Skip to main content

Posts

মৃতোরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মারা গেছে ?

 ⛔ মৃতোরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মারা গেছে?   "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!!"          মৃত ব্যক্তি বুঝতে পারে না যে সে শুরুতেই মারা গেছে। মৃত্যু পরবর্তী ----আত্মীয় স্বজনের কান্নাকাটি, গোসল, কাফনের কাপড় পরানো    এমন কি তাকে কবরস্থ করা পর্যন্ত  নিজেকে সে মনে করে মৃত্যুর স্বপ্ন দেখছে। তার মনে সবসময় স্বপ্ন দেখার ছাপ থাকে। তখন সে চিৎকার করে কিন্তু কেউ তার চিৎকার শুনতে পায় না।  পরবর্তীতে, যখন সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং মাটির নিচে একা থাকে, আল্লাহ তার আত্মাকে পুনরুদ্ধার করেন। সে তার চোখ খোলে এবং তার "খারাপ স্বপ্ন" থেকে জেগে ওঠে। প্রথমে তিনি খুশি এবং কৃতজ্ঞ যে তিনি যা দেখেছিলেন তা কেবল একটি দুঃস্বপ্ন ছিল এবং এখন সে তার ঘুম থেকে জেগে উঠেছে। তারপর সে তার শরীরকে স্পর্শ করতে শুরু করে, যা সবেমাত্র একটি কাপড়ে মোড়ানো হয়েছে, অবাক হয়ে প্রশ্ন করে; "আমার জামা কোথায়, আমার অন্তর্বাস কোথায়?" তারপর তিনি বলতে থাকেন: " আমি কোথায়, এই জায়গাটি কোথায়, কেনো সর্বত্র ময়লা-কাদার গন্ধ, আমি এখানে কী করছি?    তারপর সে বুঝতে শ...

ভারতবর্ষে বেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই যার অন্যতম লক্ষ্য ছিল ?।

 -আর্যসমাজ—নাম শুনলেই মনে পড়ে এমন এক ধুরন্ধর অপপ্রচারকারী হিন্দুধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে, যাদের অপপ্রচারের জবাবে বিতর্ক করতে চাইলে টালবাহানা করে নানা শর্তারোপ করে এবং তর্কে এঁটে উঠতে না পারলে গালিগালাজ করে উধাও হয়ে যায়। এটা আর্যসমাজীদের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধুমাত্র বর্তমান যুগের আর্যসমাজীরা যে এমন ধুরন্ধর তা কিন্তু নয়; আর্যসমাজের প্রতিষ্ঠা স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীও বড় মাপের ধুরন্ধর ছিল। আজ তার লেজ গুটিয়ে পালানোর কাহিনী সম্পর্কে একটু আলোকপাত করব। -ব্রিটিশ-ভারত। গোলামীর শিকলে ভারতবর্ষ আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। ভারতবর্ষের এমন দুর্দিনে আবির্ভাব ঘটে এক নয়া হিন্দুত্ববাদী শক্তির। আর্যসমাজ—স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী যার প্রতিষ্ঠাতা। ভারতবর্ষে বেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই যার অন্যতম লক্ষ্য। এই লক্ষ্যের প্রধান প্রতিবন্ধক মুসলিম জনগোষ্ঠী। সুতরাং, স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী তার পূর্ণ শক্তি নিয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুসলিমের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর কোনো সুযোগই সে হাতছাড়া করত না। লেখালেখি, বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে সে ইসলামবিদ্বেষ ছড়িয়ে যেতে থাকে।  -১৮৭৮ ঈসাব্দের ২৯ জুলাই। স...

কবরের পাশে বসে আছে যে মেয়েটি।

 কবরের পাশে বসে আছে যে মেয়েটি। এটি অন্য কোনো মেয়ে নয়",এটি আমার একমাত্র বোন খাদিজা আক্তার (হুমায়রা) গত ৪ তারিখ আমার বোনের স্বামী রোড এক্সিডেন্টে ইন্তেকাল করেছেন। আমার বোনের হাজবেন্ড ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর একটি থানার সেক্রেটারি; তিনি নিজ থানার একজন রুকন ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে মূলত নিজে প্রাণ হারালেন। আর এরাই হলো ইসলামী আন্দোলনের কর্মী।  আমার বোন এ মৃ-ত্যু কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেনা🥲🥲 স্বামীর মৃ-ত্যুর খবর শুনে হুঁশ হারিয়ে প্রায় ৮ ঘন্টা বেহুঁশ ছিলেন। দাপন সম্পন্ন করলাম। দাপনের পরের দিন কাউকে না জানিয়ে গোপনে আমার বোন সন্ধ্যার সময় স্বামীর কবরে গিয়ে স্বামীর কবরের সব মাটি নিজে সরিয়ে কবর থেকে স্বামীকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখেন। পথিমধ্যে কয়েকজন পরিচিত ও এলাকাবাসী কান্নার আওয়াজ শুনে দৌড়ে যান। গিয়ে দেখতে পায় আমার বোন তার স্বামীকে কবর থেকে উঠিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্না করছেন। সাথে সাথে আমাদের কল দেয় সবাই দৌড়ে গেলাম। বোনকে শান্তনা দিয়ে জোর করে তুললাম। আবার মসজিদের ইমাম সাহেবকে এনে দাপনের ব্যবস্থা করলাম। দাপন করে বোনকে বাসায় আনার পর থেকে কড়া নিরাপত্তায় রাখলাম। অলটাইম বোনকে চোখে চোখে রাখি। প্রতি...

ড্রাকুলা কি সত্যই ছিল নাকি কাল্পনিক চরিত্র ?

 ড্রাকুলা নামটি হয়তো আপনারা শুনে থাকবেন। এই নামটি পরিচিতি লাভ করেছে একটি ফিকশনাল ক্যারেক্টার তথা কাল্পনিক চরিত্র হিসেবে। ১৮৯৭ সালে আইরিশ লেখক ব্রাম স্ট্রোকার ‘ড্রাকুলা’ নামে একটি উপন্যাস প্রকাশ করেন। উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের নাম ছিল কাউন্ট ড্রাকুলা। যে ছিল ভ্যাম্পায়ার অর্থাৎ রক্তচোষা। সেই থেকে এই ড্রাকুলা ক্যারেক্টার নিয়ে অনেক উপন্যাস, কমিক এবং ভৌতিক চলচ্চিত্র, ওয়েব সিরিজ ইত্যাদি নির্মিত হয়েছে। এভাবেই ড্রাকুলা চরিত্রটি পরিচিতি লাভ করেছে একটি ফিকশনাল ক্যারেক্টার, রূপকথার চরিত্র হিসেবে। তবে এর মাধ্যমে আড়াল হয়ে গেছে সত্যিকারের ড্রাকুলা চরিত্র। হ্যাঁ, ড্রাকুলা নামে সত্যিকারেই একজন ছিল। খ্রিস্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দীতে সে ছিল বর্তমান রোমানিয়ার শাসক। রোমানীয়রা তাকে নিজেদের ন্যাশনাল হিরো তথা জাতীয় বীর হিসেবে অভিহিত করে। তবে পক্ষান্তরে সে ছিল একজন ঘৃণ্য অপরাধী এবং অত্যাচারী শাসক। নির্দয়ভাবে সে হত্যা করেছিল প্রায় লক্ষাধিক মানুষকে। তার মূল নাম ভ্লাড তৃতীয়। লোকদেরকে সে নির্দয়ভাবে শূলীতে চড়িয়ে হত্যা করত। তাই ভ্লাড দি ইম্পেলার নামে সে কুখ্যাত হয়ে উঠে। ১৪৫৫-১৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সবমিলি...

আজান দিতে গিয়ে 22 জন শহীদ কিভাবে হলো ?

  ঐতিহাসিক শহীদি আযানের ৯৪ বছর... ১৮৪৬ সালে অভিশপ্ত বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মাত্র ৭৫ লাখ রুপির বিনিময়ে মুসলিমদের ভূমিগোটা কাশ্মীর ভূখণ্ডকে আরেক অভিশপ্ত ডোগরা রাজা গুলাব সিং এর কাছে বিক্রি করে দেয়।   ভূমির প্রকৃত মালিক মুসলিমদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার তোয়াক্কা না করে অভিশপ্ত জাতি বৃটিশরা তাদেরই আরেক গোলাম হিন্দু জমিদারদের হাতে মুসলিমদের ভূখণ্ড বিক্রি করে দেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই গোটা ভূখণ্ডে অশান্তির দাবানল জ্বলে ওঠে।  এমনই উত্তাল সময়ে কাশ্মীরের উধমপুর জেলায় একজন ব্যবসায়ী ইসলাম গ্রহণ করলে হিন্দুরা তাঁর সম্পত্তি জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে তাঁর হিন্দু ভাইকে দিয়ে দেয়। বাধ্য হয়ে তিনি মামলা করেন। কিন্তু হিন্দু বিচারক তাঁকে শর্ত দিয়ে বসে- পুনরায় হিন্দু ধর্মে ফিরে না আসলে তিনি আর নিজের জমির মালিক থাকবেন না। ১৯৩১ সালের এপ্রিল মাসের ২৯ তারিখ। কাশ্মীরের মুসলমানরা ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করেন। নামাজের ইমামতি করেন মুফতি মুহাম্মদ ইসহাক। নামাযের পর তিনি তাঁর খুতবায় মুসা আলাইহিস সালাম ও অত্যাচারী অহংকারী শাসক ফেরাউনের ঘটনা সম্পর্কিত পবিত্র কুরআনের কয়েকটি আয়াত তিলাওয়াত করে এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য ব্য...

যে মসজিদের আঙিনায় এলেই পালায় জিন!★★

 যে মসজিদের আঙিনায় এলেই পালায় জিন!★★ **মানুষের অস্বাভাবিক আচরণকে ইঙ্গিত করে অনেকেই বলে থাকেন মানুষটিকে বদ জিনে ধরেছে। তাই তাকে সুস্থ করতে ফকির, ওঝা বা এলাকার ইমামকে ডেকে এনে চলে ঝাড়-ফুঁক। গ্রামে গঞ্জে এ দৃশ্যটি খুবই পরিচিত; জিন ছাড়াতে ওঝা আসে, তার এলাহী কাণ্ড দেখতে রোগির বাড়িতে ভিড় জমায় পাড়ার মানুষ। কিন্তু ঢাকার হযরত হাজী খাজা শাহবাজ মসজিদের খাদেম বলছেন, কোন ঝাড়-ফুঁকের দরকার নাই, এই মসজিদের আঙিনায় পা দিলেই মানুষের ওপর আছড় করা জিন নাকি পালিয়ে যায়!এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা নাকি জিনের সঙ্গে এই মসজিদে নামাজও পড়তেন! বাংলা একাডেমি এবং হাইকোর্টের মাঝামাঝি তিন নেতার মাজারের পেছনে অবস্থিত মসজিদটি ১৬৭৯ সালে  নির্মান করেণ ঢাকার ধনাঢ্য বণিক ও সুফি শাহজাদা খাজা শাহবাজ । জনশ্রুতি আছে, তিনি নাকি টঙ্গি থেকে এখানে এসে জিনদের সঙ্গে নামাজ আদায় করতেন। মানুষকে জিনে ধরার ব্যাপারটির কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকলেও মসজিদের খাদেম রাশেদ হাসান স্বপনের দাবি, এ মসজিদের আঙিনায় পা রাখলেই মানুষের ওপর থেকে জিনে আছর ছুটে যায়।  তিনি বলেন: প্রায় প্রতিদিনই কেউ না কেউ আসে জিন ছাড়াতে। এখানে পা রাখলেই তারা সম্পুর্...

ইসলামের প্রথম মুয়ায্যিন যিনি ছিলেন ।

  🕋 হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু): যিনি আযানকে সম্মানিত করলেন ✨ পরিচিতি হযরত বেলাল ইবনে রাবাহ (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম সম্মানিত সাহাবি। তিনি ছিলেন একজন আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ক্রীতদাস, যিনি ইসলামের প্রথম যুগেই মুসলমান হন। তাঁর ত্যাগ, ঈমানের দৃঢ়তা এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি অসীম ভালোবাসা তাঁকে সাহাবাদের মধ্যে বিশেষ স্থান এনে দিয়েছে। 🌙 ইসলামের প্রথম মুয়ায্যিন হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন ইসলামের প্রথম মুয়ায্যিন। তিনি সেই মহান সাহাবি, যিনি সর্বপ্রথম কাবা শরীফের ছাদে উঠে "আযান" দিয়েছিলেন। তার কণ্ঠের আযান শুনে মদিনার বাতাস পর্যন্ত কাঁপে যেত। রাসূল ﷺ তাকে নিজ হাতে মুয়ায্যিন নিযুক্ত করেছিলেন। নবীজীর প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল এমন, যে যখন রাসুল ﷺ ইন্তেকাল করেন, তখন তিনি আর মদিনায় আযান দিতে পারেননি। 💔 নবীজীর ইন্তেকালের পর হৃদয়বিদারক ঘটনা হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ইন্তেকালের পর এতটাই কষ্ট পেয়েছিলেন যে, তিনি আর মদিনায় থাকতে পারেননি। তিনি বলেছিলেন, "আমি কিভাবে সেই শহরে আযান দিব, যেখা...