Skip to main content

তুরস্কের সঙ্গে ক্রমেই ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে পাকিস্তানের


 তুরস্কের সঙ্গে ক্রমেই ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে পাকিস্তানের। সম্প্রতি পাকিস্তান-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কমিটির একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর রোববার (১০ আগস্ট) পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ফোন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানকে। টেলিফোনে দীর্ঘক্ষণ আলাপ হয় দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর, যেখানে তারা পাকিস্তান-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা পর্যালোচনা করেন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।

পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতি অনুসারে, উভয় পক্ষই গাজার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গাজায় দখলের জন্য ইসরায়েলি পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসহাক দার। ইসরায়েলের এ পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন তিনি। একইসঙ্গে গাজায় নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তার জরুরি প্রয়োজনীয়তা এবং ইসরায়েলি দায়মুক্তির অবসানের উপর জোর দিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এর আগে, পাকিস্তান-তুরস্ক অংশীদারিত্বের অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে ইতিমধ্যেই সম্মত প্রস্তাব এবং উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান ইসহাক দার।

সম্প্রতি, পাকিস্তান-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কমিটির একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। সভায় অর্থনীতি, বাণিজ্য, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো এবং সংযোগ সহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা হয় কমিটিকে।

©RTV ©MUSLIM ORLD OFFICIAL TM®


Comments

Popular posts from this blog

হেযবুত তওহীদ’ ॥ মতবাদ, ভ্রান্তি ও অপকৌশল : একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা

সকল সংখ্যা বিভাগ লেখকবৃন্দ আপনার জিজ্ঞাসা পরিচিতি যোগাযো বর্ষ: ২১,   সংখ্যা: শাবান ১৪৪৬   |   ফেব্রুয়ারি ২‘হেযবুত তওহীদ’ ॥ মতবাদ, ভ্রান্তি ও অপকৌশল : একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা মাওলানা ফয়জুল্লাহ মুনির প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতির সাথে অতি দ্রুত পরিবর্তনশীল একটি সংগঠনের নাম ‘হেযবুত তওহীদ’ । বহুরূপী এই সংগঠনটির কার্যক্রম দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতেও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। যার দরুন অনেক সরলমনা মুসলমান না বুঝেই তাদের দলে যোগ দিয়ে বসছেন। অনেকেই তাদের চটকদার কথায় বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এসব দেখে ও শুনে কোনো কোনো সচেতন ভাই উলামায়ে কেরামের দ্বারস্থ হয়েছেন। জানতে চাইছেন ,  এরা কারা ?  কী তাদের উৎস ?  কেমন তাদের আকীদা-বিশ্বাস ?  আর ইসলামের নামে তারা যেসব কথা বলছে ,  এগুলোর বাস্তবতাই বা কতটুকু ? আমরা একেবারে গোড়া থেকে শুরু করছি। হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠা ও উৎস হেযবুত তওহীদ দলটির প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইলের মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। যিনি ছিলেন কলেজপড়ুয়া একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। আরবী ভাষা সম্পর্কে তার তেমন কোনো জ্ঞান ছিল না। আর কুরআ...

মাছের চামড়ার রহস্য !

মাছের চামড়া আর চিকিৎসাবিজ্ঞান: এক বিস্ময়কর আবিষ্কার! Publisher: Al-Fatiha Foundation Platform: Muslim World আমরা বাঙালি মুসলিমরা মাছ পেলে সেটাকে কেটে, রান্না করে খেয়ে ফেলি—মাছ আমাদের রান্নাঘরের অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় একটি খাবার। কিন্তু কখনো কি আমরা গভীরভাবে চিন্তা করেছি, এই মাছ নামক প্রাণীটিকে আল্লাহ তাআলা কেমন করে সৃষ্টি করেছেন? এর চামড়া, হাড়, পেশি, রক্তনালী—সবকিছু কী নিখুঁতভাবে কাজ করে! আমরা কেবল স্বাদে মগ্ন, অথচ এর ভেতরের গঠন ও কার্যকারিতায় এক অনন্য রহস্য লুকিয়ে আছে। আর এই রহস্য আবিষ্কারে নেমেছে পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীরা। তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন মাছের এমন এক উপকারিতা, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।                       কী সেই আবিষ্কার? সম্প্রতি একদল গবেষক আবিষ্কার করেছেন যে, তেলাপিয়া (Tilapia) মাছের চামড়া মানুষের দেহে পুড়ে যাওয়া ক্ষতস্থানে ব্যবহার করলে তা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। তারা সেই চামড়াকে এক ধরনের 'জীবন্ত ব্যান্ডেজ' হিসেবে ব্যবহার করছেন। এই মাছের চামড়া মানবচামড়ার মতোই কোলাজেন সমৃদ্ধ, নমনীয়, এবং...

হারিয়ে যাওয়া মুসলিম সভ্যতা | পর্ব ১

  হারিয়ে যাওয়া মুসলিম সভ্যতা পর্ব ১: আন্দালুস—যেখানে চাঁদ নামত মুসলিম মসজিদের গম্বুজে ✍️ লেখক: গাজী আমিনুল ইসলাম আল কাসেমী একটি সভ্যতা ছিল, যার সূর্য ডুবত না। যার ঘরে ঘরে ছিল জ্ঞানচর্চার আলয়। যার শহরে ছিল সুশৃঙ্খল রাস্তা, শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাজার হাজার পাণ্ডিত্যের উৎস। যেখানে মসজিদ ছিল লাইব্রেরি, হাসপাতাল ছিল ওয়াক্‌ফের অংশ, ও রাস্তায় রাত্রি জাগত বাতির আলো। সেই শহর, সেই ভূমি— আন্দালুস । 🌙 ইউরোপের বুকে এক মুসলিম জগত আজকের স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল এক সময় ছিল মুসলিমদের শাসিত এক গৌরবময় ভূমি। ৭১১ খ্রিস্টাব্দে তরিক ইবনে জিয়াদের অগ্নিশপথ দিয়ে যাত্রা শুরু, আর শুরু হলো এক বিস্ময়কর ইতিহাস—যা টিকেছিল প্রায় আট শতাব্দী। কর্ডোভা, গ্রানাডা, তোলে‌দো, সেভিল, আলমেরিয়া— এই শহরগুলো শুধু নাম নয়, একেকটা ছিল সভ্যতার একেকটি স্তম্ভ। ইউরোপ যখন ডুবে ছিল গোঁড়ামি, কুসংস্কার আর গির্জার আধিপত্যে, তখন আন্দালুস ছিল— গণশিক্ষার কেন্দ্র মহাকাশবিদ্যা, চিকিৎসা, গণিত ও দর্শনের স্বর্ণযুগ ইসলামী আধ্যাত্মিকতা ও শিল্পের চূড়ান্ত রূপ 🕌 কর্ডোভার সেই মহান রাত্রি ইতিহাসবিদরা লিখেছেন, কর্ডো...