posts with the label খবর

কোন পদ্ধতিতে বাংলা ভাগ হলো?

  কোন পদ্ধতিতে বাংলা ভাগ হলো ? মুফতি গাজী আমিনুল ইসলাম কাসেমী তৎকালীন ব্রিটিশ লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের ২ জুন নিজের বাড়িতে তৎকালীন শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সাথে একটা মিটিং আয়োজন করলেন।উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাভাগ ও পাঞ্জাবভাগ নিয়ে আলোচনা করা। মিটিংয়ে কংগ্রেস থেকে পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল, আচার্য কৃপালনি।মুসলিম লীগ থেকে ডাকলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান, আব্দুর রব নিশতারকে।শিখ জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সরদার বল দেব সিং উপস্থিত ছিলেন। সাতজনদের সাথে আলোচনা করলেন বাংলাভাগ করা যায় কি না,আর করলেও কোন পদ্ধতিতে করা হবে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। এই সাতজন একটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির কথা মাউন্ট ব্যাটেনকে বললেন যে,বাংলার এসেম্বলিতে যত মেম্বার আছেন,হিন্দু অধ্যুষিত মেম্বারদের নিয়ে ও মুসলমান অধ্যুষিত মেম্বারদের নিয়ে আলাদা আলাদা করে মিটিং করা হোক। সেই মিটিং এ যদি হিন্দু/মুসলিম অধ্যুষিত কোনো এক গ্রুপের এমএলএ যদি বাংলাভাগের পক্ষে রায় দেয়,তাহলে বাংলা ভাগ হবে। এমএলএ রা যে রায় দিলোঃ তৎকালীন সময়ে বাংলায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলা ছিলো ১৬ টি। নোয়াখালী,চট্টগ্রাম,ত্রিপুরা,বাকেরগঞ্জ,...

গাজায় এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ: এক হৃদয়বিদারক বাস্তবতা !

  গাজায় এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ: এক হৃদয়বিদারক বাস্তবতা লেখক:  গাজী আমিনুল ইসলাম আল কাসেমী সহকারী লেখক:  মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ বিন আমিন এক নজরে ফিলিস্তিন: ধ্বংসের নিচে চাপা পড়া এক জাতির কান্না গাজার আকাশে এখনো ধোঁয়া। ধ্বংসাবশেষের নিচে এখনো মানুষ। শিশুর কান্না থামেনি। মা তার সন্তানের ক্ষুধার জবাব দিতে পারছেন না। হাসপাতালগুলো রক্তে ভেসে যাচ্ছে। চিকিৎসকরা জীবন বাঁচানোর বদলে মৃত্যুর হিসাব রাখছেন। একটা গ্রীষ্মকাল পেরিয়ে গেছে। গাজা এখন আর কোনো নগরী নয়, যেন কবরস্থান। জীবনের কোনো ছন্দ নেই, চারদিকে কেবল ধ্বংস, রক্ত আর হাহাকার। মানবিক বিপর্যয় জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার ২৩ লাখ মানুষের প্রায় ৯০% এখন মানবিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল। বিশুদ্ধ পানি, খাবার, ওষুধ—সবই প্রায় অনুপস্থিত। যারা বেঁচে আছে, তারা বেঁচে থাকার জন্য নয়, ধ্বংস দেখার জন্য বেঁচে আছে। এক মা যখন নিজের শিশু সন্তানকে ধ্বংসস্তূপের নিচে খুঁজে বেড়ান, তখন কোনো ভাষায় সেই বেদনার প্রকাশ সম্ভব নয়। অগণিত শিশু পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। হাজারো মানুষ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। এই যে একটা জাতিকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্...

তুরস্কের সঙ্গে ক্রমেই ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে পাকিস্তানের

 তুরস্কের সঙ্গে ক্রমেই ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে পাকিস্তানের। সম্প্রতি পাকিস্তান-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কমিটির একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর রোববার (১০ আগস্ট) পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ফোন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানকে। টেলিফোনে দীর্ঘক্ষণ আলাপ হয় দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর, যেখানে তারা পাকিস্তান-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা পর্যালোচনা করেন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন। পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতি অনুসারে, উভয় পক্ষই গাজার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গাজায় দখলের জন্য ইসরায়েলি পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসহাক দার। ইসরায়েলের এ পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন তিনি। একইসঙ্গে গাজায় নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তার জরুরি প্রয়োজনীয়তা এবং ইসরায়েলি দায়মুক্তির অবসানের উপর জোর দিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে, পাকিস্তান-তুরস্ক অংশীদারিত্বের অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং সমন্বয়ের প্রয...

এটা কি শুধু রাজশাহীতে? না, সারা দেশেই ?

  ৫ আগস্টের পর জামায়াত: হৃদয়ের কাছে থাকাদের দূরত্বের গল্প ৫ আগস্টের আগে পর্যন্ত আমি জামায়াতকে একটি মজলুম দল হিসেবে দেখতাম। বিশেষত ছাত্রশিবির থেকে উঠে আসা ভাইদের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ। তাদের সঙ্গে একে অপরের ‘আপন’ ভাবাটাই স্বাভাবিক ছিল। মওদুদিবাদ নিয়ে যে দ্বন্দ্ব ছিল—তা নিয়ে আমি তেমন কিছু বলিনি। বরং একে কেন্দ্র করে জামায়াতের বিরুদ্ধে বিষোদগারকে সবসময় বিরোধিতা করেছি। বহুবার সাধারণ মানুষ জামায়াতের পক্ষে কথা বললে আমিও বলতাম, “ওরা ইসলামি কাজ করে।” এটাই তো মূল কথা, মতবাদের জটিলতায় সাধারণ মানুষ ক্বচিৎই যায়। আমার ওস্তাদদের অনেকেই ছিলেন জামায়াতবিরোধী। তাদের বলা কথাগুলো আমরা তখন মানিনি। বরং তাদের বলেছি— “জামায়াতের ভুল থাকলেও তারা আমাদের ভাই। তারা মজলুম। দয়া করে পাবলিকলি কিছু বলবেন না।” এমনকি বর্তমান জমিয়তের সভাপতি ওবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেবের একটি ফেসবুক পোস্টের বিরোধিতাও করেছিলাম, কেবল এই মানসিকতা থেকে যে, ‌"আমরা এক মজলুম আরেক মজলুমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারি না।" কিন্তু আজ... আজ, দীর্ঘ এক বছর পর, কষ্ট হচ্ছে—আমার এবং আমাদের ওস্তাদদের কথা আজ সত্যি হয়ে...

ভক্তিতেও সন্তুষ্ট হলো না দেবতা ট্রাম্প, ক্ষোভে পুড়ছে ভারতের রাজনীতি এবং মিডিয়া অঙ্গন

 **ভক্তিতেও সন্তুষ্ট হলো না দেবতা ট্রাম্প, ক্ষোভে পুড়ছে ভারতের রাজনীতি এবং মিডিয়া অঙ্গন:** ২০২০ সালের ট্রাম্প যখন ভারত সফর করেছিলেন তখন ভারতীয় মিডিয়াতে এই ছবিটি বেশ হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল। ট্রাম্পের সমর্থনে একজন ভারতীয় রীতিমতো ট্রাম্পের মূর্তি বানিয়ে সেটাকে পূজা করছিলেন। বিষয়টি অত্যন্ত হাস্যকর হলেও দেখিয়ে দিয়েছিল ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কত গভীর। অন্যদিকে ট্রাম্পের সাথে মোদির সম্পর্ক কতটা গভীর এটা তারই নমুনা মাত্র। এরপরে জো বাইডেন ক্ষমতায় এলে ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আর আগের মত থাকেনি। রাশিয়ার সাথে ভারতের গভীর সম্পর্ক, চীন এবং ইরানের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিদায়ে যুক্তরাষ্ট্র- ভারতের সম্পর্কের চির ধরে। ২০২৪ এর যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনকে ঘিরে ভারতীয় মিডিয়ায় ট্রাম্পের প্রচারণার কমতি ছিল না। আর তাই ট্রাম্পের জয়ের পর ভারতীয় মিডিয়াগুলোতে রীতিমতো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিল। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। ট্রাম্প ফিরলেন ঠিকই তবে বন্ধু হয়ে নয়, হিসাব নিতে!! প্রথমেই শত শত...

আমার মেয়েটাকে ওর স্কুল থেকে নিয়ে ঘরে ফিরেই উত্তরার দুর্ঘটনার সংবাদ শুনলাম

 আমার মেয়েটাকে ওর স্কুল থেকে নিয়ে ঘরে ফিরেই উত্তরার দুর্ঘটনার সংবাদ শুনলাম। যেসকল ছবি আর ভিডিওগুলো পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো স্রেফ দেখার মতো নয়। কী মর্মান্তিক!! সকালবেলা কতো পরিপাটি করে বাবা-মায়েরা বাচ্চাগুলোকে স্কুলে পাঠালেন। কয়েক ঘণ্টা পরেই এমন দুর্ঘটনা! বাংলাদেশের ইতিহাসে একটা শোকাবহ দিন হয়ে থাকবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আহতদের দ্রুত শিফা দিন৷ নিহতদের জান্নাতের উঁচু মাকাম দিন। ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারকে দিন সবরুন জামিল। কতো সুন্দর শুরু হওয়া দিন কেমন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে গেল। বাচ্চাগুলোর কথা ভাবতেই মনটা ভারী হয়ে উঠছে। ঠিক আমার বাচ্চার বয়েসী। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। যারা আশেপাশে আছেন, বার্ণ ইউনিটগুলো সহ, যেখানে আহতদের নেওয়া হচ্ছে সেসকল হাসপাতালগুলোর খোঁজখবর রাখবেন দয়া করে। প্রচুর ব্লাড লাগবে অনেকের৷ মানুষের জন্য এগিয়ে আসার সুযোগ সবসময় আসে না৷ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এই শোক এবং এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠার তাউফিক দিন।

কবরের পাশে বসে আছে যে মেয়েটি।

 কবরের পাশে বসে আছে যে মেয়েটি। এটি অন্য কোনো মেয়ে নয়",এটি আমার একমাত্র বোন খাদিজা আক্তার (হুমায়রা) গত ৪ তারিখ আমার বোনের স্বামী রোড এক্সিডেন্টে ইন্তেকাল করেছেন। আমার বোনের হাজবেন্ড ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর একটি থানার সেক্রেটারি; তিনি নিজ থানার একজন রুকন ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে মূলত নিজে প্রাণ হারালেন। আর এরাই হলো ইসলামী আন্দোলনের কর্মী।  আমার বোন এ মৃ-ত্যু কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেনা🥲🥲 স্বামীর মৃ-ত্যুর খবর শুনে হুঁশ হারিয়ে প্রায় ৮ ঘন্টা বেহুঁশ ছিলেন। দাপন সম্পন্ন করলাম। দাপনের পরের দিন কাউকে না জানিয়ে গোপনে আমার বোন সন্ধ্যার সময় স্বামীর কবরে গিয়ে স্বামীর কবরের সব মাটি নিজে সরিয়ে কবর থেকে স্বামীকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখেন। পথিমধ্যে কয়েকজন পরিচিত ও এলাকাবাসী কান্নার আওয়াজ শুনে দৌড়ে যান। গিয়ে দেখতে পায় আমার বোন তার স্বামীকে কবর থেকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্না করছেন। সাথে সাথে আমাদের কল দেয় সবাই দৌড়ে গেলাম। বোনকে শান্তনা দিয়ে জোর করে তুললাম। আবার মসজিদের ইমাম সাহেবকে এনে দাপনের ব্যবস্থা করলাম। দাপন করে বোনকে বাসায় আনার পর থেকে কড়া নিরাপত্তায় রাখলাম। অলটাইম বোনকে চোখে চোখে রাখি। প্রতি...

ইসলামের প্রথম মুয়ায্যিন যিনি ছিলেন ।

  🕋 হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু): যিনি আযানকে সম্মানিত করলেন ✨ পরিচিতি হযরত বেলাল ইবনে রাবাহ (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম সম্মানিত সাহাবি। তিনি ছিলেন একজন আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ক্রীতদাস, যিনি ইসলামের প্রথম যুগেই মুসলমান হন। তাঁর ত্যাগ, ঈমানের দৃঢ়তা এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি অসীম ভালোবাসা তাঁকে সাহাবাদের মধ্যে বিশেষ স্থান এনে দিয়েছে। 🌙 ইসলামের প্রথম মুয়ায্যিন হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন ইসলামের প্রথম মুয়ায্যিন। তিনি সেই মহান সাহাবি, যিনি সর্বপ্রথম কাবা শরীফের ছাদে উঠে "আযান" দিয়েছিলেন। তার কণ্ঠের আযান শুনে মদিনার বাতাস পর্যন্ত কাঁপে যেত। রাসূল ﷺ তাকে নিজ হাতে মুয়ায্যিন নিযুক্ত করেছিলেন। নবীজীর প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল এমন, যে যখন রাসুল ﷺ ইন্তেকাল করেন, তখন তিনি আর মদিনায় আযান দিতে পারেননি। 💔 নবীজীর ইন্তেকালের পর হৃদয়বিদারক ঘটনা হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ইন্তেকালের পর এতটাই কষ্ট পেয়েছিলেন যে, তিনি আর মদিনায় থাকতে পারেননি। তিনি বলেছিলেন, "আমি কিভাবে সেই শহরে আযান দিব, যেখা...

অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের ঈমানি দায়িত্ব

  অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানি দায়িত্ব – আল-ফাতিহা ফাউন্ডেশন দুনিয়ার এই রঙিন মেলায় আমরা সবাই ছুটছি নিজের জীবন, পরিবার আর স্বপ্নের পেছনে। কিন্তু কখনো কি একবার থেমে চারপাশে তাকিয়ে দেখি—কত মানুষ আছে, যারা শুধু বেঁচে থাকার জন্যই লড়ছে? একজন মা হয়তো তার শিশুর মুখে একমুঠো ভাত দিতে পারছে না। একজন বাবা হয়তো রিকশা চালিয়ে সারাদিন শেষে শুধু ভাবছে, আজকের ওষুধ কিনবেন, নাকি শিশুর দুধ? একজন বৃদ্ধা ঠান্ডা রাতেও জীর্ণ চাদর জড়িয়ে শুয়ে থাকেন রাস্তায়। একজন এতিম ঈদের দিনেও তাকিয়ে থাকে, কেউ যদি একটি পুরনো জামা দিত! এইসব চেহারার দিকে তাকালে চোখে পানি আসে। কিন্তু শুধু চোখে পানি আসলে তো হবে না। আমাদের দরকার — কিছু করার মানুষ, কিছু দাঁড়িয়ে পড়া হৃদয়, কিছু এগিয়ে যাওয়া আত্মা। আল-ফাতিহা ফাউন্ডেশন এই উদ্দেশ্যেই জন্ম নিয়েছে। আমরা জানি, আমাদের হাতে এখন বিশাল তহবিল নেই। আমাদের কাছে এখনো লাখ টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স নেই। কিন্তু আমাদের হৃদয়ে আছে একটি অটল বিশ্বাস—আল্লাহ চাইলে ছোট প্রচেষ্টাও অনেক বড় কিছুতে রূপ নিতে পারে। এই বিশ্বাস নিয়েই আমাদের যাত্রা। আমরা চাই: একজন অসহায় মানুষ যেন অন্তত ...

কী করলে মানুষের সময়, টাকা, বা কষ্ট কমবে?

আমাদের সমাজে অনেকেই ভাবে, যার দোকান আছে, সে ব্যবসায়ী। আর যার ব্যবসা একটু বড়, সে উদ্যোক্তা। কিন্তু বাস্তবে, ব্যবসায়ী আর উদ্যোক্তা শব্দ দুটি এক হলেও মানে কিন্তু এক নয়। 🧮 ব্যবসা কী? ব্যবসা মানে হলো: একটা নির্দিষ্ট পণ্য বা সেবা নিয়ে কাজ করা কম দামে কিনে, বেশি দামে বিক্রি করা লাভ দেখা, খরচ সামলানো নিয়মিত আয় রক্ষা করা একজন ব্যবসায়ী হয়তো বছরের পর বছর এক জিনিসই করে যাচ্ছেন, লাভ করছেন, সংসার চালাচ্ছেন — এটাই তাঁর উদ্দেশ্য। এটা মোটেই খারাপ কিছু নয় — বরং সম্মানজনক। 🚀 উদ্যোক্তা কে? উদ্যোক্তা হচ্ছেন সেই ব্যক্তি — 👉 যিনি শুধু নিজের লাভ দেখেন না, 👉 তিনি মানুষের সমস্যা সমাধান করতে চান। 👉 তিনি ভবিষ্যতের প্রয়োজন বুঝে নতুন কিছু তৈরি করেন। 🛠️ তিনি চিন্তা করেন: “মানুষের জীবনে আমি কী পরিবর্তন আনতে পারি?” “কী করলে মানুষের সময়, টাকা, বা কষ্ট কমবে?” “একই জিনিস, আরও ভালোভাবে কীভাবে দেওয়া যায়?” উদ্যোক্তা হতে হলে শুধু দোকান থাকলেই হয় না — দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হয়। ⚖️ তাহলে প্রশ্ন আসে — লাভ কোথায় বেশি? সোজা উত্তর: 👉 আপনি যদি শুধু "বিক্রি" করেন, তাহলে লাভ সীমিত — যত বিক্রি, ত...

সেব্রেনিৎসা: ইউরোপের হৃদয়ে এক মুসলিম গণহত্যার ৩০ বছর

🕯️ সেব্রেনিৎসা: ইউরোপের হৃদয়ে এক মুসলিম গণহত্যার ৩০ বছর Publisher: Al-Fatiha Foundation Platform: Muslim World ❝ "মৃত্যুর আগেও তাদেরকে বাধ্য করা হয়েছিল নিজেদের কবর খননে…" ❞ ১৯৯৫ সালের ১১ জুলাই। ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বসনিয়ার ছোট শহর সেব্রেনিৎসা । জাতিসংঘ ঘোষিত "নিরাপদ অঞ্চল" — যেখানে আশ্রয় নিয়েছিল আট হাজারের বেশি মুসলিম পুরুষ ও কিশোর । কিন্তু সেদিনই ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় রচিত হয় — যখন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের চোখের সামনে এক ঘৃণ্য গণহত্যা সংঘটিত হয়। 📖 ইতিহাসের নির্মম অধ্যায় ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সাল—পুরো বসনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে গৃহযুদ্ধ। সার্ব বাহিনী জাতিগতভাবে মুসলিম বসনিয়ানদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। জাতিসংঘ ১৯৯৩ সালে সেব্রেনিৎসাকে "সেফ জোন" ঘোষণা করলেও, বাস্তবতা ছিল ভয়ংকর। ১৯৯৫ সালের ১১ জুলাই সার্ব বাহিনী, জেনারেল রাদকো মালাদিচ -এর নেতৃত্বে, শহরে প্রবেশ করে। সরাসরি জাতিসংঘের ডাচ শান্তিরক্ষীদের সামনে সব মুসলিম পুরুষ ও কিশোরদের আলাদা করে ফেলে। এরপর ১১ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন চলতে থাকে গণহত্যা। আজকের বাংলাদেশেও ...

যে ৩ আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয়

যে ৩ আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় ✨ আল্লাহর কাছে প্রিয় তিনটি আমল — রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর হাদিসের আলোকে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ তাঁর উম্মতের জন্য ছিলেন এক নিখুঁত পথপ্রদর্শক। তিনি আমাদের শুধু হালাল-হারামের নির্দেশ দেননি, বরং আমাদের এমন কাজগুলোর কথাও বলেছেন যেগুলো মহান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। 💎 আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় তিনটি আমল কী? ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন— আমি রাসুলুল্লাহ ﷺ–কে জিজ্ঞেস করলাম, “ কোন কাজ আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়? ” রাসুল ﷺ উত্তর দিলেন: “নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় করা।” আমি বললাম, “তারপর?” তিনি বললেন: “মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা।” আমি বললাম, “তারপর?” তিনি বললেন: “আল্লাহর পথে জিহাদ করা।” (সহিহ বুখারি: ৫০২ | মেশকাত: ৫৬৮) 🕌 নামাজ: সবচেয়ে প্রিয় ইবাদত নামাজ হলো মুসলমানের জন্য প্রতিদিন পাঁচবার সরাসরি আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ। উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত— রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য ভালোভাবে অজু করে, সঠিক সময়ে তা আদায় করে এবং যথাযথ রুকু ও খুশু বজায় রাখে — তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ওয়াদা র...