ইয়াজুজ ও মাজুজ অবস্থান সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ধারণা:
লেখক: গাজী আমিনুল ইসলাম আল কাসেমী
🟥 ইতিহাস ও ভৌগোলিক অবস্থান নিয়ে ধারণা:
ইয়াজুজ ও মাজুজ সম্পর্কে কুরআনে ও হাদীসে সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান উল্লেখ না থাকলেও, বিভিন্ন মুফাসসির ও ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বেরা কিছু অনুমান করেছেন।
ক. ইবনে কাসির (রহমত উল্লাহ আলাইহি) ও অন্যান্য মুফাসসিরগণ বলেন:
ইয়াজুজ-মাজুজ আদিতে ছিল জালিম ও ধ্বংসকারী এক জাতি।
তারা চীনের সীমান্তবর্তী কোনো স্থানে বাস করতো।
যুল-কারনাইন সম্ভবত ককেশাস পর্বতের (Caucasus Mountains) মাঝে এক বিশাল প্রাচীর নির্মাণ করেছিলেন।
অনেকে একে আজারবাইজান ও জর্জিয়ার মধ্যকার “দারিয়াল গিরিপথ” (Darial Gorge) হিসেবে চিহ্নিত করেন।
চীনের প্রাচীর ও দারিয়াল গিরিপথের প্রাচীর এর সাথে দুইটা আলাদা জাতির সম্পর্ক ছিলো তারা হচ্ছে আদিম গোকতার্কিক জাতি থেকে আগত মংগল তাতার, হানস ও খাজার এরা উভয়ই ইয়াজুজ-মাজুজ এবং এরা ইউরোপ ও এশিয়ার সকল স্থানে ছড়িয়ে পরে ছিলো।
এদের থেকে দুইটা আলাদা জাতির শাসন ব্যবস্থার আভির্বাব হয় সেকুলার ধর্মহীন গনতন্ত্রবাদ ও সমাজতন্ত্রবাদ।
কিছু ইংগিত পেতে লিংক :
https://youtu.be/VYa9lPu60xY?si=5DypoS-7ayAxWHuns
আদিম গোকতার্কিক ও ইয়াভুজ জাতির ইংগিত লিংক
https://en.wikipedia.org/wiki/Yavuz
🟥 “যুল-কারনাইনের প্রাচীর” কোথায়?
দুটি প্রধান ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে আলোচনা রয়েছে:
১. দারিয়াল গিরিপথ (Darial Pass):
এটি ককেশাস অঞ্চলের দুটি পর্বতের মাঝখানে।
রাশিয়া ও জর্জিয়ার মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত।
এখানে একসময় লোহার ও তামার প্রাচীর থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। যেই পর্বত প্রাচীরের অপর পাশে কিছু শক্তিধর সাম্রাজ্যের ইতিহাস পাওয়া যাচ্ছি যা এখন মানুষ জানতে পারছে অথচ এদের ব্যাপারে আমরা ইউরোশিয়ান বেল্টের সংযুক্ত কেউই খুব একটা কিছু জানতাম না।
উল্লেখ্য যে কুরআনের বর্ননার সাথে উপরের "দারিয়াল পাস" অঞ্চলটির অধিক মিল পাওয়া যায়, আবার ইরান ও রাশিয়ার দারবান্দ অঞ্চলেটির সাথেও মিল আছে তবে আশ্চর্য বিষয় হচ্ছে অপর পাশের উত্তরে যে সাম্রাজ্যের ইতিহাস বর্তমানে উঠে আসছে তারা মুলত প্রাচীন গোক তার্কিক থেকে আগত জাতিদেরই সাম্রাজ্য।
২. “The Great Wall of China” (চীনের মহাপ্রাচীর):
কেউ কেউ মনে করেন, চীনের এই বিশাল প্রাচীরও ইয়াজুজ-মাজুজের আক্রমণ ঠেকাতে বানানো হয়েছিল। অবশ্যই আক্রমণকারী দল খাজার,হান, মংগোলিয়ানদের সাথে এই প্রাচীর এর সম্পর্ক আছে এবং ইতিহাস তাদের ইয়াজুজ-মাজুজ হিসেবে চিনহিত করে।
তবে এ ধারণাটি কিছু ঐতিহাসিকভাবে দুর্বল বলেন কারণ এটি চীনাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষার জন্য বানানো হয়েছিল। তবে যাদের কাছ থেকে আত্মরক্ষায় প্রাচীর বানানো হয়েছিলো আদিতে তাদের সম্পর্ক প্রাচিন ভয়ংকর গোকতার্কিক জাতি(খাজার,হানস,মংগল তাতার) ইতিহাস বিশ্লেষণে তাদের পরিচয় উঠে আসে। তবে আশ্চর্যের বিষয় তাদের ইতিহাস ইউরোপ, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যে সহ কারো কাছেই খুব একটা পরিচিত নয়।
*** 🙄আমার প্রশ্ন কেনো তাদের আদিম ইতিহাস কারো কাছে পরিচিত নয়।
কারন হতে পারে যুলকারনাইন দুই পর্বতের মাঝে প্রাচীর নির্মাণ করে এদেরকেই আটকে দিয়ে ছিলেন তাই এদের প্রাচীন ইতিহাস আমাদের কাছে পরিচিত নয়।
নিজে গবেষণার জন্য এদের ইতিহাস সম্পর্কে ধারনা পেতে দেখতে পারেন:
https://en.wikipedia.org/wiki/First_Turkic_Khaganate
https://m.youtube.com/watch?v=MpID_FAzmRk
https://youtu.be/54o50Gl3D0I?si=e1ey0IaeSkzPRvpY
https://en.wikipedia.org/wiki/Huns
https://en.wikipedia.org/wiki/Yavuz
🟥 আধুনিক গবেষকদের মত:
অনেকে মনে করেন ইয়াজুজ-মাজুজ একটি প্রতীকী নাম হতে পারে যারা এমন জাতি যারা ধর্মের উপর ইমান রাখে না, যা ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাপী এক বড় ফিতনা হত্যাযোগ্য বা ধ্বংসাত্মক শক্তিকে বোঝায়, যাদের সাথে যুদ্ধ করার ক্ষমতা মুসলিমদের থাকবে না।
( বর্তমান সেকুলার গনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক পরাশক্তি)।
আবার কেউ কেউ তাদেরকে কোনো বিশেষ জাতিগোষ্ঠী বা বার্বারিক উপজাতি হিসেবে দেখেছেন — যেমনঃ খাজার, মঙ্গোল, তাতার, হুন ইত্যাদি।
( উপরের উভয় সত্য,কারন একই দিকে ইংগিত করে)।
যদিও এরা ফিতনা করেছিল, তবে এগুলো ইয়াজুজ-মাজুজ ছিল কিনা, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না।
🟥 ৪. মানচিত্রে সম্ভাব্য অঞ্চলগুলো:
[টেক্সট-ভিত্তিক বর্ণনা]
মধ্য এশিয়া → ককেশাস পর্বতমালা → জর্জিয়া-রাশিয়া সীমান্ত
চীনের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান ইত্যাদি অঞ্চলেও সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
সম্ভাব্য অঞ্চলের ধারণা পেতে:
https://en.wikipedia.org/wiki/First_Turkic_Khaganate
🟥 ৫ .ইয়াজুজ ও মাজুজের সংখ্যা কত হবে?
হাদিসে এসেছে যে, ইয়াজুজ ও মাজুজের সংখ্যা হবে অসংখ্য এবং অগণিত। ১০০০ এর মধ্যে ৯৯৯ জন হবেন।
বর্তমান সেকুলার(ধর্মহীন) গনতন্ত্রবাদী ও সমাজতন্ত্রবাদী বিশ্ব পরাশক্তির অনুসারী মানুষের সং্খা বিশ্ব সৃষ্টির পর থেকে সকল মানুষ এর সংখ্যার প্রায় ৯৯ শতাংশ।
▶ হাদিস:
রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
"কিয়ামতের দিন আল্লাহ আদম (আ.)-কে বলবেন: ‘হে আদম! তোমার বংশধরদের মধ্য থেকে জাহান্নামের জন্য নির্দিষ্ট অংশ বের করো।’ তখন আদম (আ.) বলবেন, ‘হে রব! কতজনকে?’ আল্লাহ বলবেন, ‘প্রতি এক হাজারে ৯৯৯ জন।’ তখন সাহাবিরা বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে আমাদের অবস্থা কী হবে?’ তিনি বললেন, ‘সুসংবাদ গ্রহণ করো, কেননা তোমাদের মধ্যে একজন, আর ইয়াজুজ ও মাজুজ থেকে ৯৯৯ জন।’"
(সহিহ বুখারি: ৬৫৩০, সহিহ মুসলিম: ২২২)
এ থেকে বোঝা যায়, তাদের সংখ্যা হবে এত বেশি যে দুনিয়ার অন্যান্য (ইমানদারদের) মানুষদের তুলনায় তারা এক বিশাল জনগোষ্ঠী গঠন করবে।বর্তমান তাদের অনুসারীদের নিয়ে হিসাব হাদিসের হিসাবের সমন্বয় মিল পাওয়া যায়।
🟥 ৬.তারা যেভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে?
যখন তারা বের হয়ে আসবে, তখন তারা পৃথিবীর সকল সম্পদ ধ্বংস করবে এবং মানবজাতির জন্য এক বড় বিপদ হয়ে দাঁড়াবে। ব্যপক হত্যাযজ্ঞ চালাবে। কারন এরাই বিশ্বে সকল মানব বিধংশী অশ্রের আবিস্কার করেছে এবং এরাই এসব ধংসাত্বক অশ্রের মালিক।
(যেমন পারোমানোবিক বোমা, ক্যমিকেল বোমা,হাইড্রোজেন বোমা যা পুরো বিশ্বের মানব ধংশের জন্যই).
▶ তারা যা করবে:
বিশাল দল বেঁধে বিভিন্ন এলাকা আক্রমণ করবে।(পরাশক্তি জোট)।
নদী, জলাশয় ও পানির উৎস শুকিয়ে ফেলবে।
(এরাই বিদ্যুৎ ও প্রকল্পের নামে নদ নদীতে বাধ দিয়ে ধংশ করে ফেলেছে বিভিন্ন জলাশয় যা এদের পুর্বে পৃথিবীতে ঘটেনি)
ফসল, গবাদি পশু, বনজ সম্পদ সব ধ্বংস করবে।
মানুষ তাদের ভয়ে পাহাড়-পর্বত, দুর্গ ও ঘরে লুকিয়ে থাকবে।
(এরা আকাশ থেকে বোমা বর্ষন করে সব ধংশ করে ফেলে).
▶তারা ব্যপক হত্যাযজ্ঞ চালাবে:
আদিতে মংগল,হানস তাতার ও খাযাররা ব্যপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে আর এখন দুই পড়াশক্তির জোট দুটি সেকুলার ধর্মহীন গনতন্ত্রবাদী ও সমাজতন্ত্রবাদী জাতির জোট হতে পারে।
লক্ষ করুন বিশ্বের সকল বড় ফেতনায় জাতী হিসেবে বর্তমান এই দুই জাতীগোষ্ঠির জোট ও অনুসারীদেরই পাবেন। যারা দুটি বড় বিশ্বযুদ্ধ ঘটিয়েছে অগনিত মানুষ হত্যা করেছে যা পৃথিবীর ইতিহাসে ইতিপূর্বে ঘটেনি আবার তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ ঘটিয়ে বিশ্বের অর্ধেক মানুষকে ধংশ করবে আশংকা করা হচ্ছে।
▶ তারা ঈসা (আ.) ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চাইবে।
▶ হাদিস:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
"তারা এত বিশাল সংখ্যায় হবে যে, যখন তারা তাবারিয়া হ্রদ (বর্তমান ইসরায়েলের একটি বড় হ্রদ) অতিক্রম করবে, তখন প্রথম দলটি এর সমস্ত পানি পান করে ফেলবে।(ইতিমধ্যে ইস্রাইল এর সেকুলার গনতন্ত্রবাদী ইহুদি খ্রিস্টানরা শেষ করে ফেলছে ও হত্যাকাণ্ড ও দখলদারী চালিয়ে যাচ্ছে ).
পরবর্তী দল যখন আসবে, তখন তারা বলবে, ‘এখানে তো একসময় পানি ছিল।’"
(এদের পরে যারা এখানে প্রবেশ করবে তারা এই কথাটি বলবে).
(সহিহ মুসলিম: ২৯৩৭)
৭.তারা ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে কিনা?
তারা যখন দুনিয়ায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে, তখন ঈসা (আলাইহিস সালাম) এবং তার অনুসারীরা পাহাড়ে আশ্রয় নেবেন।
( তারা ইসা: আ: ও মুসলমানদের শাসন ব্যবস্থা খিলাফত ধংশ করতে আসবে কারন দাজ্জাল সেকুলারদের প্রভু হবে ,যাকে ইসা: আ: হত্যা করে ফেলবে। নিশ্চিত ইয়াজুজ-মাজুজ দাজ্জালের বাহিনী, না হলে ইসা: আ: দাজ্জাল কে হত্যা করলে কেনো তারা ইসা: আ: কেই হামলা করতে আসবে। নবী ইসা: আ: এর সাথে তাদের শত্রুতা কি?).
▶ তাদের দম্ভপূর্ণ উক্তি:
তারা আকাশের দিকে তীর ছুঁড়ে বলবে: "আমরা দুনিয়ার সব মানুষকে পরাজিত করেছি, এখন আকাশের উপর লড়াই করব!"
(তারা তুর্কীতে ১৯২৪ সালে ইসলামের খিলাফত শাসন ব্যবস্থা ধংশ করে বিভিন্ন স্থানের রাজাদের পরাজিত করে বর্তমানে বিশ্ব তাদের নিয়ন্ত্রনে সেকুলার গনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে, সারা বিশ্ব এখন তাদের অনুসারী তাদের নিয়ন্ত্রণে, তাই এখন আকাশের নিয়ন্ত্রনের জন্য আকাশে মহাকাশ যান ও রকেট নিক্ষেপ করছে).
হাদিস:
"আল্লাহ তাদের পরীক্ষার জন্য তীরগুলো রক্তমাখা করে ফিরিয়ে দেবেন।"
(২০০৩ সালে (তীর) বা রকেটে করে ফিরে আসার সময় কল্পনা চাওলা ও তার দল রক্তাক্ত হতাহত হয়ে মৃত্যুবরন করে পৃথিবীতে ফিরে আসে, হতে পারে সেই ঘটনা, এমন ঘটনা আবার ঘটতে পারে কারন জাবলে নুর পর্বতে ইস্রাইল আমেরিকা সম্প্রতি আবার আরোহন করছে )।
▶তাদের ধ্বংস:
আল্লাহ তাদের ঘাড়ে এক বিশেষ রোগ বা কীটপতঙ্গ প্রেরণ করবেন, যা তাদের দ্রুত ধ্বংস করে দেবে।
(বর্তমান বিশ্ব সাস্থসংস্থা ও সেকুলাররা করোনার চাইতে অনেক বেশী শক্তিশালী আরো মহামারী বিস্বব্যপী ছড়িয়ে পরার কথা প্রায়ই বলছে, এমনই একটা ভয়াবহ মহামারী সংক্রামক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই সেকুলার ইয়াজুজ-মাজুজ এর মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে তাদের ধংশ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ)
৮.তাদের মৃত্যুর পর কী হবে?
ইয়াজুজ ও মাজুজের লাশগুলো এত বেশি হবে যে, পৃথিবী দুর্গন্ধে ভরে যাবে।
আল্লাহ একদল বিশেষ পাখি পাঠাবেন যারা তাদের মৃতদেহগুলো সরিয়ে নেবে।
(বিমান করে হতে পারে যারা অবশিষ্ট বেচে থাকবে, তারাই হয়তো সেই সব লোকালয় থেকে লাস গুলো বিমানে উঠিয়ে ফেলে দিবেন যার কিছু নিদর্শন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সময় আমাদের দেখিয়েছেন)।
তারপর প্রবল বৃষ্টি হবে, যা পৃথিবীকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দেবে।
▶ হাদিস:
"এরপর আল্লাহ এমন বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, যা সমস্ত জমিন ধুয়ে দিবে এবং পৃথিবী আবার সবুজ-শ্যামল ও বসবাসের উপযোগী হয়ে যাবে।" (সহিহ মুসলিম: ২৯৩৭)
৯. পৃথিবীতে শুধু ইসলাম থাকবে ইসা: আ: ৪০ বছর রাজত্ব করবেন।
(মানে ইয়াজুজ-মাজুজ অর্থাৎ সেকুলার গনতন্ত্র সমাজতন্ত্র ধংশ করে একটাই শাসন ব্যবস্থা ইসলামের খিলাফত দিয়ে সারাবিশ্ব ইসা: আ: সাল্লাম ৪০ বছর শাসন করবেন এবং সবাই ইসলামের শাসন ব্যবস্থার ছায়াতলে আসবে বিশ্ব আল্লাহর দ্বীনের রহমত বরকতে পরিপূর্ণ হবে).
🟥 ইয়াজুজ ও মাজুজের ঘটনা আমাদের জন্য কী শিক্ষা দেয়?
কিয়ামতের আলামতগুলো একের পর এক প্রকাশিত হবে।
দুনিয়ার ক্ষমতা ও সম্পদ চিরস্থায়ী নয়, সবকিছু আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয়।
আল্লাহর প্রতি অবিচল ঈমান আনতে হবে, কারণ কিয়ামতের দিন শুধু ঈমানদাররাই সফল হবে।
আমাদের ইসলামের পথে চলতে হবে এবং দোয়া করতে হবে যেন আল্লাহ আমাদের কিয়ামতের কঠিন পরীক্ষাগুলো থেকে রক্ষা করেন
-----------
আরো কিছু বিশ্লেষণ আলোচনা করা হয়েছে নিচের লিংকে (গবেষণা মুলক ভিন্ন মত থাকতে পারে বিস্তারিত গবেষণা চলছে).
সহকারি লেখক: মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ আমিন

Comments