Skip to main content

মানবধর্ম(গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র,NWO) ও ইসলাম দুটো আলাদা আলাদা ধর্ম + জাতীয়তাবাদ অবাধ্যতা ও যুদ্ধ।






 মানবধর্ম(গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র,NWO) ও ইসলাম দুটো আলাদা আলাদা ধর্ম + জাতীয়তাবাদ অবাধ্যতা ও যুদ্ধ।


লেখক : গাজী আমিনুল ইসলাম আল কাসেমী

------------------------------------------------

যাবতীয় প্রশংসা একমাত্র রব আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য, যিনি পাঠিয়েছেন মানবতার শিক্ষক হিসেবে নবী রাসুলদের, নাজিল করেছেন বিধান সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনার জন্য।

তিনিই আমাদের একমাত্র ইলাহ(বিধান দাতা) এক আল্লাহ।

***********

(গবেষনা মূলক-  গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা ও ইসলাম, ইহুদি খ্রিস্টান এগুলো সবই ধর্ম  ) -১


গনতন্ত্র,   সমাজতন্ত্র, নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা এগুলো আধুনিক বিশ্বের মানব রচিত রাস্ট্র, সমাজ ও জীবন ব্যবস্থা বা শাসন ব্যবস্থা যা সম্পুর্ন রূপে বস্তুবাদ নির্ভর সেকুলার নাস্তিকতা বিশ্বাস এর উপর প্রতিষ্ঠিত এক একটি মানবধর্ম অন্যদিকে আল্লাহর ধর্মগুলো ইমান(বিশ্বাস) এর উপর প্রতিষ্ঠিত যেই বিশ্বাস ও বিধান গুলোকে মানবধর্মের লোকজন সেকেলের ও অন্ধ বিশ্বাস বলে থাকে।


গনতন্ত্র সহ সব মানবধর্ম এক একটি অঘোষিত ধর্ম,  যা অন্যান্য ধর্মকে চ্যালেঞ্জ করে, অন্যান্য ধর্মের যেকোনো আইন বিধি বিধানকে বাতিল করার ক্ষমতা রাখে এবং অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় বিধি বিধান গুলোকে বাদ করে মানবধর্ম নিজস্ব আইন বিধান প্রনয়ণ করে। 

গনতন্ত্র পুরো প্রতিষ্ঠিত হলে সকল ধর্ম বিধান চ্যালেঞ্জ এর মুখে পরে যায় কারন এটা আস্তে আস্তে ধর্মের অনুভূতি ও বিধান উপরে ফেলে।


আর এই নীতি বাস্তবায়ন করতেই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী বিশ্বাস স্থাপন ভুমিকা পালন করে। বিশ্বের সব গনতান্ত্রিক নেতারাই বলে সেকুলারিজম প্রতিষ্ঠা করতে হবে, গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রতিষ্ঠা কেন?

কারন সেকুলারিজম আসলে ইমান আর গনতন্ত্র হচ্ছে একটা ধর্ম।


কিভাবে? 

ধর্মনিরপেক্ষতা একটা অঘোষিত নাস্তিকতা বিশ্বাস। আপনি ভালো সেকুলার বিশ্বাসী হলে আপনার কথা কাজে নাস্তিকতা ও ধর্মীয় অবিশ্বাস চলে আসবে এবং সব ধর্মীয় অনুভূতি ধর্ম পালন থেকে আপনি আস্তে আস্তে সরে যাবেন। যদিও আপনি ধর্মীয় সংকৃতি ও আনুষ্ঠানিকতা ধুমধাম করে পালন করবেন আর আপনি মনে করবেন আপনি ধর্ম পালন করছেন আসলে আনুষ্ঠানিকতা পালন আর ধর্ম বিশ্বাস ও পালন এক জিনিস নয়।


যদি আপনি মুসলিম হয়ে থাকেন, আপনি অবশ্যই পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করবেন মহান আল্লাহর উপর, তার নবীদের শিখানো বিষয় এর উপর,  তার নাজিলকৃত বিধান কুরআনের উপর, প্রতিষ্ঠিত করবেন আল্লাহর নাজিলকৃত বিধিনিষেধ  , বিশ্বাস স্থাপন করবেন ভাগ্যের ভালো মন্দ আল্লাহর নির্ধারণ এর উপর, মৃত্যুর পরের জীবনের উপর,বিশ্বাস করবেন জাহান্নাম এর সাস্তি ও জান্নাতের পুরস্কার। 

এর উপর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বাস নিয়ে  আপনি আল্লাহর বিধানের অনুসরণ করে আল্লাহর দ্বাসত্ব করবেন এবং ইসলামের বিধি বিধান সমাজে প্রতিষ্ঠা করবেন।


অন্যান্য ধর্মের ইমানের মতো গনতন্ত্র ধর্ম পালনে কি ইমান(বিশ্বাস) স্থাপন লাগে?

হা, গনতন্ত্র হচ্ছে একটা অঘোষিত ধর্ম যা প্রতিষ্ঠা করতে, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও অনুসরণ করতে আপনাকে অবশ্যই সর্বস্থরে সেকুলার বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে কারন গনতন্ত্র আপনাকে নিয়ে যাবে একটা নতুন বিধানের দিকে যা আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান নয় বা কোনো ধর্মীয় বিধান নয়।


সুতরাং গনতন্ত্রের বিধান অনুসরণ করতে আপনাকে হতে হবে ধর্মনিরপেক্ষ যেখানে কোনো ধর্মের বিধান চলবে না, শুধু ব্যক্তিগত জীবনে ও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক রীতি নিতী পালন করা যাবে তবে ধর্মের কোনো বিধান রাস্ট্র ও শাসন ব্যবস্থায় থাকবে না সুতরাং তা করতে হলে অনুসারীদের হতে হবে এক ধর্মহীন, শাসন ব্যবস্থার সকল স্থানে আর অনুসারীদের হতে হবে ধর্মীয় অনুভূতিহীন।


কেন অনুভূতিহীন হতে হবে বা লাগবে?

কারন ধর্ম বিশ্বাস ও অনুভূতি থাকলে আপনি ধর্মের বিধান মানবেন এর বিপরীতে গনতন্ত্রের বিধান মানতে চাইবেন না। তাই অনুভূতি উঠিয়ে সেকুলার বানাতে হবে।


কোন ধর্ম অনুভূতি না থাকলে সে হয় ধর্মীয়ভাবে নাস্তিক বা ধর্মহীন,  তাই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বাস্তবায়নে রাস্ট্রে নাস্তিক এর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ও নাস্তিকতা বিশ্বাস প্রকাশ পায়।


অধিকহারে গনতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা চর্চায় রাস্ট্রে নাস্তিকতাবাদ ব্যপকতা লাভ করে। যেমন ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোতে। 


কেনো সেকুলার বিশ্বাসী প্রয়োজন?


সেকুলার(নাস্তিক) হচ্ছে সর্বোত্তম  ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক এবং গনতন্ত্রের জন্য আদর্শ ব্যক্তি। কারন একজন ধর্মীয় বিশ্বাসী(ইমানদার) লোকজন ধর্ম বিরোধী কোন নিয়ম,বিধান বা আইনগুলো মেনে নেয় না ও নিবে না। তাহলে ধর্মীয় বিশ্বাস এর কারণে গনতন্ত্রের বিধানগুলো প্রতিষ্ঠা করা যাবে না, ধর্মের বিধানের কারণে বাধাগ্রস্ত হবে। তবে যদি মানুষ ধর্মনিরপেক্ষ বা নাস্তিক হয় সে কোনো ধর্মবিরোধী বিধানের আপত্বি করবে না সে সকল গনতান্ত্রিক আইন শাসন মেনে নিবে। 


নাস্তিক বা ধর্মহীন লোকের আইনের ব্যপারে ধর্মীয় কোন বাধ্য বাধকতা নেই।

 উদাহরণস্বরূপ মদের লাইসেন্স একটি রাস্ট্র প্রনিত মানব রচিত আইন,  

অন্যথায় মদ,মদের বার ইহুদি ও মুসলিম অনুসারীরা হারাম মনে করে তাই লাইসেন্স এর আইনের ভিত্তিতে মদ হালাল বা বৈধ হতে পারে না এটাই দাবী যা রাস্ট্র প্রনিত আইনের জন্য চ্যালেঞ্জ এবং পরস্পর সাংঘর্ষিক।


আবার পতিতালয়, পপিতাদের শ্রমিক ঘোষণা করার আইন, সুধ ভিত্তিক ব্যংকিং ব্যবসা,নারীবাদী স্বাধীনতা ইত্যাদি ইহুদি খ্রিস্টান ও মুসলমানদের ধর্মের বিপক্ষে যার তাই এসব বিষয়ের রাস্ট্রিয় ভাবে বৈধতা ধর্মীয় বিশ্বাসে আগাত করে যা ধর্মীয় বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত থাকলে গনতান্ত্রিক রাস্ট্রের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ হতে পারে। 


সর্বোপরি গনতন্ত্র একটি মানব রচিত অঘোষিত ধর্ম বলা যায়, যেখানে সবাই যার যার ধর্মকে একটি নির্দিষ্ট সীমায় পালন করতে পারে এবং  সেই সীমানা কতটুকু তাও গনতন্ত্রই নির্ধারণ করে দেয় এবং ধর্মীয় যে কোন আইনকে গনতন্ত্র বাতিল করতে পারে এবং এমন আইন প্রনয়ণ করতেও সক্ষম যা একই সাথে সকল প্রধান ধর্মের বিপক্ষে যায়।


উদাহরণ সরূপ, ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে পুরুষ ও পুরুষ বিয়ে,  নারী ও নারী বিয়ে,  ভারতে বিবাহ বহির্ভুত বাচ্চা নেওয়ার অধিকার, বাক সাধীনতার নামে ধর্মকে কটুক্তি করার বা অনুভূতিতে আঘাত হানার অধিকার,  ইত্যাদি। 

আবার আপনি যদি গনতন্ত্র ধর্মের বিধানের বিপক্ষে কাজ করেন তখন আপনার স্বাধীনতা নাই আপনাকে রাস্ট্রদ্রোহ মামলা দেওয়া হতে পারে কারন আপনি সেকুলারদের ধর্মবিশ্বাসের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছেন।


অন্যথায় এই গনতন্ত্র প্রকাশ্যে কাউকে ধর্ম পরিত্যাগ করতে বলে না,  কারন এটা স্রস্টায় বিশ্বাস এর ধর্মের ন্যায় নয় এটা বস্তুবাদী জীবনব্যবস্থা বা ধর্ম যা  ব্যক্তিগত ভাবে স্রস্টায় বিশ্বাসে বাধা দেয় না তবে উৎসাহিত করে ধর্মনিরপেক্ষ হতে এবং অনবরত ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর আঘাত হানে।


যে পরিপূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ হয়ে যায় সে প্রায় নাস্তিক বা ধর্মহীন হয়ে যায়,  অনেক সময় সে পুরো পুরি স্রস্টাকে অসিকার করে নাস্তিক হয় না, তবে কাজে কর্মে চরিত্রে নাস্তিকতা বা ধর্মহীনতা প্রকাশ পায় আর অন্তর থেকে ইমান উঠে যায় বা ধর্মীয় অনুভূতি গুলো লোপ পায়, ইমান উঠে যাওয়ার কারণে সে ধর্মীয় হুকুম পালন বাস্তবায়ন ছেড়ে দেয় এবং আনুষ্ঠানিকতা পালন করে মনে করে সে ধর্মের প্রতি বিশ্বাসী। 


জাতীয়তাবাদ ধর্মীয় বিশ্বাসীদের বিভাজন:

এর আরেকটা বিশ্বাস হচ্ছে জাতিয়তাবাদ বা নিজ স্বীমানার ভিত্তিতে জাতি যা স্পষ্ট আপনার ধর্মীয় ভাতৃত্ব বোধ কেরে নিবে যার কারনে আপনি আপনার স্বীমানার বাহিরে আরেকজন স্বধর্মীয় মানুষকে আপন করে নিতে পারবেন না। যেমন রোহিঙ্গারা মুসলিম হলেও আপনি আমি তাদেরকে ভাই হিসেবে নিতে পারি না,আবার বাংলাদেশের একজন নিকৃষ্ট লোককে আপনি স্বজাতি ভাই মনে করেন। অন্য জাতীর প্রতি তার অন্যায়কে সমর্থন করেন।(আফসোস জাতিয়তাবাদ)।

 

লক্ষ করুন সিরিয়ায়,ফিলিস্তিনে যখন আমেরিকা,ইস্রাইল  হামলা করে তখন এই কাটাতারের জাতিয়তাবাদ বোধ ও বিধান এর কারণে আরববিশ্ব ও তুর্কীরা তাদেরকে যায়গা দেয়না তাদের জন্য লড়াই করে না তবে তাদের স্বীমানায় আঘাত হলে লাফিয়ে উঠে। আবার যারা পালিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেছে তাদেরকে মুসলিম হিসেবে গন্য না করে,সে সকল ভাইদেরকে আশ্রয় শিবিরে আটকে মানবেতর জীবন যাপনের বাধ্য করছে অথচ তারা মুসলিম  ভাই বোন শুধু সীমান্তের বাহিরের তাই তারা আপন নয়। 


যে ব্যক্তি জাতীয়তাবাদ ও গনতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করে সে নিশ্চিত আল্লাহর জন্য যুদ্ধ করে না। সেই সবদল মহান আল্লাহর সাহায্য প্রাপ্ত হবে না কারন তারা ইমানের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়, আল্লাহর বিধান ও ন্যয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়।


বর্তমান বিশ্বে যে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা চলছে তার মধ্যে ধর্মীয় যুদ্ধ ব্যতিত, বাকী সকল জাতির যুদ্ধই গনতন্ত্রবাদীদের যুদ্ধ, অথবা জাতীয়তাবাদ এর যুদ্ধ যেখানে শরিক হওয়া উচিত নয়। এই যুদ্ধ মুলত এক নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় এক বিড়াট স্বরযন্ত্র অন্যদিকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন তারাও স্বরযন্ত্র করে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করেন এভাবেই আল্লাহ তাদের পরিকল্পনায় তাদেরকে ধংশ করবেন।


বর্তমান এই পৃথিবীর যাবতীয় যুদ্ধ হচ্ছে ধর্মহীন জাতীয়তাবাদীদের ক্ষমতা প্রদর্শন এর যুদ্ধ সেকুলার বিশ্বাসী গনতন্ত্রবাদী ও সমাজতন্ত্রবাদীদের একক বিশ্ব ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রনের যুদ্ধ। এই যুদ্ধ হচ্ছে অবাধ্য জাতিদের উপর মহান আল্লাহর সাস্তি।


এই দুই অবাধ্য জাতিদের যুদ্ধ ও ধংশের ব্যপারে রাসুলুল্লাহ সাঃ সাবধান করেছেন।


হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ)- বলেন,

রাছুল (ছাঃ)- বলেছেনঃ

""কিয়ামতের পূর্বে মানুষ গন অগ্নি নিক্ষেপ করবে।আর সে অগ্নি দ্বারা তারা নিজেরাই ধ্বংস হবে।

অবশ্যই তারা আল্লাহর অবাধ্য জাতী। এই অবাধ্য জাতী ধ্বংসের পর,আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীকে শান্তিময় করবেন।

( কিতাবুল ফিরদাউস, হা- ১১৭৯)


এই অবাধ্য জাতিদের(সেকুলার জাতীয়তাবাদী গনতান্ত্রিক জোট ও সমাজতান্ত্রিক জোট), যাদের যাবতীয় বিষয় আল্লাহর রাসুলুল্লাহ সাঃ বর্জন করতে বলেছেন।


রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন:

🔹"দুনিয়ার যাবতীয় বিষয়ে যুদ্ধকারী দুইদল(সেকুলার গনতান্ত্রিক জোট ও সমাজতান্ত্রিক জোট) থেকে তোমরা বেঁচে থাক, কেননা, তারা উভয় দল ধীরে ধীরে জাহান্নামের দিকে ধাবিত হতে থাকবে"।

[আল ফিতান- ৩৫৩]


যুদ্ধ অংশ গ্রহণ হতে পারে অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিপীরিতদের জন্য ন্যায় প্রতিষ্ঠায়(জমাতের আমির বা খলিফার নেতৃতে).

যুদ্ধ হতে পারে আল্লাহর দ্বীনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তবে সেটা হতে হবে  দীনের দাওয়াত স্পষ্ট হওয়ার পরে যদি অস্বীকারকারীরা স্বরযন্ত্র করে বা নিপীড়ন করে বা বাধাগ্রস্ত করে তাহলে আমির ঘোষণা করতে পারবেন। 

আর মুসলমানদের আমীর(খলিফা) ব্যতিত কোনো যুদ্ধ নেই। আক্রমণ করলে প্রতিহত করার শক্তি থাকলে যুদ্ধ করা যাবে অথবা হিজরত ও পালায়ন করে বাচতে হবে।


আল্লাহ্ মনোনীত ইমামের(খলিফা,আমিরের) অনুসরণ,অন্যথায় সকল দল বর্জন:


🔹"তখন তুমি মুসলমানদের জামাআত এবং তাদের ইমামকে আকড়িয়ে ধরো, একথা শুনে আমি জানতে চাইলাম, যদি তাদের ইমাম এবং জামাআত না থাকে তাহলে কি করবো, জবাবে রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, সকল দলকে পুরোপুরি বর্জন করো, যদিও সেটা গাছের শিকড় কামড়ে ধরার মাধ্যমে হোক । এমন পরিস্থিতেতে মৃত্যু এসে গেলেও সেটা ছাড়া যাবে না"।

(আল ফিতান -৩৫৪)


ঘরে অবস্থান করা:

🔹"ফিতনাকালীন তোমরা সকলে ঘরের ভিতরে অবস্থান কর। কেননা, উক্ত ফেৎনার প্রতি ধাবিত হওয়া ছাড়া সেটা কারো প্রতি প্ৰবাহিত হবেনা"।(আল ফিতান-৪৪২)।

(ঘরে থাকা মানে আসহাবে কাহাফের যুবকদের মতো লুকিয়ে থাকা বা হিযরত করে পালায়ন,ক্ষমতা ও লোকবল থাকলে প্রতিরোধ যুদ্ধ করা যাবে এর মধ্যে খিলাফতের আমির বা খলিফা পেয়ে গেলে হামাগুড়ি দিয়ে তার সাথে যুক্ত হয়ে যাওয়া এর পরে মানুষকে আল্লাহর দ্বীনের শাসন ব্যবস্থার দিকে আহবান ও খলিফার নির্দেশ পেলে যুদ্ধ। সেই  যুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য আসবে। আর ন্যায়বান খলিফারা হচ্ছে ধসনের ওয়ালাদের একজন হয়)।


(দ্বীনের বিষয় গবেষনা মূলক, সসমালোচনা ভিন্ন মত থাকতে পারে। আলোচনা চলবে).......

-------------

মানবধর্ম গনতন্ত্র আগত নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা যদি ধর্ম হয় তাহলে ধর্মের তো একজন প্রভু থাকে, যেমন ফেরাউন শাসন ধর্মের প্রভু ছিলো ফেরাউন।

তো মানবধর্ম গনতন্ত্র, নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার প্রভু কে আর এই ধর্মের নবী কারা? আলোচনা গবেষণা নিচে : আসবে inshlallh


সহকারী লেখক : মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ আমিন


Comments

Popular posts from this blog

হেযবুত তওহীদ’ ॥ মতবাদ, ভ্রান্তি ও অপকৌশল : একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা

সকল সংখ্যা বিভাগ লেখকবৃন্দ আপনার জিজ্ঞাসা পরিচিতি যোগাযো বর্ষ: ২১,   সংখ্যা: শাবান ১৪৪৬   |   ফেব্রুয়ারি ২‘হেযবুত তওহীদ’ ॥ মতবাদ, ভ্রান্তি ও অপকৌশল : একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা মাওলানা ফয়জুল্লাহ মুনির প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতির সাথে অতি দ্রুত পরিবর্তনশীল একটি সংগঠনের নাম ‘হেযবুত তওহীদ’ । বহুরূপী এই সংগঠনটির কার্যক্রম দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতেও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। যার দরুন অনেক সরলমনা মুসলমান না বুঝেই তাদের দলে যোগ দিয়ে বসছেন। অনেকেই তাদের চটকদার কথায় বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এসব দেখে ও শুনে কোনো কোনো সচেতন ভাই উলামায়ে কেরামের দ্বারস্থ হয়েছেন। জানতে চাইছেন ,  এরা কারা ?  কী তাদের উৎস ?  কেমন তাদের আকীদা-বিশ্বাস ?  আর ইসলামের নামে তারা যেসব কথা বলছে ,  এগুলোর বাস্তবতাই বা কতটুকু ? আমরা একেবারে গোড়া থেকে শুরু করছি। হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠা ও উৎস হেযবুত তওহীদ দলটির প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইলের মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। যিনি ছিলেন কলেজপড়ুয়া একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। আরবী ভাষা সম্পর্কে তার তেমন কোনো জ্ঞান ছিল না। আর কুরআ...

মাছের চামড়ার রহস্য !

মাছের চামড়া আর চিকিৎসাবিজ্ঞান: এক বিস্ময়কর আবিষ্কার! Publisher: Al-Fatiha Foundation Platform: Muslim World আমরা বাঙালি মুসলিমরা মাছ পেলে সেটাকে কেটে, রান্না করে খেয়ে ফেলি—মাছ আমাদের রান্নাঘরের অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় একটি খাবার। কিন্তু কখনো কি আমরা গভীরভাবে চিন্তা করেছি, এই মাছ নামক প্রাণীটিকে আল্লাহ তাআলা কেমন করে সৃষ্টি করেছেন? এর চামড়া, হাড়, পেশি, রক্তনালী—সবকিছু কী নিখুঁতভাবে কাজ করে! আমরা কেবল স্বাদে মগ্ন, অথচ এর ভেতরের গঠন ও কার্যকারিতায় এক অনন্য রহস্য লুকিয়ে আছে। আর এই রহস্য আবিষ্কারে নেমেছে পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীরা। তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন মাছের এমন এক উপকারিতা, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।                       কী সেই আবিষ্কার? সম্প্রতি একদল গবেষক আবিষ্কার করেছেন যে, তেলাপিয়া (Tilapia) মাছের চামড়া মানুষের দেহে পুড়ে যাওয়া ক্ষতস্থানে ব্যবহার করলে তা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। তারা সেই চামড়াকে এক ধরনের 'জীবন্ত ব্যান্ডেজ' হিসেবে ব্যবহার করছেন। এই মাছের চামড়া মানবচামড়ার মতোই কোলাজেন সমৃদ্ধ, নমনীয়, এবং...

হারিয়ে যাওয়া মুসলিম সভ্যতা | পর্ব ১

  হারিয়ে যাওয়া মুসলিম সভ্যতা পর্ব ১: আন্দালুস—যেখানে চাঁদ নামত মুসলিম মসজিদের গম্বুজে ✍️ লেখক: গাজী আমিনুল ইসলাম আল কাসেমী একটি সভ্যতা ছিল, যার সূর্য ডুবত না। যার ঘরে ঘরে ছিল জ্ঞানচর্চার আলয়। যার শহরে ছিল সুশৃঙ্খল রাস্তা, শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাজার হাজার পাণ্ডিত্যের উৎস। যেখানে মসজিদ ছিল লাইব্রেরি, হাসপাতাল ছিল ওয়াক্‌ফের অংশ, ও রাস্তায় রাত্রি জাগত বাতির আলো। সেই শহর, সেই ভূমি— আন্দালুস । 🌙 ইউরোপের বুকে এক মুসলিম জগত আজকের স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল এক সময় ছিল মুসলিমদের শাসিত এক গৌরবময় ভূমি। ৭১১ খ্রিস্টাব্দে তরিক ইবনে জিয়াদের অগ্নিশপথ দিয়ে যাত্রা শুরু, আর শুরু হলো এক বিস্ময়কর ইতিহাস—যা টিকেছিল প্রায় আট শতাব্দী। কর্ডোভা, গ্রানাডা, তোলে‌দো, সেভিল, আলমেরিয়া— এই শহরগুলো শুধু নাম নয়, একেকটা ছিল সভ্যতার একেকটি স্তম্ভ। ইউরোপ যখন ডুবে ছিল গোঁড়ামি, কুসংস্কার আর গির্জার আধিপত্যে, তখন আন্দালুস ছিল— গণশিক্ষার কেন্দ্র মহাকাশবিদ্যা, চিকিৎসা, গণিত ও দর্শনের স্বর্ণযুগ ইসলামী আধ্যাত্মিকতা ও শিল্পের চূড়ান্ত রূপ 🕌 কর্ডোভার সেই মহান রাত্রি ইতিহাসবিদরা লিখেছেন, কর্ডো...