ভ্লাদ ড্রাকুলা দ্য থার্ড : দ্য ইম্পেলার,দ্য ডেভিল এন্ড দ্য লেজেন্ড
পর্ব-১
প্রসঙ্গকথা:
১৪০২ সালে এশিয়ার সর্বশেষ দিগ্বিজয়ী আমির তাইমুরের হাতে বিধ্বস্ত হলো উসমানি সাম্রাজ্য। ইওরোপ জুড়ে তখন বইছে খুশির হাওয়া।খন্ড-বিখন্ড উসমানি সালতানাতের দূর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হতে লাগলো পূর্ব ইওরোপের রাষ্ট্রগুলো। তেমনি পিছিয়ে ছিলো না দক্ষিণ-পূর্ব ইওরোপের একটি রাষ্ট্র,ওয়ালাচিয়া।ওয়ালাচিয়ার তৎকালীন গভর্নর প্রিন্স মার্সিয়া দ্য এল্ডার নিজেকে শক্তিশালী করলেন বটে,উপরন্তু গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রতিপক্ষ মুসা বে'কে সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করলেন। মার্সিয়া দ্য এল্ডারের মৃত্যুর ঠিক ২৮ বছর পর ওয়ালাচিয়ার সিংহাসনে আগমন হলো এমন এক যুবরাজের,যে ওয়ালাচিয়া তো বটেই,বরং তাবৎ পৃথিবীতে স্মরণীয় হয়ে আছে।কোথাও প্রতিরোধ যুদ্ধের নায়ক হিশেবে, আর কোথাও দ্য ডেভিল হিশেবে।তুর্কিদের কাছে তিনি পরিচিত দ্য ইম্পেলার ডাকনামে। কে ছিলো সেই প্রিন্স! চলুন,আপনাদের নিয়ে যাই ১৫'শ শতাব্দীর ওয়ালাচিয়ার রাজদরবারে।
১- ওয়ালাচিয়ান ভূখন্ডে-
পূর্ব ও পূর্ব-দক্ষিণ ইওরোপের সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ নদী দানিয়ুব। বর্তমানে দানিয়ুবের আবেদন হ্রাস পেলেও প্রাচীনকালে এই নদী ছিলো ব্যবসা বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট। জার্মানির ন্যুরেমবার্গের ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে ইউক্রেন হয়ে ব্ল্যাক সি'তে মিশে যাওয়ার পূর্বে দানিয়ুব পানি পাড়ি দেয় অন্তত ১৮০০ মাইল।
এই দানিয়ুবের তীর ঘেষেই অবস্থিত ওয়ালাচিয়া। দক্ষিণে নদীর পাশে ঘন সবুজ জঙ্গল,তারপর বিস্তৃত সমভূমি।উত্তরে আছে ইওরোপের সর্ববৃহৎ পর্বতমালা কাপাথিয়ান পর্বতমালা।
ওয়ালাচিয়ার জমিনের আদি অবস্থা আমরা জানতে পারি ইতিহাসের স্রষ্টা গ্রিক পন্ডিত হিরোডোটাসের কাছ থেকে।হিরোডোটাসের বর্ণনায় ওয়ালাচিয়া দীর্ঘদিন শক্তিশালী রোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আসছিলো।কিন্তু,শেষ পর্যন্ত রোমানদের হাতে তাদের পতন হয় খ্রিষ্টপূর্ব ১০৬ এ।তারপর ১৬৫ বছর ধরে চলে রোমান রাজত্ব।রোমানদের সময় এই অঞ্চলকে ডাকা হতো ডাচিয়া নামে। সেখান থেকে ক্রমান্বয়ে ওয়ালাচিয়া' শব্দের উৎপত্তি।
রোমানদের এই রাজত্বের সময়টুকু বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারন, এই সময়ে ওয়ালাচিয়ার জনগন পুরোপুরি রোমান হয়ে উঠে।তাদের ভাষা হয় ল্যাটিন,পরবর্তীতে রোমানদের সাথে মিলেই তারা গ্রহণ করে নেয় ক্রিশ্চান ধর্মও।ল্যাটিন ভাষা ও ধর্মের মেলবন্ধনে ওয়ালাচিয়ান জাতির গঠন সম্পূর্ণ হয়। কিন্তু,ওয়ালাচিয়া তখনো ছিন্নভিন্ন একটি অঞ্চল মাত্র,পরিপূর্ণ রাষ্ট্র হয়ে উঠা তাদের বাকি ছিলো।
২- ওয়ালাচিয়ান রাষ্ট্রকল্প:
ওয়ালাচিয়া ছিলো কিংডম অব হাঙ্গেরির অধীন একটি অঞ্চল।হ্যাবসবার্গ পরিবারের অধীন হাঙ্গেরির রাজার প্রেরিত গভর্নর শাসন করতেন ওয়ালাচিয়া।এই শাসকের অফিশিয়াল উপাধি ছিলো 'ভইভড অব ওয়ালাচিয়া'।১৩১০ সালে ভইভড রাদু নেগ্রোকে সরিয়ে ওয়ালাচিয়ার ক্ষমতায় উঠে আসেন প্রিন্স বাসারব দ্য ফার্স্ট।
প্রিন্স বাসারব ছিলেন এক দুর্দান্ত শাসক।ওয়ালাচিয়ার জনগনের ধর্ম ছিলো অর্থোডক্স ক্রিশ্চানিটি।অন্যদিকে হাঙ্গেরির অফিশিয়াল ধর্ম ছিলো ক্যাথলিক ক্রিশ্চানিটি।প্রিন্স বাসারব ক্ষমতায় বসেই ধর্মকে শক্তিশালী করা আরম্ভ করলেন।ওয়ালাচিয়া জুড়ে অর্থোডক্স চার্চ তৈরি করা হলো,ক্যাথলিকদের বিরুদ্ধে প্রচারণা শুরু হলো।এর মধ্য দিয়ে প্রিন্সের উদ্দেশ্য ছিলো হাঙ্গেরির প্রভাবমুক্ত একটি স্বাধীন ওয়ালাচিয়ান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
বলা বাহুল্য,প্রিন্স বাসারব তার উদ্দেশ্যে সফল হয়েছিলেন পুরোপুরি।হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন।১৩৩০ সালে ব্যাটল অব পোসাডা'য় হাঙ্গেরির রাজা ক্যারোল রবার্টকে পরাজিত করে ওয়ালাচিয়া জুড়ে নায়ক বনে গেলেন তিনি।
প্রিন্স মারা গেলেন ১৩৫২ সালে।মারা যাওয়ার আগে ওয়ালাচিয়ান রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন।সেটি হচ্ছে,ফিউডাল বা সামন্ত নিয়োগ দেওয়া।আগেই উল্লেখ করেছি,ওয়ালাচিয়া ছিলো সমতল ভূমি,উত্তরের কাপাথিয়ান পর্বতমালা বাদে ওয়ালাচিয়ার প্রাকৃতিক ডিফেন্স সিস্টেম বলতে কিছু ছিলো না।তাই সৈন্যসামন্ত দিয়েই ওয়ালাচিয়ার ডিফেন্স সামলাতে হতো। প্রিন্স বাসারব ওয়ালাচিয়ার দীর্ঘ সীমান্ত জুড়ে কতিপয় মানুষকে বিশাল পরিমাণ জমিজমা দিয়ে আধাস্বায়ত্ব শাসন প্রদান করলেন।এদের প্রধান দায়িত্ব ছিলো বাণিজ্যিক রুট আর সীমান্ত পাহারা দেওয়া। ওয়ালাচিয়ান দাপ্তরিক নথিতে এদের কে উল্লেখ করা হয়েছে, 'The Boyars' হিশেবে।
দ্য বয়ার্স ওয়ালাচিয়ার অত্যাবশকীয় উপাদানে পরিণত হলো পরবর্তী ৩০০ বছরের জন্য।অনেকাংশে তারা কিং-মেকার হিশেবে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী ছিলো।
অন্যদিকে প্রিন্স বাসারবের ধর্মীয় প্রকল্প তথা ওয়ালাচিয়াকে অর্থোডক্স ক্রিশ্চানিটিতে রূপান্তর ও ক্যাথলিক হাঙ্গেরি থেকে মুক্ত হওয়ার প্রকল্প আলোর মুখ দেখলো ১৩৫৯ সালে,তার মৃত্যুর ৭ বছর পর।কনস্টান্টিনোপলের সর্বোচ্চ অর্থোডক্স চার্চ ওয়ালাচিয়ার চার্চকে স্বীকৃতি দিলো।
প্রিন্স বাসারবের মৃত্যুর ২৪ বছর পর ১৩৮৬ সনে ওয়ালাচিয়ার ক্ষমতায় আরোহন করেন তার পৌত্র মার্সিয়া দ্য এল্ডার। মার্সিয়া দ্য এল্ডারের হাত ধরে অবশেষে সমাপ্ত হয় 'ইউনিফিকেশন অব ওয়ালাচিয়া' বা ওয়ালাচিয়ার একত্তিকরণ।ক্যাথোলিক হাঙ্গেরি'র মতো শক্তিশালী শত্রুর বিরুদ্ধে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য মার্সিয়া দ্য এল্ডারের পতাকাতলে একে একে সমবেত হলো মুনটেনিয়া,ওলটেনিয়া,ডবুরজা,দক্ষিণ বেসারবিয়ার একাংশ,ডাচিস অব আমলাস এবং ফারাগাস অঞ্চল। ওয়ালাচিয়া পরিণত হলো একটি ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্রে,পরিপূর্ণ স্টেইট ইন্সটিটিউশনে।
৩-দ্য ডায়নামিক্স অব ওয়ালাচিয়া'
আমরা যে সময়ের কথা বলছি-১৫'শ শতাব্দীর কথা- তখন রোমানিয়ার জন্ম হয়নি।কিন্তু,হাঙ্গেরির কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করার চেষ্টায় ছিলো রোমানিয়ান অঞ্চলগুলো।রোমানিয়ান অঞ্চল বলতে মোট তিনটি অঞ্চলকে বুঝি আমরা।
১-ট্রান্সিলভানিয়া
২-মোলদাভিয়া
৩-ওয়ালাচিয়া
ওয়ালাচিয়ার স্বাধীনতার যাত্রা শুরু হয় ১৩১০ সালে প্রিন্স বাসারবের মাধ্যমে।অন্যদিকে মোলদাভিয়ার স্বাধীনতার সূচনা হয় ১৩৬০ সালে।প্রিন্স বাসারবের মতোই হাঙ্গেরি'র অনুমতি নিয়ে গভর্নর হিশেবে দায়িত্ব নেন প্রিন্স বোদগান দ্য ফার্স্ট।পরবর্তীতে তার হাত ধরেই স্বাধীন হয় মোলদাভিয়া।
অন্যদিকে আরেকটি অঞ্চল ট্রান্সিলভানিয়া ছিলো হাঙ্গেরির শক্ত নিয়ন্ত্রণে।ওয়ালাচিয়া আর মোলদাভিয়ার মতো স্বাধীনতা তাদের কপালে জোটেনি।
ওয়ালাচিয়া আর মোলদাভিয়া স্বাধীন হয়ে গেলও তাদের মাঝে শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল উত্তরাধিকার সূত্র গড়ে উঠেনি।বরং,মৃত রাজার ভাই,ছেলে,চাচা সবাই ছিলো সমানভাবে উত্তরাধিকারী।ফলে নবগঠিত রাষ্ট্রে উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ সর্বদা চলমান ছিলো।আর এর সুযোগ নিতো ট্রান্সিলভানিয়া,হাঙ্গেরি ও মোলদাভিয়া।বিশেষত,নিজেদের হারানো অঞ্চল হিশেবে ওয়ালাচিয়া'য় প্রভাব বিস্তারে যারপরনাই চেষ্টা করতে থাকে হাঙ্গেরি।
দেশের অভ্যন্তরে সিংহাসনের খেলায় মেতে থাকতো দ্য বয়ার্স নামে খ্যাত সামন্তরা।তাদের পেছনে কূটচাল যোগাতো হাঙ্গেরি ও মোলদাভিয়ার প্রিন্সরা। এমন পরিস্থিতিতে ওয়ালাচিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোটেই স্থিতিশীল ছিলো না। কিছুদিন পরপরই ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিবর্তন আসতো,কখনো বা হাঙ্গেরির আদেশে ওয়ালাচিয়ায় সামরিক অভিযান চালাতো ট্রান্সিলভানিয়া আর মোলদাভিয়ার প্রিন্সরা।
পরিস্থিতি এমন বাজে হয়েছিলো যে,মার্সিয়া দ্য এল্ডারের মৃত্যুর পর (১৪১৮) থেকে ১৪৭৬ সাল পর্যন্ত ৫৮ বছরে মোট ১১ জন শাসকের রদবদল হয় ওয়ালাচিয়ায়।এবং এখানে কারো মৃত্যু বা পতন স্বাভাবিক ছিলো না।
৪- দ্য ইমার্জেন্স অব অটোমানস :
১৩১০ সালে যখন ওয়ালাচিয়া স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র হওয়ার পানে গুটি গুটি পা করে এগিয়ে যাচ্ছিলো,তাদের থেকে শত মাইল দূরে নতুন আরেকটি সাম্রাজ্যের উদয় হচ্ছিলো।এশিয়ার আনাতোলিয়ায় জন্ম ও বেড়ে উঠার ফলে ইওরোপের কেউ তেমন মনযোগ দেয়নি এদের দিকে।কিন্তু,সবার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে ১৩৫৪ সালে উসমান গাজির নাতি সুলাইমান পাশার নেতৃত্বে উসমানিয়রা গ্যালিপলি পাড়ি দিলো।পা রাখলো ইউরোপিয়ান ভূখন্ডে।দার্দানেলিস পাড়ি দিলো,বলকান অভিমুখে নিজেদের ঘোড়া ছুটালো।
সুলাইমান পাশার পথ ধরে উসমানিয়রা ধীরে ধীরে পূর্ব ইওরোপে ত্রাস হয়ে আবির্ভূত হলো।পূর্ব ইওরোপের সাথে সর্বপ্রথম 'অল আউট ব্যাটল' হলো ১৩৮৯ সালে,কসোভায়৷ সুলতান প্রথম মুরাদ খানের নেতৃত্বে অটোমান আর্মি সার্বিয়া,বসনিয়ান সেনাবাহিনীকে বিধ্বস্ত করে ঐ অঞ্চলে নিজেদের শক্তিশালী ভিত্তি দাঁড় করায়।
কসোভার যুদ্ধে উসমানিয়রা জয়ী হওয়ার পর সর্বপ্রথম ওয়ালাচিয়ার সাথে উসমানিয়দের সংলাপ শুরু হয়।নতুন প্রভাবশালী শক্তি হিশেবে সুলতান বায়েজিদ খান ওয়ালাচিয়ার শাসক মার্সিয়া দ্য এল্ডারের কাছে কর দাবি করেন এবং অনুগত রাষ্ট্র হিশেবে নিজেদের স্বীকার করার আদেশ দেন।মার্সিয়া বায়েজিদ খানের দাবিকৃত কর আদায় করলেও ওয়ালাচিয়াকে উসমানিয়দের অনুগত অঞ্চল হিশেবে স্বীকার করেননি।
এর ফলে ক্রুদ্ধ বায়েজিদ খান কয়েকবছর পর ১৩৯৪ সালে ওয়ালাচিয়ায় অভিযান চালান।কিন্তু,রোভাইনের যুদ্ধে উসমানিয়দের পরাজয় উপহার দেন মার্সিয়া।উসমানিয়দের পরাজিত করার পর মার্সিয়া হাঙ্গেরির রাজার সাথে ঐক্যবদ্ধ হন ও নিকোপলিসের ক্রুসেডে অংশগ্রহণ করেন।
নিকোপলিসের ক্রুসেডে মার্সিয়া তার নিজস্ব ট্যাকটিক্স দিয়ে লড়াই করার আহ্বান জানান।যেহেতু,তিনি উসমানিয়দের ওয়ার-ট্যাকটিক্স সম্পর্কে বেশ ওয়াকিবহাল ছিলেন।কিন্তু,তাকে উপেক্ষা করা হয় এবং নিকোপলিসে সুলতান বায়েজিদ খান ইওরোপিয়ান আর্মিকে বিধ্বস্ত করেন।
এদিকে কিছুদিন পর আমির তাইমুরের কাছে উসমানিয়রা বিধ্বস্ত হলো,ইওরোপ কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো বটে।মার্সিয়ার নেতৃত্বে ওয়ালাচিয়াও শক্তিশালী হয়ে উঠলো।তিনি বায়েজিদ খানের ছোটোপুত্র মুসাকে সেনাবাহিনী দিয়ে সাহায্য করলেন।কিন্তু,মেহমেদ খানের কাছে মুসা পরাজিত হলো।উসমানিয়দের নবজন্ম হলো মেহমেদ খানের হাত ধরে।
মুসাকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করায় ওয়ালাচিয়ার উপর ক্ষেপেছিলেন সুলতান প্রথম মেহমেদ খান।তাই সিংহাসনে বসার পরপরই দানিয়ুবের তীরবর্তী বেশ কয়েকটি ওয়ালাচিয়ান দূর্গ কেড়ে নিলেন সুলতান।ওয়ালাচিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শহর দবুরজা দখল করে সেটাকে উসমানিয় ভুখন্ড হিশেবে ঘোষনা দিলেন।উপরন্তু,মার্সিয়া দ্য এল্ডার বাৎসরিক ৩,০০০ ডুকাট স্বর্ণমুদ্রা দিতে বাধ্য হলো।অন্যদিকে উসমানি সুলতান ওয়ালাচিয়াকে হাঙ্গেরি বা ট্রান্সিলভানিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিলেন।
১৪১৫ সালের এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো উসমানিয় সাম্রাজ্য ও ওয়ালাচিয়ার মাঝে একটি উপযুক্ত বোঝাপড়া তৈরি হয়।যেখানে ওয়ালাচিয়া উসমানিয়দের কর দিলেও পুরোপুরি অনুগত রাষ্ট্র হবে না,অন্যদিকে উসমানিয়রা তাদেরকে বহিঃশত্রু থেকে রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয়।
Sources:
1: Essays on the Life and Times of Vlad the Impaler
Edited by Kurt W. Treptow. United States,Histria Books.
2. Vlad III Dracula : The Life and Times of the Historical Dracula by Kurt W. Treptow.Published by The Center for Romanian Stidies
3. History of Mehmed The Conquerer bybKritovoulos, translated from Greek. New Jersey, 1954
সর্বসত্ব সংরক্ষিত: ©Al fatiha foundation™

Comments