Skip to main content

রাতে একা একা হাটলে যদি বুঝেন আপনার পিছনে কেউ আছে


 

নিজে জানুন, অন্যকে জানান 👇

🔹 ১/ রাতে একা একা হাটলে যদি বুঝেন আপনার পিছনে কেউ আছে —


ঘাড় ঘুরাবেন না, পুরো শরীর ঘুরিয়ে দেখুন।

আর পিছনে না তাকানোই উত্তম।


🔹 ২/ ঘরে, মসজিদে বা বিছানায় সাপ দেখলে প্রথমে মারবেন নাহ —


চলে যেতে বলবেন।

কারণ জ্বীনেরা সাপের রুপ ধারণ করতে পছন্দ করে।


না গেলে বুঝবেন ওটা সাপ,


তখন মারতে পারেন বা তাড়িয়ে দিন।


🔹 ৩/ যদি রাতে কখনো দেখেন গাছের ডাল বা বাঁশ ঝুকে আছে —


এর উপর বা নিচ দিয়ে যেতে চেষ্টা করবেন নাহ।

সুরা ইখলাস পাঠ করুন।


🔹 ৪/ গভীর রাতে ঘরের বাহির থেকে কেউ একবার ডাকলে সাড়া দিবেন না।


তিনবার ডাকলে সতর্কতার সহিত বের হোন।


🔹 ৫/ যদি কখনো গাছের ডগায় বা ডালে অস্বাভাবিক কিছু দেখতে পান —


দ্বিতীয় বার না তাকিয়ে

মাটির দিকে তাকিয়ে চলে যান।


🔹 ৬/ যদি রাতে আপনার রুমে এসে দেখেন


আপনিই আপনার রুমে বসে আছেন —

ভয় না পেয়ে চোখ বন্ধ করে আয়াতুল কুরসি পড়বেন,

তারপর চোখ খুলুন।

এটা আপনার সাথে থাকা (কারিন জ্বীন)।


🔹 ৭/ রাতে কখনো চিত হয়ে ঘুমাবেন নাহ।


আর যদি ভয়ের স্বপ্ন দেখেন —


বুকের বাম পাশে তিনবার থুথু ফেলবেন।


(বুখারী)


🔹 ৮/ পুকুরে বা নদীতে গোসল করার সময়


যদি কেউ আপনার পা টেনে নিচের দিকে নিয়ে যায় এমন বুঝেন —

প্রথমে চিৎকার দিবেন।

পরে কষ্ট হলেও দোয়া ইউনুস পাঠ করুন।

পানির নিচে জ্বীন বাস করে।


🔹 ৯/ যদি রাতে কখনো দেখতে পান


কুকুর বা বিড়াল আপনার সাথে অস্বাভাবিক আচরণ করছে —

সাথে সাথে মাটিতে একটা বৃত্ত একে

তার ভিতরে দাড়িয়ে যান

আর দোয়া ইউনুস পাঠ করুন।


🔹 ১০/ যদি কখনো রাতের বেলায় পথ হারিয়ে ফেলেন


বা একি রাস্তায় বারবার চলে আসেন

বা গন্তব্য মনে পড়ছে নাহ —

আজান দিবেন, ঠিক হয়ে যাবে।

গয়রান- নামক জ্বীন আপনাকে ঘোরাচ্ছে।


🔹 ১১/ রাতে ঘুমের মধ্যে যদি দেখেন


আপনার বুকে কেউ ভর করে আছে —

চিৎকার দিবেন নাহ, লাভ নেই।

কারণ আপনার চিৎকার কেউ শুনতে পাবেনা।

আপনার জানা যেকোনো সুরা বা আয়াত পাঠ করুন।


🔹 ১২/ মরা মানুষের আত্মা আপনার সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে


এমন কিছু ঘটলে ভয় না পেয়ে আয়াতুল কুরসি পড়বেন।

জ্বীনেরা এমনটা করে থাকে।

শুধু সালাম দিয়ে চলে যান।


🔹 ১৩/ কবরস্থান পবিত্র জায়গা হলেও


সেখানে (ঘুল) নামক জ্বীন থাকে।

সতর্ক হওয়া উচিত।


🔹 ১৪/ আয়নার মধ্যে জ্বীন প্রবেশ করতে পারে,


তাই পর্দা দিয়ে রাখবেন।

বাতরুমের আয়না রাতে না দেখা ভালো।


🔹 ১৫/ যদি কখনো দেখেন

আপনি মিষ্টি জাতীয় কিছু খাচ্ছেন

পিঠা বা অন্য কিছু —

সামনে বিড়াল খেতে চাচ্ছ




Comments

Popular posts from this blog

হেযবুত তওহীদ’ ॥ মতবাদ, ভ্রান্তি ও অপকৌশল : একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা

সকল সংখ্যা বিভাগ লেখকবৃন্দ আপনার জিজ্ঞাসা পরিচিতি যোগাযো বর্ষ: ২১,   সংখ্যা: শাবান ১৪৪৬   |   ফেব্রুয়ারি ২‘হেযবুত তওহীদ’ ॥ মতবাদ, ভ্রান্তি ও অপকৌশল : একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা মাওলানা ফয়জুল্লাহ মুনির প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতির সাথে অতি দ্রুত পরিবর্তনশীল একটি সংগঠনের নাম ‘হেযবুত তওহীদ’ । বহুরূপী এই সংগঠনটির কার্যক্রম দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতেও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। যার দরুন অনেক সরলমনা মুসলমান না বুঝেই তাদের দলে যোগ দিয়ে বসছেন। অনেকেই তাদের চটকদার কথায় বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এসব দেখে ও শুনে কোনো কোনো সচেতন ভাই উলামায়ে কেরামের দ্বারস্থ হয়েছেন। জানতে চাইছেন ,  এরা কারা ?  কী তাদের উৎস ?  কেমন তাদের আকীদা-বিশ্বাস ?  আর ইসলামের নামে তারা যেসব কথা বলছে ,  এগুলোর বাস্তবতাই বা কতটুকু ? আমরা একেবারে গোড়া থেকে শুরু করছি। হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠা ও উৎস হেযবুত তওহীদ দলটির প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইলের মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। যিনি ছিলেন কলেজপড়ুয়া একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। আরবী ভাষা সম্পর্কে তার তেমন কোনো জ্ঞান ছিল না। আর কুরআ...

মাছের চামড়ার রহস্য !

মাছের চামড়া আর চিকিৎসাবিজ্ঞান: এক বিস্ময়কর আবিষ্কার! Publisher: Al-Fatiha Foundation Platform: Muslim World আমরা বাঙালি মুসলিমরা মাছ পেলে সেটাকে কেটে, রান্না করে খেয়ে ফেলি—মাছ আমাদের রান্নাঘরের অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় একটি খাবার। কিন্তু কখনো কি আমরা গভীরভাবে চিন্তা করেছি, এই মাছ নামক প্রাণীটিকে আল্লাহ তাআলা কেমন করে সৃষ্টি করেছেন? এর চামড়া, হাড়, পেশি, রক্তনালী—সবকিছু কী নিখুঁতভাবে কাজ করে! আমরা কেবল স্বাদে মগ্ন, অথচ এর ভেতরের গঠন ও কার্যকারিতায় এক অনন্য রহস্য লুকিয়ে আছে। আর এই রহস্য আবিষ্কারে নেমেছে পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীরা। তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন মাছের এমন এক উপকারিতা, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।                       কী সেই আবিষ্কার? সম্প্রতি একদল গবেষক আবিষ্কার করেছেন যে, তেলাপিয়া (Tilapia) মাছের চামড়া মানুষের দেহে পুড়ে যাওয়া ক্ষতস্থানে ব্যবহার করলে তা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। তারা সেই চামড়াকে এক ধরনের 'জীবন্ত ব্যান্ডেজ' হিসেবে ব্যবহার করছেন। এই মাছের চামড়া মানবচামড়ার মতোই কোলাজেন সমৃদ্ধ, নমনীয়, এবং...

হারিয়ে যাওয়া মুসলিম সভ্যতা | পর্ব ১

  হারিয়ে যাওয়া মুসলিম সভ্যতা পর্ব ১: আন্দালুস—যেখানে চাঁদ নামত মুসলিম মসজিদের গম্বুজে ✍️ লেখক: গাজী আমিনুল ইসলাম আল কাসেমী একটি সভ্যতা ছিল, যার সূর্য ডুবত না। যার ঘরে ঘরে ছিল জ্ঞানচর্চার আলয়। যার শহরে ছিল সুশৃঙ্খল রাস্তা, শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাজার হাজার পাণ্ডিত্যের উৎস। যেখানে মসজিদ ছিল লাইব্রেরি, হাসপাতাল ছিল ওয়াক্‌ফের অংশ, ও রাস্তায় রাত্রি জাগত বাতির আলো। সেই শহর, সেই ভূমি— আন্দালুস । 🌙 ইউরোপের বুকে এক মুসলিম জগত আজকের স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল এক সময় ছিল মুসলিমদের শাসিত এক গৌরবময় ভূমি। ৭১১ খ্রিস্টাব্দে তরিক ইবনে জিয়াদের অগ্নিশপথ দিয়ে যাত্রা শুরু, আর শুরু হলো এক বিস্ময়কর ইতিহাস—যা টিকেছিল প্রায় আট শতাব্দী। কর্ডোভা, গ্রানাডা, তোলে‌দো, সেভিল, আলমেরিয়া— এই শহরগুলো শুধু নাম নয়, একেকটা ছিল সভ্যতার একেকটি স্তম্ভ। ইউরোপ যখন ডুবে ছিল গোঁড়ামি, কুসংস্কার আর গির্জার আধিপত্যে, তখন আন্দালুস ছিল— গণশিক্ষার কেন্দ্র মহাকাশবিদ্যা, চিকিৎসা, গণিত ও দর্শনের স্বর্ণযুগ ইসলামী আধ্যাত্মিকতা ও শিল্পের চূড়ান্ত রূপ 🕌 কর্ডোভার সেই মহান রাত্রি ইতিহাসবিদরা লিখেছেন, কর্ডো...